১১ আগস্ট ২০২০, মঙ্গলবার ০১:৩৭:৩৪ পিএম
সর্বশেষ:

০৪ ডিসেম্বর ২০১৯ ০৯:৫২:৩৮ পিএম বুধবার     Print this E-mail this

ইউএনও`র সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুযোগ পেলো মেধাবী শিক্ষার্থী মুসলিমা

নজরুল ইসলাম জুয়েল
বাংলার চোখ
 ইউএনও`র সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুযোগ পেলো মেধাবী শিক্ষার্থী মুসলিমা

ময়মননিংহের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ হাফিজুর রহমানের আর্থিক সহায়তায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন  ময়মনসিংহ সদর উপজেলার কুষ্টিয়া নদীর পার গ্রামের দরিদ্র শিক্ষার্থী মুসলিমা আক্তার । তাঁর বাবার নাম মো. ইউনুস আলী। মাতার নাম কমলা বেগম। মুসলিমারা চার বোন। বড় দুজই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট বোন  শ্রেণির ছাত্রী। দুই মেয়ের পড়াশোনার টাকা জোগাড় করা নিরুপায় হয়ে পড়েছিল মুসলিমার অসহায় রাজমিস্ত্রি বাবা।

 একজন গরীব  মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে এগিয়ে আসায় ইউএনও শেখ হাফিজুর রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন উপজেলার কুষ্ঠিয়া এলাকাবাসী।

জানা যায়, রাজমিস্ত্রী ইউনুস আলীর মেয়ে মুসলিমা। সে সদর উপজেলা মিলেনিয়াম উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করার পর ভর্তি হন ময়মনসিংহের সরকারি আনন্দ মোহন কলেজে। প্রতিদিন বাড়ি থেকে ময়মনসিংহে এসে ক্লাস করতেন। অটোরিকশায় করে আসতে খরচ বেশি পড়ত। তাই ট্রেনে আসা–যাওয়া করতেন।

ইউনুস আলীর যে টুকু ফসলের জমি ছিল তা এ বছর নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। এ অবস্থায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ হয় মুসলিমা আক্তারের। হাতে ভর্তি হওয়ার টাকা ছিল না। ময়মনসিংহ সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এগিয়ে এলে তাঁর ভর্তির সুযোগ হয়।

মুসলিমাদের বসতঘর বিদ্যাগঞ্জ রেলস্টেশনের পাশে রেলের জমিতে। ময়মনসিংহে রেলওয়ের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। যেকোনো দিন তাঁদের ঘরটিও উচ্ছেদের মুখে পড়তে পারে।

ইউএনওর সহায়তায় মুসলিমা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও হয়েছেন। কিন্তু এখন সমস্যা হলো তাঁর পড়াশোনার খরচ নিয়ে। ঢাকায় রেখে মেয়েকে পড়াশোনা করানোর মতো সামর্থ্য তাঁদের নেই।

গত ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে। কিন্তু এখনো ঢাকায় থাকার কোনো নিশ্চয়তা তিনি পাননি। পরিবারের পক্ষে তাঁর ঢাকায় থাকার সংস্থান করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর ঝড়ে যাওয়ার বিষটি ইউএনও শেখ হাফিজুর রহমান অবগত হলে তিনি মুসলিমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।

ইউএনও শেখ হাফিজুর রহমান বলেন, মুসলিমার বিষয়টি জানার পর তিনি তাঁকে ভর্তি হওয়ার মতো টাকা দিয়ে কিছুটা সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন-আমি চাই মুসলিমা পড়াশোনা চালিয়ে যাক।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close