২৩ অক্টোবর ২০২১, শনিবার ০৫:০৭:০৩ পিএম
সর্বশেষ:

০৩ আগস্ট ২০২১ ০৮:১৬:৩৬ পিএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

সুন্দরবন সুরক্ষায় জরুরী করণীয়

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম
বাংলার চোখ
 সুন্দরবন সুরক্ষায় জরুরী করণীয়

ঝড়, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস তথা প্রাকৃতিক দূর্যোগের অশনি সংকেত শুনলেই বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সচেতন মানুষের হৃদয়ের মানস-পটে আশার প্রদীপ হয়ে ভেসে ওঠে সুন্দরবন। মহান ¯্রষ্টা প্রদত্ত প্রাকৃতিক সুরক্ষা বর্ম সুন্দরবন যুগ যুগ ধরে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম উপকূল সংলগ্ন মানুষকে প্রলয়ঙ্করী ঝড় বা সুপার সাইক্লোনের ছোবল থেকে জীবন রক্ষা করে চলেছে। বিশ্বের জীববৈচিত্র্যের বৃহত্তম আধার এই ম্যানগ্রোভ বনটি বাংলাদেশের অক্সিজেন ভান্ডার বা ফুসফুস হিসাবে আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অপরিসীম ভূমিকা পালন করছে। লাখ লাখ মানুষ সুন্দরবনের মাছ, মধু, গোলপাতা প্রভৃতি আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সুন্দরবনের নদী-খাল বাংলাদেশের মাছের চাহিদার একটা বিরাট অংশ যোগান দিচ্ছে। সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পে অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। সরকারও এ বন থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করছে। বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঝড়-ঘুর্ণিঝড়, ভৌগলিক অবস্থান ও মানব সৃষ্ট দূর্যোগে সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য হুমকির মূখে। এ প্রবন্ধে প্রথমতঃ প্রাকৃতিক ও দ্বিতীয়তঃ মানব সৃষ্ট দূর্যোগ ও মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে আলোকপাত করতে চাই।

প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও মোকাবেলায় করণীয়ঃ বিগত প্রায় এক যুগ ধরে সুপার সাইকেøান সিডর, আইলা, নূরজাহান, বুলবুল, আম্পান ও সর্বশেষ ইয়াসের ছোবল থেকে সুন্দরবন নিজের জীববৈচিত্র্য ও উপকূলের মানুষকে রক্ষা করে ক্লান্ত-শ্রান্ত। আগামীতে প্রতি বছর বঙ্গোপসাগরে এক বা একাধিক ঘুর্ণিঝড় উৎপন্ন হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এসব অনাগত ঘুর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস মোকাবিলায় সুন্দরবনকে প্রস্তুত রাখা অত্যান্ত জরুরী। প্রতিটি মহাপ্রলয়ের পর লন্ড-ভন্ড সুন্দরবন আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পাঁচ থেকে ছয় মাস সময় লাগে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সুন্দরবন প্রাকৃতিকভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম।

ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় জোয়ারের পানিতে সুন্দরবনের নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। সম্প্রতি সুপার সাইক্লোন ইয়াসের আঘাতে পাঁচ থেকে ছয় ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে সুন্দরবনের অনেক জায়গা পানিতে তলিয়ে যায়। এমনকি বনজীবী এবং বন্যপ্রাণীদের জন্য খনন করা বেশ কয়েকটা মিঠা পানির পুকুর সাগরের নোনা পানিতে তলিয়ে যায়। বন্যপ্রাণীদের খাবার পানির সংকট দেখা দেয়, আবার নোনা পানি পান করলে প্রাণীকূল নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। জলোচ্ছ্বাসের পানিতে প্রাণীদের আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশ কয়েকটি হরিণের মৃতদেহ সুন্দরবন সংলগ্ন নদীর তীর থেকে উদ্ধার করা হয়। ২০২০ সালের মে মাসে সুপার সাইক্লোন আম্পান সুন্দরবনে আঘাত হানার আগে তিন থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে বন তলিয়ে যেতে শুরু করলে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে দলে দলে কয়েক শত হরিণ সুন্দরবনের কটকা, দুবলা, চরপুটিয়া ও কোকিলমুনি বন অফিসের কম্পাউন্ডে আশ্রয় নেয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব হরিণ আবার বনে ফিরে যায়। প্রতিটি সুপার সাইক্লোন আঘাত হানলে বন বিভাগের অফিসের টিনের চালা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং জেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রতিটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঝড় জলোচ্ছ্বাসের কবল থেকে উপকূলের মানুষের বা বন্যপ্রাণীর জীবন রক্ষা করছে সুন্দরবন। প্রাকৃতিক দূর্যোগের কাছে সুন্দরবন অনেকটা অসহায়, তবে সরকারী কিছু জরুরী পদক্ষেপ বন্যপ্রাণী ও বনজীবীদের জন্য সহায়ক হবে।

