১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার ০৪:২৩:৪৮ এএম
সর্বশেষ:

০৭ আগস্ট ২০১৯ ১১:১৬:৩৫ পিএম বুধবার     Print this E-mail this

ভূরুঙ্গামারীতে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে

শামসুজ্জোহা সুজন ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 ভূরুঙ্গামারীতে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে

শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সারা দেশের ন্যায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি বছর মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প (৬৪জেলা) বাস্তবায়ন শুরু করে। কয়েক মাস যেতে না যেতেই নানাবিধ সমস্যায় মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে।
 জানা যায়, ভূরুঙ্গামারীর দশ ইউনিয়নে ৩০০ টি শিখন কেন্দ্র ৬০০ জন শিক্ষক ও ১৫ জন সুপারভাইজার নিয়ে চলতি বছরের ২৩ মার্চ প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে। প্রকল্প চালুর পাঁচ মাস অতিবাহিত হলেও প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সুপারভাইজাররা অদ্যবধি বেতন পাননি। দীর্ঘদিন যাবত বেতন না পাওয়ায় বর্তমানে তারা কর্মস্পৃহা হারিয়ে ফেলেছেন। এছাড়াও পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ না থাকা, নিয়মিত মনিটরিং না করা, কেন্দ্রের ঘর ভাড়া পরিশোধ না করা সহ নানাবিধ কারনে বর্তমানে প্রকল্পটি কাগজে-কলমে টিকে আছে।
 শিক্ষক ও সুপারভাইজাররা দীর্ঘদিন উপজেলা প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয়ে ধর্ণা দিয়েও বেতন পাচ্ছেন না। জানা গেছে, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ব্যতীত দেশের সকল উপজেলার সুপারভাইজার ও শিক্ষকরা বেতন পেয়েছেন। শিলখুড়ী ইউনিয়নে কর্মরত শিক্ষক ফারুক আহমেদ জানান, সারা দেশে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের শিক্ষকরা বেতন পেয়েছেন বলে শুনেছি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন শিক্ষক ক্ষোভের সাথে জানান, বেতন ছাড়া আর কতদিন চাকুরী করা যায়, দীর্ঘদিন যাবত কেন্দ্রগুলোর ঘর ভাড়া বকেয়া থাকায় ঘর মালিকরা সেগুলো ব্যবহার করতে দিতে চাচ্ছেন না। ভুক্তভোগী শিক্ষক ও সুপারভাইজারদের দাবি, উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প পরিচালকের অবহেলার কারণেই প্রকল্পটির অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এবং তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না।
 কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক প্রকল্পের অগ্রগতি জানতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রায় একমাস আগে একটি চিঠি দিয়েছিলেন।
 ভূরুঙ্গামারী উপজেলার মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প পরিচালক আনিসুর রহমান জানান, আশা করি চলতি মাসের ৮ তারিখের মধ্যে বেতন ছাড় করা সম্ভব হবে। প্রকল্পের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার না করলেও অস্বীকার করেননি।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাগফুরুল হাসান আব্বাসী জানান, কিছু সমস্যার কারণে এখনো এ প্রকল্পের বেতন ছাড় করানো যায়নি। ঈদের আগে বেতন ছাড়ের চেষ্টা চালছে।
 প্রকল্প বাস্তবায়ন সংস্থা ছিন্নমুকুল বাংলাদেশ, কুড়িগ্রাম এর সহকারী পরিচালক জানান, শিখন কেন্দ্রগুলো বন্ধ হওয়ার খবর সত্য নয়। তবে বন্যার কারণে কিছু কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থগিত থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শিক্ষা উপকরনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৫০ শতাংশ শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে। বাকীটা ঈদের পরেই সরবরাহ করা হবে।


সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close