৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার ০৮:৫০:৪৩ পিএম
সর্বশেষ:

৩১ আগস্ট ২০২১ ১১:৪৮:৪১ পিএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা কেন হলো

সাখাওয়াৎ হোসেন
বাংলার চোখ
 পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা কেন হলো

৪৩ বছর আগে জেনারেল জিয়া উর রহমান দেশকে আধিপত্য মুক্ত রাখতে বহুদলীয় গনতন্ত্র, গণমাধ্যমের, স্বাধীনতা, বিচারবিভাগের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের সম্বনয় ও পরামর্শে প্রতিষ্ঠা করেন" বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)।এই দল গঠনে যাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিলো তারা হলেন মরহুম মশিউর রহমান যাদু মিয়া,অধ্যাপক ডাঃএকিউ,এম,বদরুদ্দোজা, মরহুম শাহ মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, এ্যাডঃ এস,এ,বারী,এ,টি,প্রমুখ ।বহুদলীয় গনতন্ত্র,মজলুম জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা,সাম্রাজ্যেবাদ,আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ মুক্ত সাম্যের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নদ্রোষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন বুঝতে পারলেন,তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে,তখনই তিনি তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পাটি(ন্যাপ) থেকে অব্যহতি নেন।মরহুম মশিউর রহমান যাদু মিয়া,ন্যাপের দায়িত্ব নিয়ে মধ্যে পন্হি দল গঠনে জিয়াউর রহমানের সাথে কাজ করতে থাকেন। ১সেপ্টম্বর দল গঠনের আগে ন্যাপের সকল কার্যক্রম স্হগীত করে বিএনপিতে যোগদান। বিএনপির ১৯দফার যাদের মুখস্থ তারা বিশ্বাস করবেন,জালেম জলুম,আর নাগরিক অধিকার নিশ্চিত এর মধ্যে দিয়ে জনগনের অধিকার কি ভাবে নিশ্চিত হবে, ওখানে দিকনির্দেশনা রয়েছে! অল্প কদিন পর বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার তারেক রহমান ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর ইতিমধ্যে ঘোষনা দিয়েছেন রাষ্ট্রের মালিক জনগনের গনঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদ শাসনের অবসান ঘটবে। তারা আসা করে যুব সমাজ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াবেন।দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অতন্ত্র প্রহরী আধিপত্যবাদের আগ্রাসনের প্রতিরোধে সজাগ। এদিকে এই ঘোষণা শুনার পর গণগ্রেফতার দেখে একজন মন্তব্য করে,সরকারের বিদায় ঘন্টার এই আলামত কি? স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে আধিপত্য মুক্ত করতে "হারাম শরীফ" কেন্দ্রীক যে ঐক্য গড়েছিলেন,সেটাই সঠিক ও সাম্য রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ। রাষ্ট্রের দায়িত্ব পাওয়ার পর জিয়া উর রহমান সকল দলের রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করতে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা গুলো চালু করেন।এতে করে বন্ধ গনমাধ্যম প্রকাশনার সুযোগ হয়।বিচার বিভাগ স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকারে শাস্তির সংখ্যাকমে আসতে থাকে।এমন দেখা যায় বিচার বিভাগ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়ানোতে অজ্ঞদের ভাষায় শাসক বির্তকীত হচ্ছে, কিন্তু আসলে কি তাই? বরং সরকারের গ্রহনযোগ্যতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। দেশের নাগরিকদের দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহন নিশ্চিত করায় গুনগত মানবৃদ্ধি পায়।দেশে কর্মক্ষম মানুষের কর্মক্ষেত্র সৃষ্টির কারণে বেকারত্ব হ্রাস পেতে থাকে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নীতিমালা উপনিবেশিক শাসকের তৈরী থাকায় কোন কোন জনপ্রতিনিধি আইনের অপপ্রয়োগের কারণে কিঞ্চিত দুর নামের ভাগীদার হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ বিএনপির প্রতি নিরব সমর্থক হয়ে যায়?শিক্ষার গুনগত মান নিশ্চিত করতে নকল মুক্ত ও মান সম্যত পাঠসুচি প্রনয়ন করে।প্রিয় পাঠক অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলতে হয়"মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী তার ইসলামী বিশ্ব বিদ্যালয়ের জন্যে, যে শিক্ষা পাঠ্যসুচি করেছিলেন, সেটাকে জাতিয় শিক্ষাপাঠ্য সুচির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলে আজকের এই সংকট সৃষ্টি হতো, কিনা ভেবে দেখের প্রযোজনা ছিলো। তবে বিএনপির পররাষ্ট্রনীতি দাসত্ব মুক্ত আর্তমযদা পুর্ণ!