০৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার ০৯:৫৩:৩৩ পিএম
সর্বশেষ:

২১ মার্চ ২০২০ ১০:১০:৩২ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের নির্যাতনে উত্তরখান এলাকায় এক মুহুরীর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার
বাংলার চোখ
 বিয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের নির্যাতনে উত্তরখান এলাকায় এক মুহুরীর মৃত্যু

রাজধানীর উত্তরখান থানার পুলিশ সদস্যের নির্যাতনে ঢাকা মহানগর আইনজীবী সমিতির সহ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নান্নু মিয়ার মুহুরী মোঃ মনিজ্জামানকে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর উত্তরখান থানার পাশে চামুরখান মোরের ৫২/৬ নম্বর বাসায় এই ঘটনা ঘটে।  

খালা শাশুরী জুহরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, এই বাড়ীটি মোঃ মনিরুজ্জামানের। তিনি আমার বোনের মেয়ের জামাই। তার কোনো অপরাধ ছিল না। এক মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে হবার কথা ছিল কালকে। আমরা সব কিছু ঠিক করে ফেলেছিলাম। কিন্তু সোহেল নামের এক যুবক এসে বিয়ে হবে না বলে জানান। কারণ তিনি ওই মেয়েকে ভালোবাসেন। আর মেয়েও তাকে ভালোবাসে বলে স্বীকার করেন। তাই আমরা প্রথমে তাকে আটকে রাখি।

মনিরুজ্জামানের শ্যালক জহিরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমরা সোহেলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেবার জন্য তার পরিবারকে আসতে বলি। তখন সোহেলের পরিবার নারায়নগঞ্জ থেকে চলে আসে। এসে সোহেল ও মেয়েকে মেনে নেয়। আর সোহেলের পরিবার উত্তেজিত হয়ে আমাদেরকে টর্চার করে। তখন আমরা কিছু বলতে গেলে সোহেলের পরিবারের সদস্যরা নারায়নগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের লোক বলে দাবি করেন। আর তাদেরকে আমরা বিয়ে দেবার জন্য সকাল ১০ টা পর্যন্ত অপেক্ষা করি। তাদেরকে রাতে খাবার খাইয়ে দিয়ে আমরা আমাদের বাসায় ঘুমাতে দেই।

শাশুরী জুহরা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে প্রায় ৫০ জন পুলিশ এসে বাড়ীর চারটি গেট বন্ধ করে মনিরুজ্জামানের চারতলা বাসার তৃতীয় তলায় এসে তাকে ধরে রাখে। এসময় মনিরুজ্জামান বলেন, আমার কি অপরাধ? কিন্তু তারা মনিরুজ্জামানের কথা না শুনে ৫ মিনিট ধরে মারধর করে।

জুহরা বেগম অভিযোগ করে আরো বলেন, এসময় আমি মনিরুজ্জামানের কাছে যেতে চাইলে পুলিশ আমাকে ও আমাদের সদস্যদের ধরে মারে। তখন নারায়নগঞ্জ বাসীরাও মনিরুজ্জামান ভালো মানুষ বলে পুলিশদেরকে জানান। তারা পুলিশ মুনিরুজ্জামানকে না ধরে অন্যদেরকে ধরতে বলেন। এরপরে পুলিশ সদস্যরা এসে বলে যে মনিরুজ্জামানের অবস্থা খুব খারাপ। তখন আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য  নিতে চাইলেও পুলিশ সদস্যরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা তাদের গাড়ীতে করে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এসময় চিকিৎসকরা জানান, মনিরুজ্জামান এক ঘন্টা আগেই মারা গেছেন। তখন পুলিশ সদস্যরা তাকে অতিদ্রুত বাংলাদেশ মেডিকেলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। এখন মৃতের লাশ মেডিকেল মর্গে আছে।

অভিযুক্তরা বলেন, আমরা এঘটনায় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করবো। আর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নজরে আনার জন্য যা যা করার তাই করবেন বলেও জানান।


সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক
কাউসার হোসেন সুইট
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close