১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার ০৬:২১:৪০ পিএম
সর্বশেষ:

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:৫২:৩৫ পিএম শনিবার     Print this E-mail this

ইতিহাসের অন্তরালে

সাখাওয়াৎ হোসেন
বাংলার চোখ
 ইতিহাসের অন্তরালে

 ১৭৫৭ সালে পলাশির প্রান্তরে অবিভক্ত ভারত বর্ষের মানুষের কপালে দূর্ভোগ আনে ইষ্ট ইন্ডয়ান কোম্পানির লুটেরা ও দখলদার ইংরেজ ফিরিঙ্গী আর আর্য এবং স্হানীয় লোভী সাম্প্রদায়িক শক্তি। বাংলা,বিহার, উড়িশ্যার শেষ স্বাধীন সিরাজ উদ দৌলার সেনাপ্রতি মির জাফর আলীকে ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে দখলদার অনুপ্রবশে বাধা দান থেকে বিরত রাখে। তারপর থেকে তার নাম মীর জাফর হিসাবে ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়। তারও প্রায় একশত বছর পর দিল্লি নিয়ন্ত্রনে নেয়। নিয়ন্ত্রণে নিয়েই, সেখানে সাম্প্রদায়িক শক্তির আস্তানা শক্তিশালী করে।এই দিল্লির মানুষকে পৃথিরাজের জুলুম থেকে উদ্ধার করে ছিলেন,খাজা মঈনুদ্দীন চিশতি (রহঃ) গরিবে নেওয়াজ। দীর্ঘ দিন নানা চক্রান্তের পর ইষ্ট ইণ্ডিয়ান কোম্পানি আর্য জাতির মাধ্যমে সেখানে আবার কৌশলে জালেমের আস্তা না করে দেয় দক্ষিণ এশিয়ার উপর খবরদারি ও দখলদারিত্ব বজায় রাখতে। দীর্ঘ দিন ধরে দেশপ্রেমিক মুসলমান ও নিম্নবর্নের হিন্দুদের আন্দোলনের মুখে ইংরেজ ফিরিঙ্গিরা দখলদারিত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।কিন্তু তার আগে তারা সাম্প্রদায়িক চক্র কতটুকু শক্তিশালী হয়েছে,প্রমান করতে কথিত হিন্দু নেতা,কবি, সাহিত্যিকদের দিয়ে হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা বাধায় মুসলমানদের নির্বিচারে হত্য করে। তারপর ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষকে কয়েক টুকরো করে মুসলমানদের কিছু ইন্ডিয়ার মধ্যে রেখে ভাগ করে দেয়।১৯৫০ সাল থেকে আসাম বাংলা,আফ্রো-এশিয়ার মজলুম জনগনের নেতা সদ্য পৃথক হওয়া পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন করার কাজ শুরু করেন।১৯ দশকে দক্ষিণ অন্চলে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় হওয়ার পর মজলুম জনগনের নেতা মওলানা ভাসানী দক্ষিণ অঞ্চলের জনগনের দুর্ভোগ দেখতে ১০৪ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে যান। ফিরে এসে ঘোষণা দিলেন ভোটের বাক্সে লাথি মারো পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন করো।তারপর ১৯৭১ এর ভয়াল মার্চ চট্টগ্রাম কালুর ঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা দিলেন। কারণ সেই ১৯৪৬ এর দাঙ্গার মতই গনহত্যা দেখে তিনিই আর নিরব থাকতে পারে নাই?দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের বিজয় যখন আসলো তখনই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করলেন ইন্ডিয়ার জেনারেল অরোরা শুরু হলো নতুন চক্রান্ত। এই যুদ্ধে বিজয়ী হলো বাংলাদেশের বীর সন্তানরা আর তখন ইন্ডিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার পার্লামেন্টে স্বগর্বে বললেন হাজার বছর কা বদলায়ি! তারপর পাকিস্তানের তখন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো সাথে ইন্দারা গান্ধী সিমলা চুক্তি করে আধিপত্যবাদের চক্রান্তের জ্বাল বুনলেন।ভাইয়ের প্রতি ভাইকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে নানা কৌশলে হত্যার পথ উন্মোচন করে গেলো।