৩০ নভেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার ১০:১৬:২৭ পিএম
সর্বশেষ:

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:৫১:৩৫ এএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

জাতীয় ঐক্য, গনতন্ত্র ও জবাবদিহিমুলক বাংলাদেশঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া ও তার পরিবারের স্বপ্ন

সাখাওয়াৎ হোসেন
বাংলার চোখ
 জাতীয় ঐক্য, গনতন্ত্র ও জবাবদিহিমুলক বাংলাদেশঃ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া ও তার পরিবারের স্বপ্ন

গণতন্ত্রহীন তলাবিহীন ঝুড়ির অভিযোগে যখন রক্ত দিয়ে কিনা স্বাধীন বাংলাদেশ বিশ্বমানচিত্রে আত্মসম্মানহীন অবস্হায় কিংকর্তব্যহীন! তখনই স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রোষ্টা,রুপকার,স্হপতি মজলুম জননেতা মুকুটহীন সম্রাট মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, পরিস্কার ভাষায় বললেন,সমসাময়িক সময় জিয়া উর রহমান এর মত সৎ দেশপ্রেমিক আরেক জন চোখে পরে না।তিনি বললেন সাম্রাজ্যবাদ,আধিপত্যবাদ,ও সম্প্রসারণবাদের আগ্রাসন, দুর্নীতি, দূর্বৃত্তায়ন,আইনের শাসন,ন্যায় বিচার, গণমাধ্যমহীন জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায় জিয়া উর রহমান একমাত্র যোগ্য ব্যাক্তি। দেশের দায়িত্ব গ্রহণের পর বহুদলীয় গনতন্ত্র, মুসলিম রাষ্ট্র গুলোর ঐক্য,প্রতিষ্ঠা, সাম্রাজ্যবাদ,আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদের চক্রান্ত থেকে দক্ষিণ এশিয়াকে রক্ষায় সার্ক গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।এর মধ্যে (আমার যদি ভুল না হয়)তিনি ফ্রান্সে গেলেন রাষ্ট্রীয় সফরে, সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশের নাগরিকরা বিক্ষোভ করে।পরে তিনি কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে,জানতে পারলেন, তাদের বিক্ষোভ এর মুল উদ্দেশ্য ওখান রাষ্ট্রের সুবিধা পাওয়া।এটা জানার পর তিনি জানিয়ে দিলেন যত বিক্ষোভ করুক,আপত্তি নাই?তবু তারা ঐ রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা পাক?অনুরুপ ঘটনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ঘটলো,সেটা তিনি কারণ যেনে সমাধান করলেন, ছাত্রদের উপর ক্ষমতার অপব্যবহার করতে দিলেন।জাতিয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় বিলুপ্ত আওয়ামী লীগ, বাম দল মধ্যেমপন্হি ইসলামিক দল গুলোকে রাজনীতি করার অনুমতি দিলেন।পাশাপাশি যাদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা, সেই ছাত্র যুবক,কামাড়,কুমাড়,কৃষককে তাদের রাষ্ট্রের মালিকানা বুঝিয়ে দিতে উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত করলেন।বাংলাদেশ বিশ্বমানচিত্রে মর্যাদাবান অবস্থানে অধিষ্ঠিত হলো।মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বদানের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হওয়ার পথে! ঠিক তখনই আঞ্চলিক আধিপত্যবাদের চক্রান্তে চট্টগ্রাম সার্কেটহাউজে শাহাদাৎ বরণ করেন। রাষ্ট্রের মালিক জনগন রাজপথে নেমে আশায় চক্রান্তকারীরা কৌশল পরির্বতন করলো?রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিচারপতি আব্দুস ছাত্তার বিপুল ভোটের ব্যাবধানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।আবার নতুন করে নাটক মন্চস্হ করে গনতন্ত্রের কবরদেয়। কিন্তু জিয়া উর রহমান সংবিধানে আল্লাহ তালার উপর পূর্ণ বিশ্বাস ও বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংযুক্ত করাই চক্রান্ত আংশিক সফল হয়।দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌম রক্ষায় গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়াকে ঘর ছেড়ে অনেকটা জোর করেই রাজনীতি নিয়ে আসে দেশপ্রেমিকরা।তিনি কোন আপোষ না করেই গনমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা পর্যন্ত রাজপথেই থাকেন।দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর কেউ মীরজাফর হতে রাজী না হওয়া এইচ,এম,এরশাদ নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে পদত্যাগ করেন।আঞ্চলিক আধিপত্যবাদ গোষ্ঠীর হুমকির পাল্টা হুমকি দিয়ে পরিকল্পিত ভাবে দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পথে নিয়ে যান।বিরোধী দলের অসহযোগিতা আর দাবী অনুযায়ী স্বল্প মেয়াদের একটা সংসদ নির্বাচন করে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার বিধান প্রনয়ন করেন,এবং সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে সংসদ ভেঙে দিয়ে,নির্বাচনকালীন সরকারের হাতে ক্ষমতা দেন।কিন্তু আন্চলিক আধিপত্যবাদ গোষ্ঠী সীমান্ত এলাকাসহ গোটা দেশে আগুনের নিলিহান জ্বালাতে শুরু করে।দেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রধানবিচারপ্রতির খাশ কামড়ায় পর্যন্ত হামলা হয়। কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যমে তারেক রহমান সম্পর্কে কল্পকাহিনি প্রকাশ করে।যা অন্য যে কোন শাসন আমলে ছিল অকল্পনীয়। তারপর জাতিসংঘের বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রতিনিধির এক ইমেইল বার্তা জাতির সকল অধিকার হরণের পথ প্রস্হ করে। রাষ্ট্রপতি জিয়া উর রহমান ক্ষমতায় মুক্তিযুদ্ধো ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বসত যাদের কারাগারে আটক রেখে ছিলো তাদের মুক্তি দেন,গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন,বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়েদেন,প্রশাসনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেন। গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়ার উদ্যোগ নেন। বেগম খালেদা জিয়া ঐ ধারাবাহিকতার পাশাপাশি সংসদীয় গনতন্ত্র প্রবর্তন করেন।ওয়ান ইলেভেনের পর সব কিছু অদৃশ্য শক্তির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়!এই অদৃশ্য শক্তি কৌশলে ক্যামেরা ট্রাইলের মাধ্যমে তাদের প্রতিপক্ষদের হত্যা,সাজা,কাল্পনিক মামলা,গুম,খুন অপহরণ, হামলা করে আতংক সৃষ্টি করে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান এবং চারদলীয়জোট এর জনপ্রিয়তা দেখে তাদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির কাজ শুরু করে।এখন মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র,ইন্ডিয়ারা আগামী নির্বাচনে তালগাছের মালিকানা ঠিক রেখে একটা নির্বাচনের প্রক্রিয়া তৈরীর কৌশল করছে।আর দেশের জনগনের অভিমত নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে তাদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিএনপি ও তার শরীক দলের নামের সকল মামলা প্রত্যাহার,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমান দেশে ফিরার সকল বাধা দুর করে দেশে ফিরে আসা।তারপর গত ৫০ বছরে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল গুলোর পরামর্শ করে,গ্রহণ যোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন করা। এ দিকে কাল্পনিক মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় অনেকেই ধারণা করছে নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করার একটা কৌশল!দেশবাসী চেয়ে আছে শহীদ জিয়া উর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্যতম উত্তরসুরী আগামী দিনের গণতন্ত্রের কান্ডারী তারেক রহমান এর আপোষহীন সিদ্ধান্তের দিকে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close