১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার ০১:০৮:৩৮ পিএম
সর্বশেষ:

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৫৮:১০ এএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

গলাচিপার বাগেরহাট-২ লঞ্চের অজ্ঞাত তরুণীর লাশের পরিচয় মিলেছে

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 গলাচিপার বাগেরহাট-২ লঞ্চের অজ্ঞাত তরুণীর লাশের পরিচয় মিলেছে

গলাচিপার অজ্ঞাত তরুণীর লাশের পরিচয় মিলেছে। উপজেলা চিকনিকান্দি ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের ৬নম্বর ওয়ার্ডের আজিজ কারলের মেয়ে লামিয়া। গত তিন মাস আগে রংপুরের জনৈক আল আমিনের সঙ্গে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক করে বিয়ে করে। গত তিন মাস আগে গলাচিপার চিকনিকান্দি লামিয়ার গ্রামের বাড়িতেই লামিয়া-আল আমিনের বিয়ে হয়। ঘটনার সত্যতা স্বীকাার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ।

চিকনিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আবু বকর সিদ্দিক জানান, উপজেলার কচুয়া গ্রামের আজিজ কারালের মেয়ে লামিয়া দীর্ঘ দিন ঢাকা থাকতো। এ সুবাদে মোবাইলে পরিচয় হয় আল আমিনের। গত তিন মাস আগে আল আমিনকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি গলাচিপার চিকনিকান্দি ইউনিয়নের আসলে এলাকার লোকজনের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে হয়। পরে গত বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আল আমিন ও লামিয়া গলাচিপা থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যায়। শনিবার সকালে অজ্ঞাত হিসেবে গলাচিপা থানা পুলিশ বাগেরহাট-২ লঞ্চ থেকে লামিয়ার লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে এবং পটুয়াখালীতেই অজ্ঞাত হিসেবে আঞ্জুমান মফিদুলে লাশ দাফন করা হয়।
ছবি দেখে ছোট ভাই রাজিব লামিয়াকে সনাক্ত করে।

লামিয়ার ছোট ভাই রাজিব জানায়, গত এক সপ্তাহ আগে আমাদের বাড়িতে দুলাভাই (আল আমিন) আর আপু বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দোতলা লঞ্চে ঢাকা চলে যায়।’  রাজিব আরো জানায়,‘আজ মঙ্গলবার সকালেও দুলাভাই (আলআমিন) আপুর ব্যাপারে আমাকে মোবাইল করে কথা বলেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত  দুলাই ভাই আমাদের বাড়িতে আসেনি।’

এ প্রসঙ্গে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার মোর্শেদ বলেন, ‘লামিয়ার ছোট ভাই রাজিব ছবি দেখে তার বোনকে (লামিয়াকে) সনাক্ত করে। গত শনিবার লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ওই সময় লাশের পরিচয় না পাওয়ায় আঞ্জুমান মফিদুলে দাফন করা হয়েছে। তবে ঘটনার রহস্য উন্মোচনের জন্য তদন্ত চলছে।’

উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকার সদরঘাট থেকে এমভি বাগেরহাট-২ লঞ্চটি গলাচিপার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। এসময় অন্যান্য যাত্রীদের সঙ্গে অজ্ঞাত তরুণীটিরও সদরঘাট থেকে লঞ্চে ওঠে। যাত্রীরা লঞ্চ কর্মচরীদের জানিয়েছে, লঞ্চে ওঠার পর তরুণীটি তার সঙ্গে থাকা এক যুবক একসাথে বসে মুড়ি ও অন্যান্য খাবার খায়। পরে লঞ্চটি ফতুল্লা লঞ্চঘাটের পর আর ওই যুবকে দেখা যায়নি। কিন্তু ফতুল্লা ঘাট ছাড়ার কিছু পরেই তরুণীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পাশের যাত্রীরা লঞ্চ কর্মচারীদের জানায়। লঞ্চের কর্মচারীরা ঘটনাস্থল এসে পরবর্তী ঘাটের জন্য অপেক্ষা করে। কিন্তু রাত দুইটার দিকে (ধারণা করা হয়) তরুণীটির মৃত্যু হয়। ‘তরুণীটির সঙ্গে থাকা শপিং ব্যাগের মধ্য থেকে একটি সাদা রুমালে লাল সুতার সেলাই করে লেখা ‘লামিয়া আলম’ আর হাতে মেহেদী দিয়ে লেখা ‘এলএ’।’

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close