০৫ জুলাই ২০২০, রবিবার ০৬:০৭:০৭ এএম
সর্বশেষ:
দেশে মোট এক লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৯ জন করোনায় আক্রান্ত            দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ৯৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে            ২৪ ঘণ্টায় ২৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩২৮৮            চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার তেলকুপি সীমান্তে বিএসএফ গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত            তিস্তার পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার উপরে,১৫ চরের মানুষ আতঙ্কে            অস্ত্রসহ মাতাল অবস্থায় আটক বিএসএফ সদস্যকে ফেরত দিলো বিজিবি।            আজ থেকে ২১ দিনের লকডাউনে ওয়ারী এলাকা            বিশ্বে করোনায় মৃত পাঁচ লাখ ২৫ হাজারের বেশি           

৩১ মে ২০২০ ০৯:১৬:০৫ এএম রবিবার     Print this E-mail this

৬৬দিন পর সব খুলল,মানতে হবে ১৮টি নির্দেশনা

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 ৬৬দিন পর সব খুলল,মানতে হবে ১৮টি নির্দেশনা

বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এরপর সংক্রমণ বাড়ায় ২৬ মার্চ থেকে ঘোষণা করা হয় সাধারণ ছুটি। এরপর থেকেই মূলত দেশব্যাপী অঘোষিত লকডাউনই চলছিল।

এই ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে করা হয় আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। করোনা পরিস্থিতি এখনও অবনতির দিকে যাচ্ছে। অবনতি হলেও থাকছে না সাধারণ ছুটি বা অঘোষিত ‘লকডাউন’। গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত জনসাধারণের চলাচল সীমিতসহ ১৫ শর্ত দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

৬৬ দিনের ছুটি শেষে অফিস খুলতে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে ১৮টি নির্দেশনা মানতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের এসব কারিগরি নির্দেশনা শনিবার (৩০ মে) সরকারি তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে।

তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সমন্বিত কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ‘কোভিড-১৯ এর সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের কারিগরি নির্দেশনা’ প্রণয়ন করেছে। এই নির্দেশনায় বিভিন্ন ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য করণীয় বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানে পালনীয় কারিগরি নির্দেশনাসমূহ নিম্নরূপ-

১. কাজ আবার শুরু করার আগে মাস্ক, তরল হ্যান্ডসোপ, জীবাণুনাশক, স্পর্শবিহীন থার্মোমিটার এবং অন্যান্য মহামারি প্রতিরোধক জিনিসপত্র সরবরাহ করতে হবে এবং একটা জরুরি কর্মপরিকল্পনা রাখতে হবে এবং তার জবাবদিহিতা বাস্তবায়ন করতে হবে।

২. প্রতিদিন কাজের আগে এবং পরে কর্মীদের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করুন। যাদের জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেবে তাদের স্ক্রিনিংয়ের জন্য সময়মতো চিকিৎসা করানো উচিত।

৩. ইউনিটের স্টাফ এবং বাইরে থেকে যারা আসবে তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাপতে হবে। যাদের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে না তাদের ইউনিটে ঢুকতে দেয়া যাবে না।

৪. অফিস, ক্যান্টিন এবং টয়লেটে ভেন্টিশেলন সুবিধা বাড়াতে হবে। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এয়ার কন্ডিশনারের স্বাভাবিক ক্রিয়াকে নিশ্চিত করুন, বিশুদ্ধ বাতাস বৃদ্ধি করুন এবং সকল এয়ার সিস্টেমের ফিরে আসা বাতাসকে বন্ধ রাখুন।

৫. ক্যান্টিন, ডরমিটরি, টয়লেটসহ অন্যান্য জায়গা পরিষ্কার রাখতে হবে ও জীবাণুনাশক দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

৬. সীমিত পরিসরে অর্থাৎ একবারে কম সংখ্যক লোক কম সময়ের খাওয়া শেষ করবে এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে খাবার খেতে হবে।

৭. কাগজবিহীন এবং সংস্পর্শবিহীন অফিস ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।

৮. ব্যক্তিগত মেলামেশা বা একত্র হওয়া কমাতে হবে এবং একত্র হতে হয় এমন কাজ যেমন মিটিং, ট্রেনিং এসব কাজ সীমিত করে ফেলতে হবে।

৯. অফিস, ক্যান্টিন, টয়লেটে হাত ধোয়ার জন্য সাবান অথবা জীবাণুনাশক সরবরাহ করতে হবে, যদি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা না থাকে তাহলে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।

১০. কর্মচারীরা একে অপরের সংস্পর্শে আসার আগে মাস্ক পরবে। যখন হাঁচি অথবা কাশি দেবে তখন মুখ এবং নাক, কনুই অথবা টিস্যু দিয়ে ঢেকে নেবে। ব্যবহৃত টিস্যু ঢেকে ডাস্টবিনে ফেলবে। হাঁচি-কাশি শেষে তরল হ্যান্ড সোপ দিয়ে হাত ধুতে হবে।

১১. পোস্টার, সচেতনতামূলক ভিডিও এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।

১২. জরুরি পৃথকীকরণ এলাকা স্থাপন করুন। যখন কেউ সন্দেহভাজন হবে, সময়মতো জরুরি স্থানে তাদের সাময়িকভাবে কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করা এবং তাদের চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করুন।

১৩. যদি কোনো এলাকায় একটা কোভিড-১৯ কেস পজিটিভ হয় তাহলে ওই এলাকার এয়ার কন্ডিশন সিডিসির গাইডলাইন অনুযায়ী জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে এবং কাজ পুনরায় শুরু করা যাবে না যতক্ষণ না পর্যন্ত পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যগত পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা বা হাইজেনিক নিশ্চিত করা যাবে।

১৪. নমনীয় কর্মঘণ্টা ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।

১৫. মানসিক এবং মনোসামাজিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

১৬. মোটিভেশনাল কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের আশ্বস্ত ও চাঙ্গা রাখতে হবে।

১৭. কর্মচারীদের কেউ অসুস্থবোধ করলে বা কোভিড-১৯ আক্রান্ত হলে তার ও তার পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো মাথায় রেখে তাকে সরকারি বিধি মোতাবেক যথাসাধ্য সহায়তা দিতে হবে।

১৮. ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিতদের বীমা বা প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

 

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close