১৯ নভেম্বর ২০১৭, রবিবার ০১:২৮:৪১ এএম
সর্বশেষ:

২৬ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৫০:০৯ পিএম বৃহস্পতিবার     Print this E-mail this

নাটোর-২

বিএনপিতে প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী দুলু আওয়ামী লীগে ডজন খানেক

শেখ তোফাজ্জল হোসাইন,নাটোর থেকে
বাংলার চোখ
নাটোর-২ বিএনপিতে প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী দুলু আওয়ামী লীগে ডজন খানেক

নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) জেলা শহর, সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি জেলার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। বরাবরের মতো এবারো সব দলেরই কেন্দ্রীয় ও জেলার র্শীষ নেতারা এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। ফলে কে পাচ্ছেন মূল দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন সেটা নিয়ে সবার মধ্যেই রয়েছে কৌতুহুল।
এই আসনটিতে গত কয়েক সংসদ নির্বাচনের মতো এবারো বিএনপির একক প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর জেলা সভাপতি এই আসন থেকে তিনবার নির্বাচিত সাবেক এমপি সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। মামলা জটিলতা বা অন্য কোন কারনে তিনি প্রার্থী হতে না পারলে নবম সংসদ নির্বাচনের মতো প্রার্থী হবেন তারই সহধর্মীনি ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন ছবি। নবম সংসদ নির্বাচনে দুলু প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে না পারায় হঠাৎ করে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে তার সহধর্মীনি সাবিনা ইয়াসমিন ছবি আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকারের কাছে অল্প ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন।
 অপরদিকে আওয়ামী লীগে মনোনয়ন দৌড়ে নেমেছেন দলের প্রায় ডজন খানেক নেতা। এর মধ্যে রয়েছেন গত নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হওয়া তরুন নেতা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি। তার মনোনয়ন দৌড়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন, আওয়ামী লীগের গত আমলের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শরিফুল ইসলাম রমজান এবং জেলা যুবলীগের সভাপতি বাসিরুর রহমান খান চৌধুরী এহিয়া। মনোনয়ন প্রত্যাশী এসব নেতারা দুই উপজেলার প্রতিটি এলাকায় এবং কেন্দ্রে নেতাদের কাছে লবিং গ্রুপিং চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাজেদুর রহমান খান, সহ-সভাপতি ও নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি, নাটোর কোর্টের পিপি সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক শেখ, প্রচার সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন, মহিলা দলের জেলা সভানেত্রী রতœা আহম্মেদ,নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পাটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সাবেক এমপি ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান সেন্টুও মহাজোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
তিন লাখ ৩১ হাজার ৮৯৭ জন ভোটারের নাটোর সদর ও নলডাঙ্গা উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ন এই আসনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিএনপিতে কোন দ্বিমত না থাকলেও আওয়ামী লীগে ব্যাপক কোন্দলের কারনে এখানে বর্তমান এমপির বিরুদ্ধে নিজেদের প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন প্রায় এক ডজন নেতা। গত দশম সংসদ নির্বাচনে নাটোর সদর আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন তৎকালীন নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শিমুল। এমপি হওয়ার পর তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকও নির্বাচিত হন। অভিযোগ রয়েছে তিনি দলীয় সিনিয়র নেতা কর্মিদের মতামতকে প্রাধান্য না দিয়ে ইচ্ছামত দলকে পরিচালিত করেন। তার মতের বিরোধীদের নানাভাবে হয়রানী সহ হামলা ও নির্যাতন করে একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টার অভিযোগ করেন দলীয় নেতাকর্মীদের অনেকেই। ২০১৪ সালে নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম শিমুল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার সময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন নাটোর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রমজান। দলের কাউন্সিল অধিবেশনে কারচুপি করে তাকে