১৮ আগস্ট ২০১৯, রবিবার ০৬:৪০:২৫ এএম
সর্বশেষ:

২৭ জুলাই ২০১৯ ০৬:৩০:৩৩ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

এডিস মশা নিধনে মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে উভয় সিটি কর্পোরেশন এক সাথে কাজ করছে- স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 এডিস মশা নিধনে মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে উভয় সিটি কর্পোরেশন এক সাথে কাজ করছে- স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে উভয় সিটি কর্পোরেশনই এক সাথে কাজ করছি। এখানে সম্মনয়হীনতার কোনো রকম অস্তিত্ব নাই। সবাই সম্মনিতভাবে কাজ করছেন। আমি গত কয়েক দিন আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শে সাপ্তাহ ব্যাপী মশা নিধন অভিযান আরোম্ভ করা হয়েছে। সেটাতে উভয় সিটি কর্পোরেশন এক সাথে থেকে এক সাথে আমার উদ্বোধন করেছি। আমি মনে করি না  কোনো সম্মনয়হীনতা আছে। যে সমস্ত বক্তব্য উঠে আসছে, অভিযোগ আসছে এগুলোর সাথে বাস্তবতার সাথে সম্মতি নাই। মশা নিধন করা হচ্ছে। আমি মনে করি মশা কমেছে। কিন্তু এডিস মশা সাধারণত্ব বৃষ্টিতে ছাদে যে পরিস্কার পানি জমে থাকে ওই পানিতে থেকেই জম্মে। ফুলের টপে যে পরিস্কার পানি যেগুলোতে জম্মে। বার্থরুমের কমেটের মধ্যে যে পরিস্কার পানি আছে। সেখানে ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই এডিস মশার জম্ম হয়। শনিবার নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত “মেঘনা নদী দুষোণ ও দখলরোধ বিষয়ক” মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আবুল কালাম আজাদ, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
এর আগে মন্ত্রী স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলাম বাবু, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়,পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, মহাপরিচালক পরিবেশ অধিদপ্তর,চেয়ারম্যান বিআইডব্লিউটিএ সহ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মন্সিগঞ্জ, নরসিংদ, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার জেলা প্রশাসক এবং মেঘনা নদীর তীরবর্তী চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। মেঘনা নদীতে ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ডিইএসডব্লিউএসপি প্রকল্প এবং সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার ফেজ-৩ প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার  বিশ্বনন্দী ও একই জেলার সোনারগাঁও উপজেলার হাড়িয়া এলাকা থেকে পানি নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের নদীগুলোকে দুষোণ ও দখল মুক্ত করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি কমিটি করেছেন।  সেই কমিটির স্থানীয় সরকার মন্ত্রী হিসেবে আমার ওপর পড়েছে। মেঘনা নদী যাতে আর দুষোণ না হয় এবং অন্যান্য নদীগুলোও যেন আর দুষোণ না আমাদের বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ রয়েছে। যেমন ডমেস্টিক ওয়েল, ইন্ডাস্টটিয়াল ওয়েল এবং ট্রান্সপোর্ট ওয়েল যাতে নদীতে আর যায় এগুলোর ব্যাপারে বিভিন্ন ব্যবস্থা করা। তিনি আরো বলেন, বিদেশী র্জামান এ্যাম্বসেডার, সার্ভেভিয়ার অফ ফান্স এবং বিভিন্ন ডেভোলামেন্ট পার্টনাররা এই অনুষ্ঠানে যোগদান কেেরছন। তারা আমাদের বক্তব্য শুনেছেন। যে সমস্ত কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে সেগুলো শুনেছেন। শুনে তারা মুগ্ধ হয়েছেন এবং তারা অঙ্গিকার করেছেন আমাদের সাথে এক সাথে থেকে নদীগুলো নাব্যতা ফিরিয়ে আনা। দুষোণ বন্ধ করার ব্যাপারে তারা তাদের পক্ষ থেকে অবদান রাখবে এবং সাহায্য করবে। তিনি বলেন, যারা শিল্প কারখানা করেছেন। তাদেরকে নিয়ম নেমে চলতে হবে। শিল্পের কোনো বর্জ্য নদীতে পড়ে নদী দুষোণ করতে দেওয়া হবে না। নদীর জায়গা দখল করে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা এ ব্যাপারেও অত্যন্ত কঠিন ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close