১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার ০৩:৪৯:৪৩ এএম
সর্বশেষ:

০৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:৪৩:১৯ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

গলাচিপায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে থেমে থেমে ঝড়ো বৃষ্টি-আকাশে গুমোট ভাব

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 গলাচিপায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে থেমে থেমে ঝড়ো বৃষ্টি-আকাশে গুমোট ভাব

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে উপকূলীয় গলাচিপা উপজেলায় থেমে থেমে ভারী থেকে মাঝারি ঝড়ো বৃষ্টিপাত এখনও অব্যাহত রয়েছে। আকাশ কালো মেঘে আচ্ছন্ন থাকায় থমথমে, গুমোট ভাব বিরাজ করছে। প্রবীণরা বলছেন, এটি ঘূর্নিঝড়ের আঘাত হানার পূর্বাভাস। এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবক, উপজেলা ও থানা প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা কর্মচারীরা দুর্গত এলাকার মানুষদের ্আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য প্রচার ও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। এতো কিছুর পরেও সাধারণ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনিহা প্রকাশ করছেন বলে জানান স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা। অনেক চেষ্টার পর কিছু মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে তারা জানান। তবে উপজেলায় দুপুর পর্যন্ত এ সংখ্যা দুই হাজার ছয়শ জন।

অপরদিকে, সাগরে মাছ শিকাররত জেলেদের মধ্যে অধিকাংশ জেলেরা ফিরে এসেছেন। গলাচিপা উপজেলায় ঘূর্নিঝড়ের কারণে সবচেয়ে শংকায় রয়েছে কৃষকরা। এ সময় গাছ থেকে ধানের শীষ বের হয়। সব ধান চিটা হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন কৃষকরা।
গলাচিপা পৌর এলাকার সাগরদী রোডের দুলাল চন্দ্র বলেন, ‘ঘর বাড়ি থুইয়া  (রেখে) সাইক্লোন শেল্টারে গেলে রাইতে (রাতে) চুরি অইলে (হলে) দেখবে কেডা  ( কে)? যদি বাঁচি ঘরেই বাচমু, মরলে ঘরেই মরমু।’

রতনদী তালতলী ইউনিয়নের টিম লিডার শাকিল খান বলেন, এবছর আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনিহা দেখা দিয়েছে। এর পরেও তাদেরকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার জন্য সর্বাত্মক ে

এদিকে ঘুর্নিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির উপজেলা টিম লিডার আবু হেনা মো. শোয়েব জানান, ১৩০ টিম জনগনকে সচেনতা ও আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার জন্য তৎপর রয়েছে। উপজেলা সদরে কন্ট্রোল রুম খুলে সবকিছুই তদারকি করা হচ্ছে। চষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবলায় গলাচিপা উপজেলায় সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার ১০৭টি  সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর একটা পর্যন্ত ২৬০০ লোক বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। অপেক্ষাকৃত দুর্যোগ ঝূঁকিপূর্ণ ইউনিয়ন চরকাজল, চরবিশ্বাস, পানপট্টি, গলাচিপা সদর ইউনিয়ন এবং চরবিশ্বাস ইউনিয়নের দ্বীপচর চরবাংলা, গলাচিপা ইউনিয়নের দ্বীপ চরকারফারমায় অতিরিক্ত নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। এসব ইউনিয়ন ছাড়াও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সরকারি বেসরকারি ভবনগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গবাদিপশু যাতে নিরাপদে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়া যায় সে ব্যাপারেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আজ (শনিবার) বিকেল থেকে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে মানুষ আসা শুরু করে দিয়েছে। প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ ও শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জায়গা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আশ্রিতদের শুকনো খাবার ও মেডিকেল ক্যাম্পের খোলা হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close