১৬ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার ১১:০৪:২০ পিএম
সর্বশেষ:
রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ র‌্যাব এর বিশেষ অভিযানে আজ ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেফতার।           

৩১ মে ২০২০ ০৯:২০:১৬ এএম রবিবার     Print this E-mail this

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে যেভাবে দেশ ছাড়েন রন ও দিপু সিকদার

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে যেভাবে দেশ ছাড়েন রন ও দিপু সিকদার

ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পত্তির মূল্য বেশি দেখাতে রাজি না হওয়ায় এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ হায়দার আলী মিয়া ও অতিরিক্ত এমডি মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গুলি করে হত্যার হুমকির মামলা পর সুকৌশলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে চলে গেছেন রন হক সিকদার ও তার ভাই দিপু হক সিকদার। অথচ ন্যাশনাল ব্যাংকের এ দুই পরিচালকের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কেউই বিষয়টি অবগত করেনি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে।

সিকদার পরিবারের এ দুই সদস্যের বিরুদ্ধে এক্সিম ব্যাংকের এমডি ও অতিরিক্ত এমডিকে অপহরণ করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত ১৯ মে রাজধানীর গুলশান থানায় একটি মামলা হয়। এক্সিম ব্যাংকের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব) সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এর ৬ দিন পর অসুস্থতার কথা বলে সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ব্যাংককে পাড়ি জমান অভিযুক্ত দুভাই। গত ২৫ মে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশন লিমিটেডের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংককের উদ্দেশে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারী রন ও দিপু সিকদার। তারা দুজনই আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশনের পরিচালক। জানা গেছে, যে উড়োজাহাজে দুভাই ঢাকা ছাড়েন, তার পাইলট ছিলেন এক ফরাসি নাগরিক, কো-পাইলট ছিলেন বাংলাদেশি। ক্রু হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন এক থাই নাগরিক।

শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক এএইচএম তৌহিদ উল আহসান জানান, গত ২৫ মে সকাল ৯টা ১১ মিনিটে আরঅ্যান্ডআর এভিয়েশন লিমিটেডের মালিকানাধীন একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে দুই যাত্রী ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। সেটা ছিল সরকার অনুমোদিত একটি মেডিক্যাল ইভাকুয়েশন ফ্লাইট।

ইতিপূর্বে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, থাইল্যান্ডে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স অবতরণের অনুমতি চেয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে গত ২৩ মে চিঠি দেয় বাংলাদেশ দূতাবাস। সেই দিনই অনুমোদন দেয় থাই সরকার। তারপর ঢাকাস্থ থাই দূতাবাসে চিঠি দিয়ে দুজনের মেডিক্যাল ভিসা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়। পরদিন ২৪ মে ভিসা ইস্যু হয়ে যায় এবং এর পরদিন তারা ব্যাংককের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে দেশ ছাড়াকালে তখন পর্যন্ত রন ও দিপু কোনো মামলার আসামি কি না, সে বিষয়ে অবগত ছিলেন না তারা। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন দুজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, ঋণের বিপরীতে সিকিউরিটি সম্পত্তির মূল্য ব্যাংকে বেশি দেখানোর জন্য অস্ত্রের মুখে এক্সিম ব্যাংকের কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী চারজনের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। তারা ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। আসামিদের দেশত্যাগের বিষয়ে তিনি পরে অবগত হন, জানান আমিনুল ইসলাম।

উৎসঃ আমাদের সময়

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close