২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার ০৩:২৬:১৬ পিএম
সর্বশেষ:
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামছে ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন; দ্রুত মোতায়েনের জন্য ১টি প্লাটুনকে নেয়া হয়েছে হেলিকপ্টারে           

০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:২১:৩৩ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

ফেনী নদীর পানি যাবে ভারতের ত্রিপুরায়

ডেক্স রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 ফেনী নদীর পানি যাবে ভারতের ত্রিপুরায়

নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যে ৭টি সমঝোতা স্মারক সই করেছে ভারত ও বাংলাদেশ তার মধ্যে উপকূলীয় এলাকায় নজরদারিতে সহযোগিতা বিনিময়ে একটি সমঝোতা স্মারকও রয়েছে।

সই করা সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশের ফেনী নদী থেকে পানি প্রত্যাহার করতে পারবে ভারত। এই পানি তারা ত্রিপুরা রাজ্যর সাবরুম শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যবহার করবে।

আন্তঃসীমান্তে ফেনী নদী থেকে ১.৮২ কিউসেক পানি ভারতকে দিতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। এতে সাবরুম শহরের মানুষের চাহিদা পূরণে ব্যবহার করা হবে।

এর আগে ২০১৫ সালের জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করেন। ওই সফরে দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফেনী নদীর পানি চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘তিস্তায় পানি এলে ভারত ফেনীর পানি পাবে।’

ঢাকার ওই শক্ত মন্তব্যের পর এ বিষয়ে দীর্ঘ সময় প্রকাশ্যে কিছু বলেনি নয়া দিল্লি। বিপরীতে সময় নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শক্তিশালী ও আস্থার রাজনৈতিক সম্পর্ক গড়েছে ভারত। যার ফলে ২০১৫ সালে পানি নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত। এবারের দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে পানি বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসা অনভিপ্রেত কিছু নয়। শুধু তাই নয়, নতুন সিদ্ধান্তে তিস্তা বিষয়ে কিছু না থাকাটাও অস্বাভাবিক কিছু হবে না।

অপর দিকে তিস্তার পানি বণ্ঠনে ন্যায্য পাওনা রয়েছে বাংলাদেশের। বছরে পর বছরে ধরে এটি আলোচনা এলেও পশ্চিমবঙ্গের অযুহাতে আলোর মুখ দেখেনি তিস্তা চুক্তির। উল্টো, ফারাক্কার মতো ২০১৪ সাল থেকে তিস্তার পানি একতরফা প্রত্যাহার করছে ভারত। ফলে এই নদীর ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী বিপদে পড়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দৃশ্যমান হলেও নদীর পানি প্রসঙ্গে সেই বন্ধুত্ব ফুটে ওঠেনি।

২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর ঢাকা সফরে তিস্তা পানি চুক্তি সই হওয়ার কথা ছিল। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিরও তখন ঢাকা আসার কথা ছিল। কিন্তু মমতা শেষ পর্যন্ত আসেননি। তিস্তা চুক্তিও হয়নি। ২০১৫ সালে মমতা একাই ঢাকায় এসেছিলেন। আর ঢাকায় বসেই তিনি তিস্তার পানি দেয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তার কথা, তিস্তায় দেয়ার মতো পানি নেই। পরিবর্তে তিনি তোর্সা নদীর পানিবণ্টনের প্রস্তাব দেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close