১৯ নভেম্বর ২০১৭, রবিবার ০১:১৬:৫২ এএম
সর্বশেষ:

১২ নভেম্বর ২০১৭ ০১:৪৪:১৫ পিএম রবিবার     Print this E-mail this

মাছগুলোর কি দোষ ছিল?

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 মাছগুলোর কি দোষ ছিল?

উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টর–সংলগ্ন লেকে চাষ করা মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কাজী আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ওই লেক ইজারা নিয়েছেন। তার অভিযোগ, পানিতে বিষ ছড়িয়ে তাঁর চাষ করা মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় একজন রাজনৈতিক নেতা জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেন। স্থানীয়রা বলছেন, কি দোষ ছিল এই মাছগুলোর। এমন কাজ একজন মানুষের পক্ষে কিভাবে করা সম্ভব। এদিকে, উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আসছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।’
ইজারাদার আবদুল আজিজ বলেন, ২০১০ সাল থেকে তিনি লেকটি মাছ চাষের জন্য ইজারা নেন। এর মধ্যে ২০১৬ সালে তাঁর ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। রাজউক লেক উন্নয়নের কাজ করবে বলে নতুন করে চুক্তিটি নবায়ন করেনি। তবে লেক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করতে দেরি হওয়ায় তিনি নতুন করে পোনা ছাড়েন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম তাঁকে ফোন করে নাসির সরকার নামের একজনের সঙ্গে মিলেমিশে মাছ চাষ করার প্রস্তাব দেন। এর কয়েক দিন পর মো. মিজান ও মো. শাহজাহান নামের দুই ব্যক্তি তাঁর কাছে আসেন। তাঁরা একসঙ্গে মাছ চাষের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি এতে রাজি হননি। তিনি বলেন, তাঁদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পানিতে বিষ মিশিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘আমি তাঁকে (আজিজ) কোনো ফোন করিনি।’ তবে বলেন, রাজউক বলে দিয়েছে, লেক উন্নয়নের কাজ হবে। লেক এখন কারও ইজারায় নেই। তাহলে তিনি মাছ চাষ করছেন কী করে?
মো. শাহজাহান ও মো. মিজানের বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে একজনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যজন মো. মিজান বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ঠিক নয়।
ইজারার ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রকল্প ব্যবস্থাপক) এনামুল কাদির বলেন, ইজারার মেয়াদ আগেই শেষ হয়েছে। তবে এখনো আবদুল আজিজ মাছ চাষ করছেন। আজিজকে মাছ ধরে ফেলার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ করে মাছ মরে যাওয়ার ঘটনা তিনি জানেন না বলে জানান।
.গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তরা ৩ ও ৫ নম্বর সেক্টরের সংযোগ সেতুর দক্ষিণ দিকের লেকের পানিতে প্রচুর পরিমাণ মরা মাছ পানিতে ভেসে আছে। বেশির ভাগই তেলাপিয়া। এ ছাড়া রুই, গ্রাস কার্প, কাতল মাছও আছে। এসব মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা বলে আবদুল আজিজ দাবি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল সন্ধ্যা থেকে লেকের পানিতে মাছের অস্বাভাবিক লাফালাফি শুরু হয়। কিছু মাছ লাফিয়ে ডাঙায় উঠে পড়ে। লেকের পাড়ে বেড়াতে আসা মানুষ সেগুলো ধরে নিয়ে যায়।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
কার্যালয়
চৌধুরী কমপ্লেক্স, ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার (ভিআইপি) রোড, নয়াপল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-৭১২৬৩৬৯
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2017. All rights reserved by Banglar Chokh
Developed by eMythMakers.com
Close