কিন্তু সমস্যা চতুর দিকে সৃষ্টি করে দিলো?১৯৪৬ এর দাঙ্গায় যে উর্দুভাষীরা এ দেশে এসেছিল তাদের পাকিস্তানি বানিয়ে মানবেতর জীবনের মধ্যে ঠেলে দিয়ে গেলো,সৎ,দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ চিন্তকদের হত্যার ফাঁদ করে হত্যার ব্যাবস্হা করলো।এ ভাবেই ৪৮ বছর কাটার পর এবার বার্মার রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর জুলুম করে বাংলাদেশের মধ্যে প্রবেশ ঘটানোর পরক্ষ ঈঙ্গিত তাদের আছে, এমন বিশ্বাস শতকরা ৯০ ভাগ মানুষের। যখন বাংলাদেশ রোহিঙ্গা মুসলমানদের সম্মান জনক ভাবে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর দাবী করলো জাতিসংঘে তখন ইন্ডিয়া ও চীন ভোটদান থেকে বিরত থাকলো?তারদেশের বিশ্ব ব্যাংকে কর্মরতদের অত্যান্ত কৌশলে বাংলাদেশে পূর্নবাসন করার প্রস্তাব দিলো তথাকথিত বন্ধুদের এমন কার্যক্রম! আবার আসামের বিভিন্ন এলাকায় মুসলমানদের উপর অমানবিক জুলুম করে,তাদেরকে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ করানোর চক্রান্তে মেতেছে।দক্ষিণ শান্তি স্ফীতিশীলতা ও দখলদার মুক্ত রাখতে,রাষ্ট্রপতি জিয়া উর রহমান গঠন করেন।দিল্লি অত্যান্ত সুক্ষ্ম ভাবে ওটাও অর্কায্য করে রেখেছে। একটু পিছনের দিকে যেতেই জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে কয়েক মিনিট যেতে সময় লাগে হাই কোট মাজার।খাজা গরীবে নেওয়াজের মেঝো ছেলে হযরত খাজা শরফুদ্দিন(রহঃ)মাজার।এটা এক সময় নদীর খাল ছিলো। খালের অপরপার ছিলো মাঠ, সেখানে নর বলি দিতো।আল্লাহ পাকের এই ওলি এখানে এসে এই নরবলি বন্ধ করেন।বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকার মানুষ গুলো গত ১২/১৩ বছর ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।এই দেশের নাগরিকদের গুম,খুন সহ নানা অপরাধের কথা উঠলেই সাধারণ মানুষ আকার ঈঙ্গিতে দিল্লির কথা বলে।শুনা যায় বর্তমান শাসকদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ কার সাথে জোটবাধবে আর কার সাথে বাধতে পারবে না, তাও ইন্ডিয়া, মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশ গুলো জানিয়ে দিয়েছে। প্রশ্ন হলো আমরা কি তাদের অনুসারী না স্বাধীন? কয়দিন আগে নির্বাচিত সাংবাদিক নেতাদের সংগঠনের পরিচয় দিয়ে ব্যাংক হিসাব তলব! তারপর হঠাৎ করে দিল্লি প্রেসক্লাবের সাথে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের শেষ আশ্রয় স্হল জাতীয় প্রেসক্লাব এর সাথে সমঝোতা স্বাক্ষর এর পিছনে কি চক্রান্ত জনগন তা খুজতে শুরু করেছ। বাংলাদেশের জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ার (দিল্লি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এ অনুযায়ী দুই ক্লাবের সদস্যরা পরস্পরের ক্লাবে সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এবং প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ার সভাপতি উমাকান্ত লাখারিয়া। প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ার আমন্ত্রণে ক্লাব চত্বরে বঙ্গবন্ধু মিডিয়া সেন্টার স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন। গত ৭ সেপ্টেম্বর দুই দেশের ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় প্রেস ক্লাব অব ইন্ডিয়ার সেক্রেটারি জেনারেল বিনয় কুমার, সাবেক সভাপতি গৌতম লাহিড়ীসহ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close