২০ অক্টোবর ২০১৮, শনিবার ১২:৪৭:০৬ পিএম
সর্বশেষ:

১১ অক্টোবর ২০১৮ ০৫:০১:৪৪ পিএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

ঘূর্নিঝড় তিতলি’র প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল

শিক্ষার্থীসহ দূর্ভোগে হাজার মানুষ

কলাপাড়া(পটুয়াখালী) থেকে উত্তম কুমার হাওলাদার
বাংলার চোখ
ঘূর্নিঝড় তিতলি’র প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল শিক্ষার্থীসহ দূর্ভোগে হাজার মানুষ

ঘূর্নিঝড় তিতলি’র প্রভাবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও  উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ সৈকতে আছড়ে পড়ছে। স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি ৪/৫ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া বেরিবাঁধে ভাঙ্গা পয়েন্টের দিয়ে পানি প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। অস্বাভাবিক জোয়ারের পনিতে উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নে নিজামপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠ তলিয়ে যাওয়াতে শিক্ষার্থীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।গত দু’দিন ধরে দফায় দফায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টিপাতে পানি বন্দি রয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। তবে সাগরে মাছ ধরার ট্রলার না থাকায় কোন ধরনের দূর্ঘটনা ঘটেনি বলে স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন।   

বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বেরিবাঁধের ভাঙ্গা পয়েন্ট থেকে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে বহু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে কৃষকদের ফসল তলিয়ে রয়েছে পানির নিচে। মাছের ঘের ডুবে যাওয়ায় লোকসানের মুখে পরেছে মৎস্য চাষিরা। বেরিবাঁধ ও উচুঁ জমি হয়েছে গবাদি পশুর চারন ভূমি।

এছাড়া নিজামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে যাতায়েত পথ ও স্কুল মাঠ তলিয়ে রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীসহ দুর্ভোগে পরেছে স্থানীয়রা। এদিকে ঘূর্নিঝড় তিতলি আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়ছে। তাই চার নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে উপকূলীয় এ অঞ্চলকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানো হয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে।

নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো.বেলায়েত খাঁন বলেন, অমাবশ্যা ও পূর্নিমার প্রভাবে জোয়ারে তলিয়ে যায় রাস্তা ঘাট সহ বিদ্যালয়ের মাঠটি। বেরী বাঁধ মেরামত না হওয়ায় দুর্ভোগ ক্রমশ বাড়ছে।