০৯ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার ০৮:০১:০০ এএম
সর্বশেষ:

০৫ জানুয়ারি ২০২০ ০৬:০৩:৪৪ পিএম রবিবার     Print this E-mail this

সামরিক হামলা"

ফ্লাইট লিডার. হ্যারি সেলডন
বাংলার চোখ
 সামরিক হামলা

যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার ইরাক কমান্ডের  সামরিক বাহিনী ইরাক বিমান বন্দরে এয়ার এটাক করে ইরানী মিলিটারী জেনারেল অফিসার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় নিম্নোক্ত কিছু পর্যবেক্ষন উল্লেখ করা হলোঃ

1. যুক্তরাষ্ট্র-ইরাক যুদ্ধোত্তর অবস্থায় ইরাকের পরিস্থিতি এখনো খুবই অস্থির হয়ে আছে। ইসলামিক জঙ্গী গোষ্ঠী আইএস ও অন্যরা ইরাকসহ পুরো বিশ্বের পরিস্থিতি অশান্ত ও থমথমে করেছে রাখছে ক্রমাগত সন্ত্রাসী কার্য্যক্রম চালিয়ে। এহেন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বাহিনী ইরাকে একটি স্থিতিশীল অবস্থা ফিরিয়ে এনে একটি কার্যকরী সরকার ব্যবস্থা টেকসই করবার জন্য শান্তি মিশন পরিচালনা করে আসছে। সুতরাং এই অবস্থায় যদি সন্ত্রাসী সংগঠন ইসলামিক স্টেট ইরাক-সিরিয়া/লেভান্ত ও অন্য বিপ্লবী গোষ্ঠী সমুহকে সহযোগিতা করবার না হয় তবে ইরানের একজন জেনারেল অফিসার ইরাকে কি করছেন, যেখানে ইরাকে আমিরিকার মিলিটারী ফোর্সের সৈন্যবাহিনী গিজগিজ করছে, আর সামরিক‌ আইন ও সংস্কৃতি/চর্চা লংঘন কিংবা এমন স্পর্শকাতর ও নিরাপত্তা জনিত ক্ষেত্রে অনুমতি বিহীন অবৈধ অনুপ্রবেশের ফলাফল তো এমনি হবার কথা। তদপুরী কয়েক মাস আগে ইরান হরমুজ প্রনালীতে আমিরিকার সার্ভেলেন্স জাহাজে রকেট হামলা করেছিলো, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, ইরানের নেতা ও‌ জেনারেল সোলেইমানীসহ আরো অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান একটা উত্তেজনা বিরাজ করে আসছে। তাহলে এমন পরিস্থিতে সোলেইমানী নিশ্চয়ই একক সিদ্ধান্তে কিংবা পালিয়ে ইরাক যান নি কিন্তু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা খোমেনীসহ সরকার তাকে ইরাকে যাবার নির্দেশ দিয়েছে কিংবা অনুমতির একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তিনি ইরাকে আসবার অনুমতি পেয়েছেন সরকারের কাছ থেকে। ইরাকের এমন পরিস্থিতি বিশেষ করে বহিঃকোন সামরিক ব্যাক্তির অফিসিয়াল কিংবা আনঅফিয়াল যেকোন ভ্রমনই হোক না কেন সেটাতো ভ্রমনের পুর্বেই দুই পক্ষ বিষয়টা সেটেল করে নিবে, বিশেষ করে এই মুহুর্তে ইরাকে অন্যকোন সামরিক বাহিনীর প্রবেশের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার ইরাক কমান্ডের অনুমতিও প্রয়োজন। একজন সামরিক কর্মকর্তার চেয়ে এসব আইন ও সংস্কৃতি/চর্চা অন্য কেউ ভালো জানে না। সুতরাং পরিকল্পিতভাবে কাউকে যদি অস্ত্রের সম্মুখে ছুড়ে দেয় কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কেউ মরতে চায় তবে তা কতক্ষন নজরাদি করা যায় বা দমিয়ে রাখা যায়। সুতরাং জেনারেল সোলেইমানীর মৃত্যুর জন্য আয়াতুল্লাহ খোমেনী ও ইরান সরকার দায়ী এবং সর্বপরি একজন জেনারেল অফিসার হয়ে সে নিজেও।

