১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার ১১:০৬:৫৮ এএম
সর্বশেষ:

০৯ অক্টোবর ২০১৯ ০৯:৩১:০২ পিএম বুধবার     Print this E-mail this

কুষ্টিয়ায় তোপের মুখে পালিয়ে গেলেন বুয়েটের ভিসি

সুজন কুমার কর্মকার, কুষ্টিয়া থেকে
বাংলার চোখ
 কুষ্টিয়ায় তোপের মুখে পালিয়ে গেলেন বুয়েটের ভিসি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেয়ে ডাঙ্গা গ্রামবাসীদের তোপের মুখে রায়গ্রাম থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। শেষপর্যন্ত আবরারের বাড়িতে না ঢুকে সামনের রাস্তা থেকে পুলিশ ও আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রহরায় তিনি দ্রুত চলে যান। ভিসিকে সরিয়ে দেয়ার সাথে সাথে পুলিশের সাথে গ্রামবাসীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পুলিশ আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজকে মারধর করেন এবং আবরারের মামাতো ভাবী তমাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ করেন আবরারের পরিবার। তাকে কুমারখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে। ভিসির সাথে ছিলেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন, পুলিশ সুপার তানভীর আরাফাতসহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা ও আওয়ামীলীগ নেতারা। এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে পৌছান বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। সেখান থেকে ডিসি ও এসপিসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে রায়ডাঙ্গা গ্রামে যান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিসি আসার সংবাদ পেয়ে আবরারের বাড়ির সামনে জড়ো হতে থাকে গ্রামবাসী। মুহুত্বেই কয়েক হাজার নারী-পুরুষ আবরারের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিতে থাকে। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই গ্রামে যান উপাচার্য। সেখানে গিয়ে রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারের কবর জিয়ারত করেন। কিছুক্ষনের মধ্যে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রুপ নেয়। ভিসিকে নিরাপত্তা দিতে কয়েকশ পুলিশের সাথে সেখানে অবস্থান নিতে থাকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। করব জিয়ারত শেষে আবরারের দিকে আসতে থাকে ভিসির গাড়িবহর। আবরারের বাড়ি ঢোকার মুখে ভিসির গাড়ির সামনে নারীরা শুয়ে পড়েন। অবস্থা বেগতিক দ্রুত গাড়ি ঘুরাতে থাকেন। এসময় হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভুয়া ভুয়া বলে শ্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ ও আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রহরায় এলাকা ত্যাগ করেন ভিসি। ভিসির গাড়িবহর চলে যাওয়ার সাথে সাথে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজকে মারধর করেন পুলিশ। পুলিশ লাঠিচার্জে আবরারের মামাতো ভাবী তমা আহত হয়েছেন। তাকে কুমারখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে কয়েক ঘন্টা গ্রামবাসী বিক্ষোভ করে।


সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close