১২ আগস্ট ২০২০, বুধবার ০৩:০২:০০ এএম
সর্বশেষ:

২৩ জুন ২০২০ ০১:৪৯:২৬ এএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

আমদানি বাড়লেও পেয়াজের কেজি লাফিয়ে ১৭ থেকে ৩০ টাকা

এম.জামান কাকা, যশোর
বাংলার চোখ
 আমদানি বাড়লেও পেয়াজের কেজি লাফিয়ে ১৭ থেকে ৩০ টাকা

 যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেয়াজের আমদানি বাড়লেও খোলা বাজারে কমেনি দাম। ১৭ টাকার আমদানিকৃত পেয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। এক হাত বদলে বেড়েছে প্রতি কেজিতে ১৩ টাকা। এতে চাহিদা মত নিত্য প্রয়োজনীয় এ খাদ্য দ্রবটি কিনতে না পেরে বেকায়দায় পড়েছেন ক্রেতারা। তবে বাজারের আড়তদার ব্যবসায়ীদের দাবী তারা খুরচা ব্যবসায়ীদের কাছে ২০ টাকা দরে কেজি বিক্রী করছেন। তারা এক এক জন এক এক রকম দাম নিচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে। এখানে বাজার কমিটি বা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বাড়ালে বাজার নিয়ন্ত্রনে আসবে।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারনে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় আড়াই মাস ধরে পেয়াজআমদানি বন্ধ ছিল। কিছু দিন হচ্ছে এ বন্দরের রেল ও স্থল পথে প্রচুর পরিমানে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য দ্রবসহ পিয়াজ আমদানি শুরু হয়েছে। তবে আমদানি বাড়লেও খোলা বাজারে কোন ভাবে কমছে পেয়াজের মুল্য। বাজার কমিটির বা প্রশাসনের তেমন কোন নিয়ন্ত্রন না থাকায় ইচ্ছে খুশিমত সাধারণ ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন বিক্রেতারা।
পেয়াজঁ আমদানি কারক শেখ এন্টার প্রাইজের সত্তাধিকারী মাহাবুব রহমান ডলার বলেন, প্রতি মেট্্িরক টন পিয়াজ তারা ভারত থেকে ১৫৫ ডলার মুল্যে আমদানি করছেন। অনান্য খরচ রয়েছে কেজিতে আড়াই টাকার মত। আড়তদারদের কাছে তারা বিক্রি করছেন কেজিতে ১৮ টাকা।
সাধারণ ক্রেতারা বলেছেন, এমনিতেই তাদের কাজ নেই। এর মধ্যে বর্তমান সময়ে অন্যায় করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের এত দাম বাড়ালে তারা তারা কিনবেন কিভাবে।
বেনাপোল বাজারের পেয়াজের আড়তদার ব্যবসায়ীরা তপন দে বলছেন, আমদানি কারকদের কাছ থেকে কেনার পর খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে তারা প্রতি কেজি পিয়াজ ২০ টাকায় বিক্রি করছেন। তারা এক এক জন এক এক রকম দাম নিচ্ছে। এখানে বাজার কমিটি বা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ বাড়ালে বাজার নিয়ন্ত্রনে আসবে।
খুচরা পেয়াজ বিক্রেতা শাহিন বলেন, কেনার পর অনেক পেয়াজ নষ্ট হয় তাই তারা একটু বেশি দামে তাদের বিক্রয় করতে হয়।
এদিকে পিয়াজ আমদানি বৃদ্ধিতে খুশি পণ্য পরিবহনকারী ট্রাক চালকেরা। করোনার কারনে এতদিন তারা পণ্য পরিবহন করতে না পেরে অসহায়ের মধ্যে পড়েছিল।
বেনাপোল বন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক খোদা বক্স লিটন বলেন, ২০ জুন ভারত থেকে ৬৪ ট্রাক খাদ্য দ্রব জাতীয় পণ্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ ট্রাক পিয়াজ ছিল। এছাড়া অনান্য পণ্যের মধ্যে রয়েছে মাছ,মরিচ,পানপাতা ও আনার সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য।

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close