2. যুক্তরাষ্ট্র মিলিটারী ফোর্সের ইরাক এয়ারপোর্ট এটাকে জেনারেল সোলেইমানীর মৃত্যুর ঘটনাকে ইরান সরকার যদি এই প্যাটার্নকে সন্ত্রাসী হামলা বলে থাকে তবে এই ধরনের হামলা করবার শক্তি, ক্ষমতা ও‌ সক্ষমতা কি সরকার কিংবা রাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ভিন্ন কোন ব্যক্তি কিংবা কোন অপরাধী গোষ্ঠী তৈরী করতে পারে কিনা? পাকিস্থানে কথিত জঙ্গী গোষ্ঠীদের সরকার ও সামরিক বাহিনী পৃষ্ঠপোষকতা ও সহযোগিতা করেছে তার তথ্য ইতিপুর্বে পাওয়া গিয়েছে। ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, আফগানিস্থান, ফিলিস্থিনসহ পৃথিবীর সর্বত্র যেসব জঙ্গী গোষ্ঠী ও সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো সামরিক কার্যক্রম চালাচ্ছে তারা মুলত ভেঙ্গে পড়া ও অস্থির রাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থারই বিচ্ছিন্ন অংশ-অংশ কিংবা কোন-না-কোন ভাবে রাষ্ট্রেরই সামরিক বাহিনীর অংশ যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে অপরাধ ও ত্রাস বিস্তার করছে। গাদ্দাফি নিজে অর্থ্যাৎ তার আদেশে লকারবি মিলিটারী এয়ার এটাক হয়েছিলো। নাকি হয় নি? এই তথ্য সবাই জানে? এখন আমি বলবো যে, আল-কায়েদা কর্তৃক 9/11 যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে সফল সন্ত্রাসী হামলা কি মিলিটারী এয়ার এটাক ছিলো না? এটা অনেক পরিকল্পিত ও সমন্বিত হামলা ছিলো যা এক বা একাধিক রাষ্ট্র, সরকার, গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীর সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া কোন ব্যক্তি কিংবা বিচ্ছিন্ন অপরাধী গোষ্ঠীর একক সক্ষমতায় দ্বারা সম্ভব নয়। ঐ দিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষার সদর দপ্তর পেন্টাগন ও প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউজসহ একাধিক স্থানেও হামলা হয়েছিলো কিন্তু সেই হামলা লক্ষ্যভেদ করে নি কিন্তু ব্যর্থ হয়ে যায়। বাকী হামলাগুলি সফল হলে এতোদিনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থা কেমন থাকতো একটু ভাবুন তো দেখি আর পৃথিবীর পরিবেশই বা কেমন হয়ে যেত? পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কেমন সদর দপ্তর? শুধু সদর দপ্তরের সামরিক স্থাপনা বা অবকাঠামো নয় কিংবা শুধু কমান্ডিং হেডকোয়ার্টাস নয় কিংবা দ্রুত রিপ্লেস যোগ্য তেমন উপাদান বা সম্পদের সমন্বয় নয় - কিন্তু সামরিক ব্যবস্থার একটি জীবন্ত প্রান মতোন, আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সকল সামরিক উদ্ভাবনসমুহের নিয়ন্ত্রন, পরিচালনা ও‌ ব্যবহারের কেন্দ্রস্থল যে নেটওয়ার্ক সিস্টেমের উপরে ভিত্তি করে সুসংগঠিত রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী। সুতরাং পেন্টাগনের মতো এমন একটা স্থাপনা 9/11-এ যদি আল-কায়েদার যদি সন্ত্রাসী হামলায় টুইন টাওয়ারের মতো ধ্বংস হতো তবে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক দুর্বল হতো আর বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ অরাজকতা বিরাজ করতো এতোদিনে। তবে 9/11 এর পরে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্ব শান্তি নিয়ে নতুন স্ট্যাট্রেজিতে কাজ করে থাকে। যাইহোন, হোয়াই হাইজের পরিচয় যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্টের সরকারী বাসভবন যা একবার যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো যুদ্ধের সময় মেক্সিকো পুড়িয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছিলো যাতে আগুনে পোড়া অবকাঠামো ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট ছিলো না। এবং যেহেতু আমেরিকা মহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অঞ্চল রয়েছে কানাডা ও যেমন একাধিক দ্বীপ রাজ্য এবং উপস্থিতি রয়েছে ব্রিটিশ সরকার ও সামরিক বাহিনীর তাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশদের পুনরায় দখলের চেষ্টাহেতু যুক্তরাষ্ট্র-ইংল্যান্ড দ্বিতীয়বার স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষুদ্র যুদ্ধ হয়েছিলো আর তখনও একবার আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো হোয়াইট হাউজ। এইসব তথ্য পড়তে অনেকের হয়তো বেশ মজা লাগছে কিন্তু এসব মোটেও তেমনটা নয়। কারন এই সমস্ত ষড়যন্ত্র ও আক্রমন হচ্ছে শত্রু ও প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রের সরকার কর্তৃক গোয়েন্দা কার্য্যক্রম ও সামরিক হামলা। সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রের পুর্ন অধিকার রয়েছে নিজেদের নিরাপত্তা ও সুনাম বজায় রাখার জন্য নিজেদের মতো করে শত্রু ও সন্ত্রাসীদের মোকবেলা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

3. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংস্থা জাতিসংঘ যার হাজার হাজার শাখা প্রশাখা পৃথিবীর সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে। জাতিসংঘের দায়িত্ব পৃথিবীর প্রতিটি দেশে সমস্ত বিষয়সমুহ সম্পর্কে সাম্যক জ্ঞান রাখা এবং এমন স্পর্শকাতর ক্ষেত্রে শান্তিপুর্নভাবে উত্তেজনা নিরসনে কাজ করে যাওয়া। সেই সক্ষমতা জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের দেয়া। তাছাড়া জাতিসংঘের গুরুত্বপুর্ন ও অধিকাংশ অংশ হোষ্ট করে যুক্তরাষ্ট, অধিক ডোনেশন করে ও ক্ষমতায়ন করে। এবং সেই সাথে পৃথিবীতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, মানব কল্যান, ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের সবচেয়ে বড় দাতা ও পৃষ্ঠপোষক যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকা। জাতিসংঘেরও সক্ষমতা আরো বাড়ানো উচিত।

4. ইসলামী রেভ্যুলেশনারী গার্ড অফ ইরান - একটি রাষ্ট্রের মুলধারার সামরিক বাহিনীর নাম এমন হয় নাকি? এই গার্ডের আল-কুদস্ ফোর্সের জেনারেল সোলেইমানী। এবং এই বাহিনীর নামগুলি ইরান বেশী করে পরিচিত করে তুলে বারবার। যেখানে আর্মি, নেভী, এয়ারফোর্স, মেরিন, কোষ্ট গার্ড, ইত্যাদি কমন নামের সামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীগুলি হয়ে থাকে। কিন্তু ইরান ভিন্ন ধরনের এই নাম পরিচয় উপস্থাপন করে কি করতে ও বোঝাতে চায়। অর্থ্যাৎ এই ধরনের ভিশনারী প্রাকটিস অনেক আগে থেকেই আরবের ইসলামিক দেশসমুহে হয়ে আসছিলো। এসব তাদের ধর্ম চর্চা কিংবা ব্যাক্তিত্বের সাংস্কৃতির অংশ হতে পারে কিন্তু তা যদি সামরিক শক্তি ও ক্ষমতার উৎকর্ষতা হয় আর অন্যদের নিরাপত্তার হুমকী ও ভীতির কারন হয় তখন নিশ্চয়ই কেউ সেই সাংস্কৃতি বিস্তারের সুযোগ করে দিবে না।

