২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার ০৭:৪৪:৫০ পিএম
সর্বশেষ:

২৯ জুন ২০১৮ ০২:২৫:৪৭ পিএম শুক্রবার     Print this E-mail this

বনের পশু বনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি পুরাতন ঢাকা বাসির

মোস্তাক আহম্মেদ বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 বনের পশু বনে ফিরিয়ে নেয়ার দাবি পুরাতন ঢাকা বাসির

রাজধানীর পুরাতন ঢাকার  গেন্ডারীয়া,ওয়ারী,বনোগ্রাম,শাখারীপট্টি   তাঁতীবাজার ও টিপুসুলতান রোড সহ কিছু এলাকায়  বানোরের উৎপাতে এলাকা বাসি অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। পুরাতন ঢাকার ঐ সকল এলাকা গুলো গুলতে বছরের ঐতিহ্য হিসাবে বানোরের বসবাস।
বানোর গুলো যেমন শিশুদের আনন্দ দেয় তেমনিতে যন্ত্রণারও কারন । প্রতি দিনই কোননা কোন ছোট বড় ঘটনা ঘটিয়ে চলছে বানোরের । কখনো খাবার, কাপড়, স্বর্ন্য অলংকার, টাকা ও মুল্যবান সামগ্রি নিয়ে যায়। কখনো বা দল বেদে শিশুদের উপর হামলা চালিয়ে তাদেরকে আহত করে । তবে বন বিভাগ বা পরিবেশ  অধিদপ্তর এই সকল বানোরের খাদ্য ও পুর্ন্যবাসন ব্যবস্হা গ্রহন করলে বানোরের উৎপাত থেকে রেহাই পেত এলাকা বাসি।


এ দিকে বনোগ্রাম এলাকার বাসিন্দা নাজিম উদ্দীন নাজু জানান।পুরাতন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বুলির গল্পের শুরুর কথা।
মাইনকার মায়ের চিপার কথা হা হা হা করে হাসতে হাসতে বলেন।
ঢাকার হাশ্য কর এই কথাটি বনোগ্রাম এলাকা থেকে সৃষ্টি হয় ৭০ ও ৮০ দশকের মাঝা মাঝির দিকের কথা।
এই এলাকায় চা বিক্রিতা মানিক নামের একটি ছেলে ছিলো। মানিকের মা বানোরের উৎপাত সইতে না পেরে বানোর কে ফাঁদে ফেলার জন্য ফাঁদ পাতেন। সেই ফাঁদ পাতার ধরন ছিলো,বাঁশ ফাঁটিয়ে দারা করে রাখেন তিনি। আর সেই বাঁশ বেয়ে বানোর উপরে উঠতে গিয়ে বাঁশের ফাটায় আটকে পড়ে বানোরের অন্ডোকোশ তাতে করে বানোর চিৎকার করতে থাকে। আর সেই থেকেই সাবার মুখের বলি মাইনকার মার চিপায়।
অথবা মাইনকার মার চিপায় পড়লে বুজবা।
গেন্ডারিয়া শক্তি ঔশাধালয় এলাকার বাসিন্দা হাসিনা আক্তার জানান বানোর প্রতি দিনেই কিছুনা কিছু বাসা থেকে নিয়ে যায়।খাবার ঔষধ কাপড় এমনকি মোবাইল ও ফোন নিয়ে গিয়েছেন। এ ঘটনা থেকে বানোর দেখে আর আনন্দ পাইনা বরং আতংকে থাকি যে কখোন কি নিয়ে যায়।