হারানোর অভিযোগ করে শরিফুল ইসলাম রমজান বলেন, যেখানেই টাকা সেখানেই এমপি শিমুল, স্কুলের নাইটগার্ড থেকে শুরু করে স্কুল কলেজের শিক্ষক, সরকারীভাবে ধানচাল গম ক্রয়ে অনিয়মের মাধ্যমে এবং টেন্ডারের কাজ ভাগাভাগি করার মাধ্যমে এমপি শিমুল কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছেন। যার তথ্য প্রমাণ তার কাছে রয়েছে। তিনি বলেন, দলীয় কর্মকান্ডে সাবেক মন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাজেদুর রহমান খান, নাটোর পৌরসভার বর্তমান মেয়র জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি উমা চৌধুরী জলিসহ সিনিয়র রাজনীতিবিদদের দলীয় কার্যক্রমে ডাকা হয়না। তিনি বিএনপি থেকে আগত হাইব্রিড নেতাকর্মী পরিবেষ্ঠিত অবস্থায় দলকে পরিচালিত করেন। তিনি বলেন, এমপি শিমুলের এহেন কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সবাই একত্র হয়েছেন। এমপি শিমুল বিরোধী এসব নেতাদের এক সংগে বিভিন্ন সভা সমাবেশে অংশ গ্রহণ করতেও দেখা যাচ্ছে। এমপি শিমুলের কর্মকান্ডের বিষয়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগকে লিখিত ভাবে বিস্তারিত জানানো হয়েছে বলেও এই নেতা জানিয়েছেন।
সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার বলেন, ক্যাডাররা তার  বাড়ীতেই হামলা চালিয়ে তার মেয়েকে পিটিয়ে পা ভেঙ্গে দিয়েছে। তার জামাই ও আরেক মেয়েকেও মারধর করা হয়েছে। তিনি বলেন সবাই জানে লক্ষ লক্ষ টাকা না দিলে এখন চাকুরী হয়না। কিন্তু আমার সময়ে এমন অভিযোগ কেউ করতে পারবে না। বর্তমানে এমপি শিমুল যে ধারার রাজনীতিতে আছেন সেটা সমর্থন যোগ্য নয়। নাটোরে আওয়ামী লীগের ভেতরে যে নৈরাজ্যকর অবস্থা বিরাজ করছে তা থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
১৯৯০ সালে নাটোর সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে রাজনীতি শুরু করা নাটোর জেলা যুবলীগের সভাপতি বাসিরুর রহমান খান চৌধুরী এহিয়া বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনের সময় ভয়ে শিমুল এমপি হওয়ার জন্য মনোনয়ণ পত্র জমা দিতে যেতে পারেনি, সেদিন আমি নিজে আব্দুল মালেক শেখকে সাথে নিয়ে গিয়ে জমা দিয়েছি। আমি ছিলাম বলেই সে আজ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক। জেলা শহরের মধ্যে আমার পরিবার ঐতিহ্যবাহী ধনী পরিবার, আমাকে টাকার জন্য চিন্তা করতে হয় না। আমি নাটোর জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। কিন্তু মতের মিল না পড়ায় ক্যাডার দিয়ে এমপি শিমুল মালিক সমিতি অফিস দখল করে তার ছোট ভাই সাগরকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বসায়। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের এখন সে আর চিনে না। হাইব্রীড নেতাদের নিয়ে চলে। ফলে তিনি এবার পরিবর্তন চান। তিনি মনে করেন, বিএনপির প্রার্থী সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে হারানোর ক্ষমতা তিনি ছাড়া স্থানীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আর কেউ রাখেন না।
নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক দিলীপ কুমার দাস বলেছেন, আওয়ামী লীগের গত আমলের শেষ দিকে নাটোরে বিএনপি-জামায়াত যে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে ছিল, তখন নাটোরে আওয়ামী লীগের আহাদ আলী সরকার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন, তিনি সেই সন্ত্রাস বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে তখনকার সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শিমুল সেই সন্ত্রাস বন্ধ করেছেন, এখন আর বিএনপি-জামায়াত রাস্তায় বেরুতে পারে না। তারা বলেন, শিমুল এমপি হওয়ার পর আওয়ামী লীগের ৬৭ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে নাটোরে গোপন ভোটে জেলা সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচন হয়। সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে শিমুল, দলের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন থেকে শুরু করে সব কমিটি সুসংগঠিত করেছেন। অডিটোরিয়াম, ইনডোর স্টেডিয়াম ও টেকস্টাইল ইন্সটিটিউটসহ হাজারো উন্নয়ন কাজ করেছেন, তাই যে যাই বলুক দলের মনোনয়ন শিমুলই পাবেন।   