5. খ্রিস্টান সহ অন্যসব ধর্মের কার্যক্রমেও সামরিক সাংস্কৃতির চর্চা রয়েছে যেখানে নিজস্ব সামরিক পদ-পদবীর অফিসার ও ডেপুটেশন/ডেপলয়মেন্টও রয়েছে কিন্তু তা কখনো সীমা ছাড়ায় নি কিংবা সামরিক শক্তি হিসেবে ব্যান্ডিং হয় নি। যেমন, স্যালভেশন আর্মি, মিলিটারী পদ-পদবী তারা ব্যবহার করে আর অনেক দেশে এর কমান্ডিং শাখা রয়েছে কিন্তু তা সামরিক শক্তি বা ক্ষমতার চর্চা বা প্রদর্শন করে না। কিন্তু নিরাপরাধ কেহ যদি এমন সমস্যা গ্রস্থ হয় যার জন্য মিশনারী মিলিটারী এক্সার্সাইজ বা একশনে যেতে হবে তবে বোধগম্য করে উপস্থাপন করবার যথেষ্ট প্লাটফর্ম রয়েছে এবং শুনবার ও বুঝবারও অনেকেই আছে। আর যারা নিত্য নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করতে আগ্রহী তারা একটু ভেবে দেখবেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শত্রুতা সৃষ্টি করবার কোন কারন তৈরী হয়েছে কিনা আর নিজেদের অবস্থানও এবং সেই সাথে আমেরিকা থেকে প্রাপ্ত যাবতীয় জীবন ও সভ্যতার প্রয়োজনীয় উপাদানসমুহ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও‌ প্রশাসনিক সরকারকেও এই বিষয়ে সতর্কভাবে মনোযোগি হবার পরামর্শ রয়েছে।

6. পরিশেষে ভারতের চলমান উত্তেজনা নিয়ে শুধু বলতে চাই যে, ভারতবর্ষ অতীতে কখনো দুর্বল ছিলো না এবং হিন্দুত্ববাদ অনেক শক্তিশালী সেইসাথে‌ মানবতা ও সভ্যতার অনেক গভীরে প্রোথিত একটি ধর্ম বিশ্বাস। একজন বিশ্বাসী যদি অন্য ধর্মকে তার নিজস্ব মর্যাদা ও অধিকার না দেয় তবে সেই কথিত বিশ্বাসী ব্যাক্তি সমানভাবে নিজ ধর্মেরই ক্ষতি করলো। মহাভারত ইতিহাসে দেখা যায় রাজা ভরতের নামানুসারে এই হিন্দুস্থানের নামকরন করা হয়েছিলো ভারত। হিন্দুস্থান ভারতের শৌর্যে-বীর্য্যের খ্যাতিতে মহাবীর আলেক্সান্ডার এসেছিলেন হিন্দুস্থানে চেষ্টা করেছিলেন জয় করতে কিন্তু অপরিচিত ভৌগলিকতার কারনে সেবার পারেন নি কিন্তু পরিকল্পনা করেন আরো প্রস্তুতি নিয়ে আসবেন কিন্তু আর ফিরে আসা হয় নি কারন হিন্দুস্থান থেকে ফিরে মৃত্যু বরন করেন। খান-ই-খানান চেঙ্গিস খান চীনের সীমানা অঞ্চল পর্যন্ত এসেছিলেন পরিকল্পনা ছিলো হিন্দুস্থান ভারত জয় করবেন কিন্তু‌ প্রতিকুল‌ আবহাওয়ায় পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হন আর ফেরার পথেই চেঙ্গিস খান মৃত্যু বরন করেন। পারস্য তথা ইরান-তুরানের শাহ্গন এসেছিলেন ভারতবর্ষে, উদ্দেশ্যে যুদ্ধজয় করে ইসলাম কায়েম করা। কিন্তু অজানা কারনে যুদ্ধ করেন নি তবে হিন্দুস্থান ভারত দেখে তারা মুগ্ধ হয়ে যান, ধর্ম বিশ্বাস, চর্চা, আচার; শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস আর মানুষের জীবন; বিশেষ করে মহাকাব্য রামায়ন এবং মহাভারত দুটি সম্পর্কে জেনে শাহ্গন একটি করে কপি নিয়ে যান পারস্যে আর ঠিক করেন পারস্যের কবিদের দিয়ে তিনিও এমন মহাকাব্য রচনা করাবেন আর শাহের অনুরোধে কবি ফেরদৌসি লিখেন মহাকাব্য শাহনামা যা সোহরাব-রুস্তমের কাহিনী এবং ইরান-তুরানের চিরশত্রুতার ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত হয়েছে (পঠিতব্য মনে পড়া বা জানা তথ্য যদি ভুল না হয়ে থাকে)। কিন্তু সেখানে রয়েছে রক্তের হোলি খেলা আর মৃত্যুর মিছিল আর সবকিছুর পরে বিশ্বাসঘাতকতার যন্ত্রনা।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close