০৩ জুন ২০২০, বুধবার ০৭:৪৩:৪০ পিএম
সর্বশেষ:
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৩৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২৯১১:দেশে মোট ৫২ হাজার ৪৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত            বিশ্বে করোনায় মৃত ৩ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি, সেরে উঠেছেন ২৯ লাখের বেশি মানুষ।           

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০২:২৫:০৯ পিএম রবিবার     Print this E-mail this

জি কে শামীমকে কাজ পাইয়ে দিতেই খুন করা হয়েছিল ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজকে

ডেক্স রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 জি কে শামীমকে কাজ পাইয়ে দিতেই খুন করা হয়েছিল ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজকে

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জি কে শামীমকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ পাইয়ে দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। শুধুমাত্র টেন্ডারের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড বলে মনে করেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা। অন্যদিকে, প্রয়োজনে মামলা সংক্রান্ত নতুন যে কোন বিষয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা।

২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তৎকালীন ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক দিয়াজের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে চবির কলা ও মানববিদ্যা অনুষদ ভবনের দরপত্র আহ্বানকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সে সময় জিকেবিএল কোম্পানির দি বিল্ডার্সের নামে একটি মাত্র ফরম কেনা হয়েছিল। এই জিকেবিএলের স্বত্বাধিকারী জি কে শামীম। আর অন্য কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন তখন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেনি। আর সেই কারণে জিকেবিএল ছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও যাতে দরপত্র প্রদান করতে পারে সে জন্য প্রতিবাদ করেছিলেন দিয়াজ ইরফান চৌধুরী। মূলত এ কারণেই দিয়াজকে পরিকল্পতিভাবে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

দিয়াজ ইরফানের বোন জুবাইদা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ ৭৫ কোটি টাকার টেন্ডার। সেটা জি কে শামীমের লাইসেন্স-এ দিয়াজের আসামীরা হাতিয়ে নেয়। দিয়াজ চেয়েছিল স্বচ্ছ টেন্ডার হোক। এখান থেকেই শুরু। এই ঘটনা থেকে তপুকে মারা হলো, দিয়াজের ঘর ভাঙ্গা হলো, মামুনদের ঘর ভাঙা হলো, তারপর ২০ দিনের মাথায় দিয়াজকে হত্যা করা হলো।

জি কে শামীমের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয় টেন্ডার প্রক্রিয়ার সাথে যারা জড়িত ছিল তারাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে মনে করেন সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতা।

মামলার তদন্ত কাজ চলমান আছে জানিয়ে সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা বলেন , প্রয়োজনে নতুন কোন বিষয় সামনে এলে সে ব্যাপারেও তদন্ত করা হবে।

২৪ নভেম্বর দিয়াজের মা বাদি হয়ে আদালতে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। দিয়াজের মৃত্যুর তিনদিন পর চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তে আত্মহত্যা বলা হয়েছিল। পরে পরিবারের আপত্তির কারণে আদালত সিআইডিকে দ্বিতীয় দফায় ময়নাতদন্ত করার আদেন দেন। সেই ময়নাতদন্তে দিয়াজকে হত্যার আলামত পাত্তয়া যায়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close