১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার ০৩:৫৪:৫৭ এএম
সর্বশেষ:

১০ অক্টোবর ২০১৯ ০১:৫৩:৫৮ এএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

আন্দোলনের জন্য বহিরাগত ছেলেদের ডেকে আনলেন রাবি শিক্ষক

রাবি প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 আন্দোলনের জন্য বহিরাগত ছেলেদের ডেকে আনলেন রাবি শিক্ষক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অংশ নেয়ার জন্য বহিরাগত কিছু ছেলেকে ডেকে আনার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এক্রাম উল্লাহ্’র বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ৩০-৩৫ জন বহিরাগত ছেলেকে আসতে দেখা যায়। কিন্তু বহিরাগতরা আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাদেরকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

এ সময় সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন তাদের দাবিতে মানববন্ধন করছিলো, তখন আনুমানিক ২৫ বছর বয়সী এক যুবকের নেতৃত্বে সেখানে ৩০-৩৫ অল্প বয়সী কিছু ছেলে আসে। যাদের অধিকাংশের বয়স ১৫-২০ বছর। তারা মানববন্ধনে দাড়ানোর চেষ্টা করে। পরে সেখান থেকে তাদেরকে সরিয়ে যেতে বললে, তারা গ্রন্থাগারের সামনের রাস্তায় কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকে। ১০-১৫ মিনিট পর তারা সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টুকিটাকি চত্বরে চলে যায়।

এ বিষয়ে আন্দোলনকারী ও রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আবদুল মজিদ অন্তর বলেন, চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে অবস্থান নেয়। তখন বহিরাগত ৩০-৩৫ জন ছেলেকে আন্দোলনে সামিল হতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে বহিরাগত বলে তাদের বের করে দেয়া হয়।


বহিরাগতদের নেতৃত্বে থাকা আজমত হোসেন বলেন, ‘আমাদেরকে এক্রাম উল্লাহ স্যারের নাম করে আওয়াল নামের একজন ব্যক্তি এখানে আসতে বলেছিল। তাই আমরা এখানে এসেছিলাম।’ কী কারনে আসতে বলেছে তাদের জিঙ্গাসা করলে তারা কোন উত্তর দিতে পারিনি।

তবে আওয়ালের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আন্দোলনে আসা তরিকুল নামের একজন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কী যেন আন্দোলন হবে, সেজন্য আমাদেরকে এক বড় ভাই আসতে বলেছিল। তাই এসেছি।

তবে অভিযোগ ওঠা শিক্ষক অধ্যাপক এক্রাম উল্লাহ্ বলেন, ‘তাদের কে আমি ডাকছিলাম আমার ব্যক্তিগত কাজে। দীর্ঘদিন যাবৎ তারা আমার বাসায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করেছে। সেই সুবাধে তাদের কিছু পাওনা পরিশোধ এবং কিছু খাওয়ানোর জন্য ক্যাম্পাসে আসতে বলছিলাম। ইতোমধ্যে আমাদের একটা মানববন্ধন ছিল সিনেট ভবনের সামনে। সেখানে তারা দেখা করতে গেলে আমি তাদেরকে বলি তোমরা টুকিটাকিতে বস আমি আসছি। তাছাড়া একটা চক্রান্ত আমাকে ফাঁসানোর জন্য জিনিসটা অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নাজমুল হায়দার বলেন, ‘আমরা একটা তথ্যের ভিত্তেতে ওখানে যাই। তারপর তাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি যে কারও বরাত দিয়ে তারা এক্রাম স্যারের কাছে এসেছে। তারপর প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদ শেষে তাদের নাম ঠিকানা লিখে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close