১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার ০৫:১৮:১১ পিএম
সর্বশেষ:

১৪ নভেম্বর ২০১৯ ০২:২৩:২৫ এএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে পূর্ব সুন্দরবনে অবকাঠামোগত ও নৌযানের ব্যাপক ক্ষতি

আবু হোসাইন সুমন, বাগেরহাট বিশেষ প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে পূর্ব সুন্দরবনে অবকাঠামোগত ও নৌযানের ব্যাপক ক্ষতি

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তান্ডবে পূর্ব সুন্দরবনে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে অবকাঠামোর ও নৌযানের। কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বন্যপ্রাণীর। বনের কোথাও বন্যপ্রাণী মারা পড়া কিংবা আহত হওয়ার মত খবর নেই বনবিভাগের কাছে। এদিকে বনের গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয়ে কাজ চলছে। তাই আগামী দুই একদিনের মধ্যে জানা যাবে গাছপালার ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ।

পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় (বাগেরহাট) বন কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসান জানান, বুলবুলের আঘাতে চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জে ৬টি আবাসিক ভবন ও ১৭টি অনাবাসিক ভবনের আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এগুলোর কোনটির চাল উড়ে গেছে, কোনটির দেয়াল ধ্বসে পড়েছে। বিভিন্ন ষ্টেশন ও টহল ফাঁড়িতে থাকা ১০টি জেটি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

এছাড়া ১৯টি অন্যান্য স্থাপনারও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যান্য স্থাপনার মধ্যে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, পল্টুন, ফুট ট্রেইলার, গ্যাংওয়ে, হরিণের খাঁচা, পাহার ঘর ও সোলার প্যানেল। ক্ষতি হয়েছে বনবিভাগের ১টি স্প্রীড বোট ও দুইটি ট্রলারের। বনবিভাগের চাঁদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জের ৭টি ষ্টেশন ও ৩৩টি টহল ফাঁড়ির অবকাঠামোগত ও নৌযানের এ ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকার।

ঝড়ের পর চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো: শাহিন কবির ও শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো: জয়নাল আবেদীন সরেজমিন ক্ষতিগ্রস্থ বনাঞ্চল এলাকা পরিদর্শন শেষে ক্ষয়ক্ষতির এ প্রতিবেদন পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: মাহমুদুল হাসানের কাছে দাখিল করেছেন। এই দুই কর্মকর্তাই আগামী দুই একদিনের মধ্যে বনের গাছপালার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করে বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে দাখিলের কথা রয়েছে।