২১ অক্টোবর ২০১৯, সোমবার ০৪:৩৮:৩৪ পিএম
সর্বশেষ:
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন; দ্রুত মোতায়েনের জন্য ১টি প্লাটুনকে নেয়া হয়েছে হেলিকপ্টারে           

৩০ জুলাই ২০১৯ ১২:৫৬:২১ পিএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

যে জঙ্গলে নিরুদ্দেশ বহু মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেক্স
বাংলার চোখ
 যে জঙ্গলে নিরুদ্দেশ বহু মানুষ

রহস্যে মোড়া এ পৃথিবী। চারপাশে এমন অনেক ঘটনা ঘটে চলেছে, যার সামনে সব বৈজ্ঞানিক যুক্তি, চিন্তাধারা খারিজ হয়ে যায়। রহস্যমাখা এমনই এক অরণ্য ‘হোয়া বাচু’। বিভিন্ন রকম অতিপ্রাকৃতিক কার্যকলাপ, অপ্রত্যাশিত ঘটনার ফলে যা এরই মধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে ভূতুড়ে জঙ্গলের তকমা পেয়েছে।

রোমানিয়ার ট্রান্সসিলভানিয়ার ক্লাজ নাপোকা শহরে প্রায় ২৫০ হেক্টর জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে এ জঙ্গল। প্রচলিত আছে, অনেক বছর আগে এক মেষপালক প্রায় ২০০ ভেড়া চড়াতে ওই বনে প্রবেশ করে, কিন্তু আর কখনোই ফিরে আসেনি তারা। জঙ্গলের গোলকধাঁধায় কোথায় যে হারিয়ে গেছে তা কেউ জানে না।

১৯৬০ সালে প্রথমবারের মতো এ অরণ্য বিশ্ববাসীর নজরে আসে। জীববিজ্ঞানী আলেকজান্দ্রু সিফট আকাশে ডিম্বাকৃতি কিছু উড়ে যেতে দেখেন। সেই বস্তুটির ছবিও তোলেন তিনি। ১৯৬৮ সালে এমিল বার্নিয়া নামে সেনাবাহিনীর এক টেকনিশিয়ানও ইউএফওর (অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু) মতো এক ‘সসার’ জঙ্গলের ওপর দিয়ে উড়ে যেতে দেখেন বলে দাবি করেন। এ ঘটনায় হতবাক হয়ে এমিল আশপাশের গ্রামের মানুষের কাছে জানতে চাইলে তারাও জানায়, মাঝেমধ্যেই তীব্র গোলাকার আলোর বলয় ঊর্ধ্বাকাশে যেতে দেখেছে। পরবর্তীকালে যারাই এ জঙ্গলে গিয়েছে তাদের প্রায় প্রত্যেকেই মাথাঘোরা, গায়ে ফোসকা পড়া, শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন অস্বাভাবিক ঘটনার শিকার হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন পরীক্ষা করে দেখেছেন, এ বনে অস্বাভাবিক মাত্রায় তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হয়ে থাকে। এ ছাড়া এখানে চুম্বকীয় ও তড়িত্চুম্বকীয় ক্ষেত্রের বেশ কিছু বিচ্যুতি আছে। এ জঙ্গলে এমন একটি জায়গা আছে, যেখানে কোনো দিন কোনো গাছ অথবা লতা-গুল্ম জন্মাতে দেখা যায়নি। বিজ্ঞানীরা এখানকার মাটি নিয়েও পরীক্ষা করে দেখেছেন। তবে মাটিতেও এমন কোনো অস্বাভাবিকতা চোখে পড়েনি, যা গাছ জন্মানোর পরিপন্থী। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বিশেষ জায়গাটিকে ভূতুড়ে ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তাদের ধারণা, কোনো অশরীরী কিছু বা অতৃপ্ত আত্মার বাস আছে ওই জায়গায়।

জনশ্রুতি আছে, অনেক বছর আগে কিছু চাষিকে অন্যায়ভাবে এ জঙ্গলে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের অতৃপ্ত আত্মাই এ বনের আনাচকানাচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বনের গাছের ফাঁকে ফাঁকে তাই কান পাতলেই শোনা যায় নারীর কান্নার আর্তনাদ, হাসির আওয়াজ।

সত্যিই কি ওই জঙ্গল ভূতুড়ে? উত্তর খুঁজতে অনেক বিজ্ঞানী নিরন্তর গবেষণা চালিয়েছেন। কারো মতে, এসব মানুষের আজগুবি কল্পনা। আবার কেউ কেউ বনের গহিন দেখেছে ছায়ামূর্তি, চাপা ফিসফাস। তবে আজও সারা দুনিয়ার চোখে ভূতুড়ে হয়েই আছে ট্রান্সসিলভানিয়ার এ জঙ্গল।

সূত্র : আনন্দবাজার।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close