এদিকে ২০দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর নাটোর জেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ বেলালুজ্জামান জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রামে নাটোরে জামায়াতে ইসলামী বলিষ্ট ভুমিকা পালন করেছে। সাধারন ভোটারদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে তাই নাটোরের চারটি সংসদীয় আসনেই তাদের দলীয় চারজন নেতাকে দলীয় ভাবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে এর মধ্যে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া)আসনে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক তাসনীম আলম, নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক ড. মীর মোঃ নূরুল ইসলাম, নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে জেলা আমীর অধ্যাপক মোঃ বেলালুজ্জামান এবং নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর)আসনে দলের জেলা সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খানকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এসব নেতারা নিজ নিজ এলাকায় সভা সমাবেশের মাধ্যমে নির্বাচনী কাজ করছেন।  
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাটোর জেলা সেক্রেটারী মাওলানা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী জানান, কোন দলের সাথে জোট না করে তার দল একক ভাবে নির্বাচন করার জন্য নাটোরের আলোচিত মুখ ইসলাম বিরোধী সব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার ব্যক্তিত্ব সংগঠনের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট আমেল খান চৌধুরীকে কেন্দ্রীয় সংগঠন সদর আসনে মনোনয়ণ দিয়েছেন।
নাটোর থেকে তারেক রহমানকে দিয়ে গ্রামমার্চ শুরু করে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিএনপির একক প্রার্থী ু দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নাটোর জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, আমিও তিনবার এমপি এবং টানা পাঁচ বছর মন্ত্রী ছিলাম, বর্তমানে যা যা হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে কেউ  এমন কোন অভিযোগ করতে পারবে না। আমি এক সদর উপজেলাতেই এক সাথে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও করেছিলাম, সবাই জানে কারো তথন একটাকাও খরচ হয়নি অথচ এখন পিয়ন থেকে শিক্ষক নিয়োগ প্রতি ক্ষেত্রেই নাকি সংসদ সদস্যদের লাখ লাখ টাকা দিতে হয় এর চাইতে লজ্জার আর কি আছে ? তিনি বলেন, আমি নাটোরের গ্রামগঞ্জে শত শত কিলোমিটার পাকা রাস্তা, ব্রীজ কালভার্ট করেছি, অবহেলিত হালতি বিলে কংক্রিটের রাস্তা করেছি, কাারিগরি প্রশিক্ষন কেন্দ্র করে এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি, নাটোরে শিশু পার্ক করেছি, দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের বিপদে পাশে থাকার চেষ্ঠা করেছি, ফলে নাটোরের জনগন আমার পাশে আছে। তাই ভীত হয়ে সরকার আমার বিরুদ্ধে শতাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। দুলু বলেন, তারপরও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে প্রার্থী যেই হোক, জেলার সব আসনেই বিএনপি মনোনিত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
নাটোর-১ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের এমপি ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ শফিকুল ইসলাম শিমুল নিজের দলের অন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, সন্ত্রাসের জনপদ নাটোরে আমি শান্তি ফিরিয়ে এনেছি। বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য বন্ধ করেছি, দলকে সংগঠিত করেছি, আমি নাটোরে শতকোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছি। আমার আমলেই সর্ব প্রথম নাটোরের সকল ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করেছি। ফলে আমি শতভাগ আশাবাদী, দল আমাকেই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দিবে। তিনি বলেন, দলের ভিতরের দুজন ব্যক্তি যাদের চেয়ারে বসার যোগ্যত্যা ছিলনা তাদের চেয়ার দিয়েছি, তারাই এখন দলের বিপক্ষে কাজ করছে। এরাই সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে আমার বিরুদ্ধে বড় বড় খবর লেখায়। যুবলীগ সভাপতির অভিযোগ অস্বীকার করে শফিকুল ইসলাম শিমুল বলেছেন, আমিই তাকে মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক করেছিলাম। পরে মালিক সমিতিতে ইয়াবার ব্যবসা শুরু হলে বাস মালিকেরাই তাকে সরিয়ে দেয়, আমি তাকে সরাই নাই।
    

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
কার্যালয়
চৌধুরী কমপ্লেক্স, ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-৭১২৬৩৬৯
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2017. All rights reserved by Banglar Chokh
Developed by eMythMakers.com
Close