১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার ১০:৫৬:০১ এএম
সর্বশেষ:

২৯ জুন ২০১৯ ০৪:৪৯:২৩ এএম শনিবার     Print this E-mail this

শ্রীলঙ্কার শোচনীয় হার

স্পোর্টস ডেক্স
বাংলার চোখ
 শ্রীলঙ্কার শোচনীয় হার

চলতি বিশ্বকাপে বাঁচা-মরার ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শোচনীয়ভাবে হেরেছে শ্রীলঙ্কা। লঙ্কানদের দেয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে প্রোটিয়া বাহিনী। তাও ৭৭ বল হাতে রেখে। এর আগে শুক্রবার (২৮ জুন) ডারহামের চেস্টার-লি-স্ট্রিটে দ্য রিভারসাইড গ্রাউন্ডে টস জিতে লঙ্কানদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি।

ব্যাটিংয়ে এসে ইনিংসের প্রথম বলেই বিপদে পড়ে লঙ্কানরা। কাগিসো রাবাদার করা প্রথম ডেলিভারীতে সেকেন্ড স্লিপে ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাক নিয়ে সাজঘরে ফেরেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। আর তাতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ইনিংসের প্রথম বলে গোল্ডেন ডাক পাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

শুরুর ধাক্কাটা আর কাটিয়ে ওঠতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট বিসর্জন দিতে থাকে তারা। অধিনায়কের বিদায়ের পর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে কুশল পেরেরা এবং অভিষেক ফার্নান্দোর ব্যাট। দুর্দান্ত খেলতে থাকা দু’জনের ৬৭ রানের জুটি ভাঙেন ডুয়াইন প্রিটোরিয়াস। ৩০ রান করে ফেরেন ফার্নান্দো। পেরেরাকেও (৩০) বোল্ড করেন বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা প্রিটোরিয়াস।

এরপরই কেবল যাওয়া-আসার মাঝে থাকে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১০০ রানের মাথায় অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জলো ম্যাথিউসকে (১১) বোল্ড করেন ক্রিস মরিস। কুশল মেন্ডিসকে (২৩) নিজের তৃতীয় শিকার বানান প্রিটোরিয়াস। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ও জীবন মেন্ডিস চেষ্টা করেন লড়াই করার। কিন্তু প্রোটিয়া বোলারদের তাণ্ডবে তাদের আয়ু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ধনাঞ্জয়াকে (২৪) বোল্ড করেন জেপি ডুমিনি। মাটি কামড়ে পড়ে থাকা জীবনকে (১৮) ফেরান মরিস।

শেষ আশ্রয় হিসেবে থাকা থিসারা পেরেরাও (২১) তার ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। শেষদিকে লঙ্কানদের ২০০ পেরোনো স্কোর এনে দেন পেরেরা এবং ইসুরু উদানা (১৭)। যাওয়া-আসার মাঝে সুরঙ্গা লাকমাল অপরাজিত ছিলেন ৫ রানে। শেষ উইকেট হিসেবে মালিঙ্গার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন প্রিটোরিয়াস এবং মরিস। রাবাদার শিকার দুই উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের লক্ষ্য ছিল মাত্র ২০৪ রানের। দলীয় ৩১ রানের মাথায় কুইন্টন ডি কককে (১৫) বোল্ড করে কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন লাসিথ মালিঙ্গা। ওই পর্যন্তই।

দ্বিতীয় উইকেটে ১৭৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন হাশিম আমলা আর ফাফ দু প্লেসি। দু প্লেসি মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরিটা পেলেন না। ১০৩ বলে ১০ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৯৬ রানে অপরাজিত থাকেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। ১০৫ বলে ৫ চারে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন আমলা।

এই হারে অবশ্য শ্রীলঙ্কার সেমির স্বপ্নও কঠিন হয়ে গেল। ৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এখন তারা তালিকার সাত নম্বরে। চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যদের শেষ দুই ম্যাচ উইন্ডিজ আর ভারতের বিপক্ষে। এই দুই ম্যাচ জিতলেও ১০ পয়েন্টের বেশি হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অনেক হিসেব নিকেশের দিকে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close