১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার ০৩:৪৮:০৬ এএম
সর্বশেষ:

০৯ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:২২:৪০ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

শহরের আশ্রয় কেন্দ্র ফাঁকা, আশ্রয় কেন্দ্রে গেছেন সুন্দরবন উপকূলের স্বল্প সংখ্যক মানুষ

আবু হোসাইন সুমন, বাগেরহাট বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 শহরের আশ্রয় কেন্দ্র ফাঁকা, আশ্রয় কেন্দ্রে গেছেন সুন্দরবন উপকূলের স্বল্প সংখ্যক মানুষ

থেমে থেমে বৃষ্টি আবার সূর্য্যের উকি-ঝুকিতে কালো মেঘ চিরে রৌদ্রের আলোতে মহাবিপদ সংকেতের ভয় নেই মোংলার জনসাধারণের মাঝে। নেই ঝড়ো হাওয়াও। আতংকহীন মানুষেরা ঘর থেকে বের হয়ে তাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম শেষে আবার ফিরছেন ঘরে। ফলে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হওয়ার পরও আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেনা শহরের লোকজন। তবে উপজেলার দুর্গম এলাকার কিছু লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছেন। সেখানে তাদেরকে দেয়া হয়েছে শুকনো খাবারও। তবে বিকেলের পর থেকে আশ্রয় কেন্দ্রগুলো লোকজন বাড়বে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: রাহাত মান্নান।  
এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে প্রায় ২৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা। তিনি আরো জানান, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সুন্দরবন উপকূলে। যেসব এলাকায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে এটা বুলবুলের প্রভাবে। রাতে এটি আঘাত হানবে বলেও তিনি জানান।
শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে আবাহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ঘোষণা দেয় মোংলা সমুদ্র বন্দরের জন্য ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের। তবে এ ঘোষণায় মোংলার সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের মাঝে তেমন আতংক চোখে পড়েনি। দুপুর ২ টা পর্যন্ত ৮৪ টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে জয়মনির দুটি আশ্রয় কেন্দ্রে স্বল্প সংখ্যক মানুষজন উপস্থিত হলেও বাকি শেল্টারগুলো ছিল একদমই ফাঁকা। কবরস্থান রোডের দিগন্ত সরকারী প্রকল্প বিদ্যালয়ে (আশ্রয়কেন্দ্র) মাত্র একজন লোক উপস্থিত হয়েছেন। এ কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মৃনাল কান্তি মিস্ত্রি বলেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় লোকজন আশ্রয় কেন্দ্রে আসেনি। একই অবস্থা শহরের আলীয়া মাদ্রাসা, চালনা বন্দর স্কুল, সেন্ট পলস্ উচ্চ বিদ্যালয়, গার্লস স্কুল, আরাজী মাকোরডোনসহ বেশ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রের।
মোংলার শেহলাবুনিয়ার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন টিটু বলেন, মোংলার আকাশে তেমন মেঘ নেই, ভারী বৃষ্টিও নেই। মাঝে মাঝে রৌদ্রের আনাগোনা। হয়তো এ কারণেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ১০ নম্বর মহাবিপদের মধ্যেও মানুষের মধ্যে আতংক নেই।
তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ রাহাত মান্নান দাবী করে বলেন, সুন্দরবনের খুব কাছের জনপদ জয়মনিরঘোলের লোকজন সরকারী খাদ্য গুদাম ও জয়মনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয় কেন্দ্রসহ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ২৬’শ লোক জড়ো হয়েছেন। তাদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিকেলের পর থেকে আশ্রয় কেন্দ্রে লোকজনের উপস্থিতি বাড়বে বলে তিনি জানান।
এদিকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সভা কক্ষে দুপুর ১টায় জরুরী সভা করে ঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সদস্য (অর্থ) ইয়াসমিন আফসানার সভাপতিত্বে এ সময় সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মহাম্মদ আলী, হাবরবার মাষ্টার কমান্ডার শেক ফখর উদ্দিনসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close