মৎসজীবী এবং বনজীবীদের জন্য বনের ভিতর পর্যাপ্ত ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করতে হবে। বন বিভাগের অফিস, জেটিসহ সকল স্থাপনা ঘুর্ণিঝড় সহনীয় করে নির্মাণ করতে হবে। বনের অভ্যন্তরে বনজীবী ও বন্যপ্রাণীদের খাবার পানির একমাত্র উৎস মিঠা পানির পুকুরগুলোর পাড় উচুঁ বাঁধ দিয়ে সংস্কার করতে হবে যেন জলোচ্ছ্বাসের সময় নোনা পানি ঢুকতে না পারে। জলোচ্ছ্বাসের সময় বন্যপ্রাণীদের আশ্রয়ের জন্য বনের ভিতর প্রচুর পরিমাণে উঁচু টিলা তৈরী করতে হবে।

মানব সৃষ্ট দূর্যোগ ও মোকাবেলায় করণীয়ঃ প্রাকৃতিক দূর্যোগের ক্ষতি সময়ের ব্যবধানে কাটিয়ে উঠতে পারলেও মানুষের সৃষ্ট দূর্যোগ মোকাবেলায় সুন্দরবন খুবই অসহায় এবং অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিসমূহ বনের জন্য অপূরণীয়। সেজন্য মানব সৃষ্ট দূর্যোগ দূরীকরণে আমাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এসব দূর্যোগ গুলোর মধ্যে রয়েছে বনে আগুন লাগানো, বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার, বাঘ-হরিন হত্যা, নৌযান ডুবি, সুন্দরবনের পাশে শিল্পকারখানা নির্মাণ অন্যতম। গত দুই দশকে সুন্দরবনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে প্রায় ২৪ বার। পুড়ে গেছে প্রায় ৮২ একর বন ভূমির গাছপালা। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়া হয়েছে, মাছ শিকারের জন্য জায়গা তৈরী, নাশকতা, মৌয়ালীদের অসচেতনতায় ফেলে রাখা আগুন, বনজীবীদের বিড়ি সিগারেটের আগুনকেও দায়ী করা হয়েছে। সুন্দরবনের মৎস সম্পদের জন্য সব থেকে বড় হুমকি হচ্ছে খাল বা নালার মধ্যে বিষ দিয়ে মাছ শিকার। এতে মাছের প্রজনন চরমভাবে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে, শত শত প্রজাতির মাছ ধ্বংস হচ্ছে, বিলুপ্ত হচ্ছে, সুন্দরবন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাচ্ছে এবং শুন্য হয়ে যাচ্ছে আমাদের মৎস্য সম্পদ। আবার বিষযুক্ত মাছ খেয়ে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুকি যেমন বাড়ছে, তেমনি বিষাক্ত পানি পান করে বাঘ-হরিণসহ বন্য প্রাণীকূল অসুস্থ হয়ে পড়ছে। সুন্দরবন সুরক্ষার মূল দায়িত্ব পালন করে বাঘ। একটি অসাধু চক্র বাঘ-হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে। বাঘের অঙ্গ প্রতঙ্গ পাচার করে বিপুল কালো টাকা উপার্জন করছে। এই দুষ্টচক্রের একটি অংশ হরিণ শিকার করে মাংস, চামড়া স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছে। সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে অবৈধভাবে নৌযান চলাচল করছে। ইতিমধ্যে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে তেল, কয়লা, ক্লিংকারবাহী জাহাজ ডুবির বেশ কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে। এতে বনের, মৎস্য সম্পদ ও বন্যপ্রাণীর জীবন প্রবাহে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। দেশের আইন অনুয়ায়ী সুন্দরবনের পাশে ১০ কিঃ মিঃ এলাকাকে বলা হয়েছে বাফার জোন বা পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)। এই এলাকার মধ্যে কোন শিল্প প্রতিষ্ঠান করা যাবে না। অথচ বন বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটিারের মধ্যে ১৯০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তারমধ্যে ২৪টি হচ্ছে লাল শ্রেণীর শিল্পপ্রতিষ্ঠান অর্থাৎ যে কারখানা গুলো মারাত্মকভাবে পানি, বায়ু ও মাটি দূষণ করে (সূত্রঃ প্রথম আলো ৬ এপ্রিল ২০১৮)। সরকারের উদাসীনতার জন্য অবৈধ কলকারখানার সংখ্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের সৃষ্ট এসব দূর্যোগ বন্ধের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া খুবই জরুরী।

