০১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার ০১:৪৯:২০ এএম
সর্বশেষ:

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২৯:৪০ এএম সোমবার     Print this E-mail this

ভৈরবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে আগুন দেয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করলো পুলিশ

এম.আর রুবেল, ভৈরব প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 ভৈরবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে আগুন দেয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করলো পুলিশ

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল অফিসে দূর্বৃত্তদের দেয়া আগুনের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করলো ভৈরব থানা পুলিশ। গত ২২ জানুয়ারি রাতের প্রথম প্রহরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল অফিসে আগুন দেয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় পুলিশ মোস্তাক আহমেদ (২০) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের নিকট আগুন দেয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারীর আদালতে হাজির করার পর মোস্তাকের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। আটককৃত মোস্তাক আহমেদ পৌর এলাকার আমলাপাড়া গ্রামের মো: জজ মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে আজ রবিবার বিকেলে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মো: শাহীন তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করেন। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আমজাদ শেখ উপস্থিত ছিলেন। ওসি মো: শাহিন জানান, গত ২১ জানুয়ারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের নেতৃত্বে  ভ্রাম্যমাণ আদারতের একটি টিম বিভিন্ন মাদক কারবারির বাড়িতে দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১১ জন মাদক কারবারিকে আটক করে জেল জরিমানা করেন। এঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক কারবারিরা ওই দিন রাতেই মামলার নথিপত্র, আসবাবপত্র ও আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্য অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। মাদক বিরোধী অভিযানের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে আটককৃত মাদক কারবারি মোস্তাকসহ চারজন মাদক কারবারি মিলে গত ২২ জানুয়ারি রাতের প্রথম প্রহরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেল অফিসে আগুন দেয়। দূর্র্বৃত্তদের দেয়া আগুনে উক্ত অফিসের গুরত্বপূর্ণ মামলালার নথি, ফাইলপত্র, কম্পিউটারসহ অন্যান্য আসবাপত্র পুড়ে যায়। এঘটনায় ২২ জানুয়ারি অজ্ঞাত আসামী করে ভৈরব থানায় মামলা দায়ের করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের ইন্সপেক্টর মো: মাসুদুর রহামন। ওই মামলায় সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে মাদক কারবারি মোস্তাককে গ্রেফতার করা হয়। পরে কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারীর আদালতে হাজির হয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দিতে ঘটনার সাথে আরো ৩ জন জড়িত জানান অভিযুক্ত আসমী মোস্তাক আহমেদ। মামলার তদন্তের স্বার্থে বাকী অভিযুক্ত ৩ আসামীদের নাম প্রকাশ করছে না পুলিশ।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব সার্কেলের ইন্সপেক্টর মো: মাসুদুর রহমান বলেন, গত ২১ জানুয়ারি ভৈরবের চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে আটক করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন মেয়াদে অপরাধীদের সাজা প্রাদন করেন। এতে ক্ষোব্দ হয়ে মাদক কারবারিরা অভিযানের দিন রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব অফিসে আগুন দেয় দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে ভৈরব থানায় মামলা করি। ওই মামলায় একজন আসামী গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এটা খুবই প্রসংসনীয় কাজ। এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করায় ভৈরব থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। বাকী আসামীরাও গ্রেফতার হবে বলে আসাবাদী। তিনি বলে মাদক করাবারিরা অফিসে আগুন ধরিয়ে আমাদের অভিযানকে মাঝ পথে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। আমরা কখনো মাদকের কাছে আপোষ করবোনা। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
কাউসার হোসেন সুইট
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close