আল্লাহ তালার উপর পুর্ণ আস্হা, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম পড়ে সকল কাজ শুরু নাম বিএনপি। দেশ যখন চরম অরাজনৈতিক পরিস্থিতি আর ইসলাম বিরোধী অবস্থানের কারণে জনজীবনে নিরাপত্তাহীনতা নেমে আসে তখনই জাতির কল্যানে মজলুম নেতা আর তার অনুসারীরা অনেকটা জোর করেয় রাজনীতিতে আসতে বাধ্য করে স্বাধীনতার ঘোষক জেড ফোর্সের অধিনায়ক জেনারেল জিয়া উর রহমানকে।৪৩ বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)`র গঠন করে।তার পর থেকে স্বাধীনতার মূল লক্ষ বহুদলীয় গনতন্ত্র, গনমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, ভোটের অধীকার, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সহ রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ফিরে আসতে শুরু করে। রাষ্ট্রের মালিক জনগন সম্মিলিত ভাবে উন্নয়নে অংশ গ্রহণ করতে থাকে।বিএনপির দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক মানুষিকতায় দেশের সর্বক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সুসংহতি ও স্বাবলম্বিতা ফিরে আসতে থাকে।শিক্ষাঙ্গন গুলোতে ছাত্র সংসদ গুলোতে পুর্ণরায় ছাত্রদের ভোটে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হতে থাকায় রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ যোগ্য নেতা তৈরী হতে থাকায়, সাম্রাজ্যবাদ,আধিপত্যবাদ,সম্প্রসারণবাদ, এর মাথা খারাপ হয়ে পরে। তাদের মাথায় আসে বাংলাদেশ যদি স্বনির্ভর হয়ে পরে তাহলে তাদের বৈষম্যের নীতি ব্যার্থ হবে। জেনারেল জিয়াউর রহমান এর দেশপ্রেম সম্পর্কে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী নিজেই বলেছেন "সমসাময়িক সময় দ্বিতীয় আরেক জন নাই? আর অতীতের মত জুলুমে ক্ষেত্র তৈরিতে মনোনিবেশ করে,সিলেটের কষাই গৌর গোবিন্দ, বাঘের হাটের প্রতাপ শিং,পাবনা শিতলী বাবুদের উত্তরসুরীরা। শুরুতেই বিতর্কিত করে দেশের প্রজ্ঞাবন মুসলিম গুণীজনদের,পর্যায়ক্রমে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিভক্ত করে জুলুম আর লুটের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করে।এমন বিশ্বাস স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী নাগরিকদের মধ্যে সৃষ্টি করে, তারা ছাড়া বাংলাদেশী নাগরিকদের কোন কিছু করার যোগ্যতা নাই? এই ভুল চিন্তা থেকে বেড় করে আনতেই জাতিয় নেতৃবৃন্দর সমন্বয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়।বিএনপির সাফল্যকে দেখা ঈর্শান্বিত হয়ে ঐ চক্রটি অপ্রচারে নেমে পরে! এতে হীতে বিপরীত হয়। শহীদ জিয়া উর রহমান তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া ও তার জৈষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান সহ গোটা পরিবার জনগনের মুক্তির দিশারীতে পরিণত হয়ে গেছেন। মানুষের আশা আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নের কর্মবীর শহীদ জিয়াউর রহমান, তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া সংসদীয় গনতন্ত্র আর নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার বিধান প্রনয়ন করেন। শহীদ জিয়াউর রহমান ভৌগলিক আগ্রাসন প্রতিরোধের লক্ষে সার্ক গঠন করে ছিলেন।সার্ককে শক্তিশালী করেণ।জাতিয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে সমমনাদের জোট বদ্ধ করেন। ইসলামি রাষ্ট্র গুলোর মধ্যে ভেদাভেদ দুর করে মানবিক বিশ্ব গড়ার জন্য কাজ করতে থাকেন।ওয়ানইলেভেন গোটা জাতির সকল অধিকার হরণে নতুন চক্রান্তে আর্বিভাব হয়।যা আবারও জাতিকে রাজনৈতিক ভাবে মেরুদণ্ডহীন করে উন্নয়নের নামে গোটা জাতির সম্পদ লুটের প্রতিযোগিতা শুরু হয়।ইতিমধ্যে গণমাধ্যম ও এফবি সহ সামজিক মাধ্যম গুলো যাতে দেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে না পারে,সেই জন্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, অফিসিয়াল সিকিউরিটি এ্যাক্ট,লাঠিয়াল বাহিনী সহ বিভিন্ন কায়দায় তথ্য প্রচার নিয়ন্ত্রণ শুরু করে। এ সব জনগন ও রাষ্ট্রের অকল্যান কাজের পরির্বতে জাতিয় ঐক্য ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা বিএনপির মুল লক্ষ। বিএনপি যখন ৪৩ বছরে পা দিচ্ছে তখন সফল বা মায়ের সফল সন্তান তারেক রহমান বিএনপির হাল ধরেছ।আর মুসলমানদের অধিকাংশ বিজয়ের অন্তরালে হিজরত।এ আল্লাহ আপনি বিএনপির ভুলক্রটি সংশোধন করে মুক্তির পথ দেখানোর দোয়া করতে শুনা যায়।দূর্নীতি, জুলুম,নিপীড়ন মুক্ত মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিএনপির পতাকা আজ তারেক রহমানের হাতে।সকলের আন্তরিকতা থাকলে জনতার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আর দেরী নাই।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close