০৫ আগস্ট ২০২০, বুধবার ০৫:২৫:৪৫ পিএম
সর্বশেষ:

১০ জুলাই ২০২০ ০৫:৪৯:৪৮ পিএম শুক্রবার     Print this E-mail this

চরফ্যাশনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার না করেই ১৮ লক্ষ টাকা ভূয়া বিল ভাউচার জমা

আদিত্য জাহিদ,চরফ্যাশন
বাংলার চোখ
 চরফ্যাশনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার না করেই ১৮ লক্ষ টাকা ভূয়া বিল ভাউচার জমা

নিয়ম অনুযায়ী কাজ শেষ করে বিল ও ভাউচার জমা দিয়ে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করতে হয়। সে নিয়মর তোয়াক্কা না করে ভোলার চরফ্যাশনের ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে আম্পানের বরাদ্দের ১৮ লক্ষ টাকা ভূয়া বিল ভাউচার জমা দিয়ে উত্তোলন করে আত্মসাতের পায়তারা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে বরাদ্দ প্রাপ্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানাযায়, ২০১৯ -২০২০ অর্থবছরে চরফ্যাশনের ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকূলে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় হিসেবে ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। বিল উত্তোলন করতে ইতোমধ্যে বরাদ্দ প্রাপ্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা বিল ভাউচার জমা দিয়েছেন।
কয়েকজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলে বরাদ্দ না দিয়ে উজেলা শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার অনৈতিক সুবিদা গ্রহণ করে এবং তথ্য গোপন রেখে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এমন ১২ টি স্কুলের নামে ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেন। ওই বিদ্যালয় গুলোর মধ্যে কয়েকটি বিদ্যলয়ের টিনের চালা উড়িয়ে নেয়া কথা উল্লেখ করলেও বাস্তবে টিনের ঘরে অস্তিত্ব নেই। ইতোমধ্যেই বিদ্যালয়ের গুলোর প্রধান শিক্ষক কোন সংস্কার না করেই টাকা উত্তোলনের জন্য ভুয়া বিল ভাউচার বানিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জমা দিয়েছেন। বরাদ্দের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার জন্য।
উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী আব্দুস সাত্তার জানান, বিদ্যালয় গুলোর প্রধান শিক্ষাকরা বিল ভাউচার জমা দিয়েছে । তবে এখনো তাদেরকে চেক দেয়া হয়নি।

বরাদ্দ প্রাপ্ত দক্ষিণ চর মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তের কোন চিহৃ পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়টি ফায়েল খায়ের সংস্থা ১৯১৬ সালে ভবণ নির্মাণ করেছেন। বিদ্যালয়টির টিন উড়িয়ে নেয়া কথা উল্লেখ করলেও বাস্তবে টিনশেড ঘরের অস্থিত্ব নেই। যদিও বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন সেন্টু দাবী করেন- বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে টিনশেড ঘর ছিল।
খোজ নিয়ে জানাযায়, এই স্কুলের মতো অন্য স্কুলগুলোর চিত্রও একই রকম।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার তৃষিত কুমার চৌধুরী বলেন, স্কুলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও শিক্ষকদের মন মানসিকতা ভালো থাকলে বরাদ্দে প্রাপ্ত টাকায় স্কুলের অন্যান্য উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব। বরাদ্দ অনুযায়ী কাজ আদায় করে নিব।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল কুমার হালদার বলেন- তথ্য গোপন করে বরাদ্দ নিয়ে থাকলে এবং অনিয়ম হলে সরেজমিন তদন্তকরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2020. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close