বনে আগুন লাগার পর প্রতিবারই ঘটনা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। সেসব কমিটি আগুন লাগার কারণ এবং করণীয় সুপারিশ আকারে তুলে ধরেছেন। তবে দীর্ঘদিনেও সেসব সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়নি। তদন্ত কমিটির সুপারিশ সমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন করলে অগ্নিকান্ডের ঘটনা বন্ধ করা বা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। বনের ভিতর আগুন নেভাতে প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগ করতে হবে। ভাসমান অগ্নিনির্বাপক নৌযান ক্রয় করতে হবে।
সুন্দরবনের সকল অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধের জন্য অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধের জন্য লোকালয় সংলগ্ন এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ করতে হবে। নদী-খাল খনন করে লোকালয় থেকে বনকে আলাদা করতে হবে। লোকালয় থেকে বনের প্রবেশ পথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চৌকি বা পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণ করে নজরদারি বাড়াতে হবে। সুন্দরবনের প্রাণীকূল সুরক্ষায় দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সুন্দরবন রক্ষায় প্রতি ৭-৮ কিলোমিটারের জন্য একজন বনরক্ষী যা খুবই অপ্রতুল। তাই বনরক্ষীর সংখ্যা বাড়াতে হবে এবং বনের ভিতর নৌ-টহল জোরদার করতে হবে। বনরক্ষীদের জন্য আধুনিক অস্ত্র ও নৌযান সংগ্রহ করতে হবে। আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও প্রযুক্তিতে শক্তিশালী ডাকাত বা দুস্কৃতিকারীদের ধরতে বা নিয়ন্ত্রণে বনরক্ষীদের আধুনিকায়ণ অত্যান্ত জরুরী।
শেলা নদীসহ সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে সকল নৌযান চলাচল স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। ইতিমধ্যেই যেসব জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে।
দেশের আইন অনুযায়ী সুন্দরবনের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন লাল শ্রেণীর শিল্পকারখানা স্থাপন করা যাবে না। যেসব শিল্প কারখানা আছে সেগুলো দ্রুত সরিয়ে নিতে হবে। আইন অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। জরুরী ভিত্তিতে ইউনেস্কো সুপারিশ অনুযায়ী বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন সংরক্ষণে সুন্দরবনসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপর ”কৌশলগত পরিবেশ সমীক্ষা” প্রতিবেদন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
সর্বোপরি বনের উপর নির্ভরশীল নানান পেশার বনজীবীদের জন্য সরকারকে যুগোপোযোগী বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল এবং বন সংলগ্ন জনপদের মানুষের সচেতনতা বাড়াতে তাদের নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সভা, সেমিনার, গীতি নাট্য, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করতে হবে। সুন্দরবন ব্যবহারকারীদের বন ও বনজ সম্পদ সুরক্ষার গুরুত্ব বুঝাতে হবে।

ভৌগলিক অবস্থানগত কারণেও সুন্দরবন এখন বেশ ঝুঁকির মধ্যে আছে। অতীতে নোনা ও মিষ্টি পানির সংমিশ্রণে সুন্দরীসহ অসংখ্য উদ্ভিদে পরিপূর্ণ ছিল সুন্দরবন। পদ্মার শাখা নদী গড়াই, মাথাভাঙ্গা, আড়িয়াল খাঁ, মধুমতি, কপোতক্ষ, চিত্রা, ইছামতি, ভৈরব প্রভৃতি নদী দিয়ে আসা মিষ্টি পানি সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হতো। ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা ব্যারেজ চালু হবার পর উজান থেকে নেমে আসা মিষ্টি পানির প্রবাহ কমতে শুরু করে এবং এখন অধিকাংশ শাখা নদী ভরাট হয়ে মিষ্টি পানির প্রবাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। মিষ্টি পানির অভাবে বনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে সুন্দরীসহ অনেক গাছ বিলীন হয়ে যাচ্ছে এবং লবনাক্ত পানি সহনীয় উদ্ভিদের প্রাধান্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেহেতু বিষয়টি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের উপর নির্ভরশীল, তাই সরকারকে অনুরোধ করবো সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সুপেয় পানির উৎস বা সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারতের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।

পরিশেষে সরকারকে বিনীত অনুরোধ করে বলতে চাই, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন সুরক্ষায় সময়পোযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। প্রয়োজনে সুন্দরবনের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করুন। আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দরবনের কোন বিকল্প নেই। সেজন্যই সুন্দরবন সুরক্ষায় আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

লেখক: চেয়ারম্যান সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশন

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close