০৭ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার ০৬:২৭:০৮ পিএম
সর্বশেষ:
বিশ্বে মৃতের সংখ্যা আজ মঙ্গলবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৪১ হাজার ৮৬ জনে।            দেশে মোট এক লাখ ৬৮ হাজার ৬৪৫ জন করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত            দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই হাজার ১৫১ জনের মৃত্যু            করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৫৫ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩০২৭            বান্দরবানের সদর উপজেলায় দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গোলাগুলিতে ছয়জন নিহত হয়েছেন            হিমঘরে এন্ড্রু কিশোরের মরদেহ,ছেলেমেয়ে দেশে ফিরলে শেষকৃত্য            শেষ ইচ্ছায় রাজশাহীতে মায়ের পাশেই সমাহিত হবেন এন্ড্রু কিশোর           

২৮ জুন ২০২০ ০৯:৪৯:২১ পিএম রবিবার     Print this E-mail this

মরার আবার জাত কি? প্রমান করলেন ইউএনও

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, গোপালগঞ্জ
বাংলার চোখ
 মরার আবার জাত কি? প্রমান করলেন ইউএনও

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের নারায়নখানা গ্রামের বাসিন্দা নিত্যানন্দ বল্লব (৬৭)। করোনায় আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ-২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়র্ডে চিকিসাধীন অবস্থান মারা যান। এরপর তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়।

কিন্তু রাত গড়িয়ে সকাল আর সকাল গড়িয়ে দুপুর। কিন্তু দেখা মিললো না পরিবারের সদস্যদের। এমনকি মরদেহ দেখতে পযর্ন্ত হাসপাতালেই আসলো না কেউ।

পরিবারের সদস্যরা মুখ ফিরিয়ে নিলেও মানবিকতার টানে এগিয়ে যান গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাদিকুর রহমান খান।

আজ রোববার দুপুর দেড়’টার দিকে কয়েকজন স্থানীয় ডোমের সহযোগিতায় গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় পৌর শশ্মাণে করোনায় মৃত নিত্যানন্দ বল্লবের (৬৭) মুখাগ্নি করেন ইউএনও। পরে তার সৎকার করেন তিনি।

গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা: অসিত মল্লিক জানান, গত ৬ জুন করোনায় আক্রান্ত নিত্যানন্দ বল্লবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে গোপালগঞ্জ-২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। কিন্তু তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রিফার্ড করা হয়। কিন্তু পরিবারের লোকজনের অনিহার কারণে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়নি। পরে রাতে তিনি মারা যান।

তিনি আরো বলেন, তার মৃত্যুর পর পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়া হলেও কেউ হাসপাতালে আসেননি। সারা রাত হাসপাতালের বারান্দায় তার মরদেহ পড়ে থাকে।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাদিকুর রহমান খান বলেন, রাতেই প্রশাসন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মৃতের সৎকারের উদ্যোগ গ্রহন করে। কিন্তু শশ্মাণ কর্তৃপক্ষের বাঁধা ও মৃতের মরদেহ নেয়ার জন্য কোন ভ্যানের ব্যবস্থা করতে না পারায় সকালে সৎকারের উদ্যোগ নেয়া হয়। কিন্তু সকালে পরিবারের সদস্যরা কেউ মরহেদ সৎকারের জন্য আসেননি।

পরে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করে পরিবারের কোন সদস্য না আসায় দুপুরে স্থানীয় কয়েকজন ডোমের সহযোগিতায় মৃতের লাশের সৎকার করা হয়। আর নিজ দায়িত্বে মৃতের মুখাগ্নি করি।

তিনি আরো জানান, করোনায় মৃতের মরদেহ কবরস্থান বা শশ্মাণে নিতে গিয়ে তাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তাই এসব মৃতদেহ দাফন বা সৎকারের জন্য একটি ভ্যানের ব্যবস্থা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সৎকারের সময় ডা: এস এম সাকিবুর রহমান ও ডা: জাহিদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ পযর্ন্ত ১০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে মুকসুদপুর উপজেলায় ৪ জন, সদর উপজেলায় ২ জন, কাশিয়ানী উপজেলায় ২ জন, টুঙ্গীপাড়া উপজেলায় ১ জন ও কোটালীপাড়ায় ১ জন রয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close