১৬ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার ১১:১৫:৩৩ পিএম
সর্বশেষ:
রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ র‌্যাব এর বিশেষ অভিযানে আজ ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেফতার।           

২৯ মে ২০২০ ১২:০০:৫২ এএম শুক্রবার     Print this E-mail this

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা

লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা করেছে। বাকি চারজন আফ্রিকান নাগরিক।

স্থানীয় এক মানবপাচারকারীর পরিবারের সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। পাচারকারীরা ত্রিপলী থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে তাদের হত্যা করে।

লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এই ঘটনায় আরও ১১ জন বাংলাদেশি মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।

দেশটির ইংরেজি গণমাধ্যম দ্য লিবিয়া অবজারভার বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে তাদের ফেইসবুক পেজে জানায়, নিহত বাংলাদেশিরা মিজদা শহরে ওই মানবপাচারকারীর জিম্মায় ছিলেন। তাকে আগেই হত্যা করা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই সকল অভিবাসী মিজদা শহরের এক মানাবপাচারকারীর কাছে জিম্মি ছিলেন। কোনভাবে ওই পাচারকারী গত রাতে অভিবাসীদের হাতে খুন হন। পরে পাচারকারীর সহযোগী এবং আত্মীয়স্বজনরা জিম্মি অভিবাসীদের ক্যাম্পে নির্বিচারে গুলি চালালে ঘটনাস্থলে ২৬ জন বাংলাদেশিসহ ৩০ জন মারা যায়।


লিবিয়া-ভিত্তিক অভিবাসীদের আন্তর্জাতিক সংস্থার মুখপাত্র সাফা মেশেলি ভুক্তভোগীদের সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা এই মাত্র খবরটি পেলাম। বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি। যারা হাসপাতালে আছেন তাদের সাহায্য করছি।’

ত্রিপলিতে বাংলাদেশ দূতাবাস বিষয়টি নিশ্চিত করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, লিবিয়ার মিলিশিয়া বাহিনী বাংলাদেশীদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি চালালে আনুমানিক ২৬ (ছাব্বিশ) জন বাংলাদেশী নিহত হন। তার মধ্যে এক জন প্রাণে বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশীর সাথে টেলিফোনে যোগাযোগ করে দূতাবাস সংবাদটি নিশ্চিত করে। তিনি কোনো প্রকারে প্রাণে বেঁচে এখন এক হৃদয়বান লিবিয়ানের আশ্রয়ে আত্মগোপন করে আছেন।

তিনি দূতাবাসকে জানান, ১৫ দিন আগে বেনগাজী থেকে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে কাজের সন্ধানে মানবপাচারকারীরা তাদেরকে লিবিয়ার ত্রিপলী শহরে নিয়ে আসার পথে তিনিসহ মোট ৩৮ বাংলাদেশী মিজ্দাহ শহরে তাদের জিম্মি করা হয়। জিম্মি অবস্থায় তাদেরকে অত্যাচার, নির্যাতন করার একপর্যায়ে অপহৃতরা মূল অপহরণকারী লিবিয়ান ব্যক্তিকে হত্যা করে। তারই জের হিসেবে অন্যান্য দুষ্কৃতিকারীরা আকষ্মিকভাবে তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে, আর তাতে ২৬ বাংলাদেশী নিহত হয়। যাদের মৃতদেহ মিজদাহ হাসপাতালে সংরক্ষিত আছে। অবশিষ্ট বাংলাদেশীরা হাতে-পায়ে, বুকে-পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মিজদাহ হাসপাতালের পরিচালক টেলিফোনে এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানান, ওই মরদেহগুলো বর্তমানে মিজদাহ হাসপাতালের মর্গে পরিবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। অন্যদিকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারাও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন এবং উক্ত মৃতদেহ সমূহের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

ঘটনায় আহত অন্তত ১১ জন বাংলাদেশীদেরকে জিনতান হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে অধিকতর উন্নত চিকিৎসার জন্য ত্রিপলী মেডিকেল সেন্টারে (টিএমসি) প্রেরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close