২৬ মে ২০২০, মঙ্গলবার ০৮:৫৭:২২ এএম
সর্বশেষ:
পরিচয় নিশ্চিত না হয়ে কাউকে ঘরে ঢুকাবেন না, কোনো সন্দেহ হলে নিকটস্থ থানাকে অবহিত করুন অথবা ৯৯৯ কল করুন: পুলিশ সদর দপ্তর           

০৮ মে ২০২০ ১১:১৫:৩৬ পিএম শুক্রবার     Print this E-mail this

ঈদের আগে খুলছে না ঢাকা ও চট্টগ্রামে নিউ মার্কেটসহ অনেক শপিংমল,বিপনিবিতান

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 ঈদের আগে খুলছে না ঢাকা ও চট্টগ্রামে নিউ মার্কেটসহ অনেক শপিংমল,বিপনিবিতান

মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এরই মধ্যে আগামী ১০ মে থেকে সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে চলমান এ পরিস্থিতিতে ঈদের আগ পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রাম নিউ মার্কেট বন্ধ থাকবে— এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশের শপিংমল, বিপনিবিতান ও দোকানপাট খোলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ১৪ দলীয় জোট। শুক্রবার ১৪ দলের পক্ষ থেকে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকা নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম (শাহিন) শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে, রোজায় না খোলার সিদ্ধান্ত নেয় দেশের অন্যতম সেরা শপিংমল বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স ও যমুনা ফিউচার পার্ক। এই দুই জায়ান্ট শপিংমলের এমন সিদ্ধান্তের পর নিরাপত্তার স্বার্থে বায়তুল মোকাররম মার্কেট কর্তৃপক্ষও ঈদের আগ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

কিন্তু নিউ মার্কেট খোলা, না খোলা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে ছিলেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা। এনিয়ে গত তিনদিনে তারা নিজেদের মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক করেন। সর্বশেষ শুক্রবারের বৈঠকে মার্কেট না খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে নিউ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম বলেন, মার্কেট খুললে তাদের নিজেদের স্বাস্থ্যগত যেমন ঝুঁকি রয়েছে তেমনি সরকার মার্কেট খুলতে যেসব শর্ত দিয়েছে সেসব নির্দেশনা মেনে খোলা সম্ভব নয়। তাই মার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতি সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে তারা ঈদের আগে মার্কেট খুলবেন না।
গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার সব পাইকারি মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গুলিস্তান ও ফুলবাড়িয়ার সব পাইকারি মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও করোনা আতঙ্কে গত ২৩ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে এসব মার্কেট।

মার্কেটগুলো হল- বঙ্গবাজার কমপ্লেক্স, এনেক্সকো টাওয়ার, মহানগর কমপ্লেক্স, ঢাকা ট্রেড সেন্টার, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট, সুন্দরবন সুপার মার্কেট, জাকির প্লাজা, নগর প্লাজা, সিটি প্লাজা, গুলিস্তান পুরান বাজার ও বঙ্গ ইসলামী সুপার মার্কেট।মার্কেটগুলোতে জুতা, কাপড় পাইকারি বিক্রি হয়ে থাকে। সারা দেশ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা এই মার্কেটগুলোতে এসে কেনাকাটা করেন।

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ওইসব পাইকারি মার্কেটগুলো বন্ধই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের ১১ মার্কেট ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ

করোনাভাইরাসের কারণে চট্টগ্রামের ১১ মার্কেট আগামী ১০ মে খোলার পরিবর্তে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওইসব মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার স্ব স্ব মার্কেটের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

 মার্কেটগুলো হল- মিমি সুপার মার্কেট, স্যানমার ওসান সিটি, চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স, ফিনলে স্কয়ার, সেন্ট্রাল প্লাজা, আমিন সেন্টার, আফমী প্লাজা, আক্তারুজ্জামান সেন্টার, সিংগাপুর ব্যাংকক মার্কেট ও কল্লোল সুপার মার্কেট। আলোচনা সভায় এই মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গত সোমবার (৪ মে) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে দোকান ও শপিংমল আগামী ১০ মে থেকে খোলার কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। সেখানে বিকেল ৪টার মধ্যে তা বন্ধের কথাও উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ রোগের বিস্তাররোধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার আগামী ৭ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি/জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা/সীমিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে শর্তাদি বিবেচনা করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য, দোকানপাট, শপিংমলসহ অন্যান্য কার্যাবলি ১০ মে থেকে সীমিত আকারে খুলে দেয়ার ব্যবস্থার অনুরোধ জানানো হলো। তবে এক্ষেত্রে আন্তঃজেলা ও আন্তঃউপজেলা যোগাযোগ/চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

হাট-বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমল সকাল ১০টায় খুলবে এবং বিকেল ৪টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি শপিংমলে প্রবেশের ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সতর্কতা গ্রহণের কথা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার ক্রেতার নিজ এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত শপিংমলে কেনাকাটা করতে নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এতে বলা হয়, প্রত্যেক ক্রেতাকে নিজ পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড/পাসপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স) ইত্যাদি সঙ্গে রাখতে হবে। করোনা পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরীতে শপিংমল ও মার্কেট খোলা রাখার বিষয়ে ১৪টি নির্দেশনা দেয় ডিএমপি।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close