০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার ০৪:০৪:৩৬ পিএম
সর্বশেষ:

১১ নভেম্বর ২০১৯ ০৯:০৭:১৭ পিএম সোমবার     Print this E-mail this

সেন্টমাটিনে আটকে পড়া পর্যটকরা ৩টি পর্যটকবাহী জাহাজে ফিরছেন <ভিডিও>

এম জুবাইর হোসাইন, সেন্টমাটিন থেকে
বাংলার চোখ
 সেন্টমাটিনে আটকে পড়া পর্যটকরা ৩টি পর্যটকবাহী জাহাজে ফিরছেন

ঘূর্ণিঝড় বুললের কারনে সেন্টমাটিনদ্বীপে ৪ দিন ধরে আটকা পড়া পর্যটককে পর্যটকবাহী ৩টি জাহাজ দিয়ে টেকনাফে ফিরেয়ে আনা হয়েছে। তবে অল্পসংখ্যক পর্যটকরা এখনো দ্বীপে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
১১ই নভেম্বর সোমবার সকাল ১০ টার দিকে আবহাওয়ার পরিস্থিতি ভাল হওয়ায় টেকনাফ দমদমিয়া ঘাটে অবস্হানরত দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ, কেয়ারী ক্রুজ এন্ড ডাইন,ফারহান ক্রুজ জাহাজ দিয়ে আটকা পড়া পর্যটককে দুপুর ২ঘটিকায় সেন্টমার্টিন হইতে টেকনাফে ফেরত পাঠানো হয়। গত৭ ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার ৪ নং সর্তক সংকেত ও বৈরী আবহাওয়ার কারনে টেকনাফ সেন্টমাটিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল না করায় ১২ শত পর্যটক আটকা পড়েন।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পর্যটকের জন্য ৫০% মুল্য ছাড়ের ঘোষনা দেন স্হানীয় প্রশাসন।আটকা পড়লেও তাদের মনে আনন্দও উল্লাস পরিলক্ষিত হয়। হোটেল গুলো তাদের জন্যে থাকা খাওয়ায় সর্বোচ্চ ছাড় দেন। কেউ কেউ পর্যটকের জন্য খাওয়া ফ্রি করেন। ৪র্থ দিন আবহাওয়া অনুকূল থাকায় টেকনাফ দমদমিয়া ঘাট হইতে সকাল ১০ টায় ৩ টি জাহাজ  রওয়ানা করে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুপুর ১২ ঘটিকায় নোঙ্গর করেন।

২ ঘন্টা অপেক্ষা করে দুপুর ২ টায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ১২ শ পর্ষটক নিয়ে রওয়ানা দেন। জাহাজ যাওয়ার আগে পর্যটকে মুখরিত সেন্টমার্টিন জেটি ও বাজার।লাইনে দাড়িয়ে দাড়িয়ে জাহাজে উঠেন।এবং সেন্টমার্টিন জেটিতে পর্যটকের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সদস্য,বিজিবি সদস্য,ট্যুরিষ্ট পুলিশ সদস্য,ওস্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা উপস্হিত ছিলেন।এবং নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড।
 

পহেলা নভেম্বর টেকনাফ সেন্টমাটিন নৌ রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়। গত৭ ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার বৈরী আবহাওয়ার কারনে পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপে যেতে না পেরে১২ শ দেশী পর্যটক আটকা পড়ে। এর ফলে আটকা পড়া পর্যটকদের মাঝে আতংক বিরাজ করে। এরা প্রহর গুনছেন কখন বাড়ি পৌছবেন। মৌসুমের শুরুতে এটি দ্বীপবাসীর জন্য হুছুট বলে জানায় পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। তাছাড়া দুই দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমাটিন সার্ভিস ট্রলার যাতায়ত না থাকায় নিত্য প্রয়োজনীয খাদ্য সংকটের আশংকা ছিল।এ সময় প্রবালদ্বীপ সেন্টমাটিন সৈকত যেন ভরে যায় পর্যটকের ভীড়ে। এতে হোটেল, মোটেল সমূহে উপচে পড়া ভীড় ছিল। কিন্তু পর্যটকের আনন্দ উৎসবই বৈরী আবহাওয়ায় শেষ হয়ে যায়। এ কারনে শত শত পর্যটক সেন্টমাটিনে আসতে না পেরে টেকনাফ থেকে ফিরে যেতে হয়েছে। আর এদিকে সেন্টমাটিনে অবস্থানকারী পর্যটকও বাড়ি ফিরতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করছেন। ফলে দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটায় ভ্রমন পিপাসুরা।

লাল মরিচ ট্যুরস এন্ড এডভেঞ্চারের ব্যাবস্হাপক মোহাম্মদ হাসান সেন্টমার্টিনে একদিনের জন্য বেড়াতে গিয়ে চারদিন আটকা পড়ি।ফলে আতংকিত ছিলাম।কিন্তু থাকা ও খায়ায় যথেষ্ট ছাড় পেয়ে আমরা খুশি।দ্বীপবাসী কে আমরা ধন্যবাদ জানাই।

কেয়ারী সিন্দাবাদ জাহাজের টেকনাফ ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম জানান সতর্ক সংকতের কারনে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায়  হাজারো পর্যটক আটকা পড়েছে।আবহাওয়ার পরিস্থিতি ভাল হওয়ায় আটকা পড়া পর্যটকদের সেন্টমাটিন থেকে  ৩ টি জাহাজ যোগে ফেরত আনা হয়েছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যন আলহাজ্ব নুর আহমদ জানান সতর্ক সংকতের কারনে সেন্টমার্টিনে বেড়াতে আসা হাজারের অধিক পর্যটক আটকা পড়েন।২য় দিন জাহাজ না আসায় মুল্য ছাড়ের উদ্যোগ গ্রহন করি। এবং তাদের খোজ খবর রেখেছি। সবাই আনন্দিত। ১১ ই নভেম্বর সকাল ১০ ঘটিকায় টেকনাফ থেকে জাহাজ আসার খবর পেয়ে আটকা পর্যটকেকে যথাসময়ে উপস্হিত থাকার জন্য মাইকিং করা হয়। পর্যটকবাহি৩ টি জাহাজ টেকনাফ থেকে রওয়ানা হয়ে সেন্টমার্টিন থেকে সমস্হ পর্যটককে নিয়ে বিকাল২ঘটিকায় সেন্টমার্টিন ত্যাগ করেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
মমতাজ বেগম
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2019. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close