banglarchokh Logo

কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান লাঞ্চিত

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান লাঞ্চিত

 পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের হামলায় আহত হয়েছে ৭ জন। এদের মধ্যে জামাল হোসেন,সলেমান ফকির,চুন্নু হাওলাদার,শাকিল খলিফা, আলমগীর ও সবুর মিয়াকে কলাপাড়া হাপাতালে ভর্তি করেছে। সোমবার রাত ৯ টার দিকে উপজেলার মৎস্য বন্দর আলিপুর চৌরাস্তা সংলগ্ন এলাকায় কুয়াকাটা পৌর মেয়র বারেক মোল্লার ছেলে মাসুদ মোল্লা, মেয়রের ভাই মোশারেফ মোল্লার নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে আহতদের সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই এলোপাতাড়ি হামলা শুরু করে। এসময় সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক বিপ্লবকে টানা হেচড়া করে শরীরের পোশাক ছিড়ে ফেলে। এর কিছুখন পর স্থানীয় চেয়ারম্যান আনসার উদ্দিন মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌছলে সেও লাঞ্চিত হয়। পরে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
সাংবাদিক নাসির উদ্দিন বিপ্লব কলাপাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর প্রত্রিকা’র কুয়াকাটা প্রতিনিধি, অনলাইন নিউজ পোর্টাল সাগরকন্যার সম্পাদক, কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য।
সাংবাদিক নাসির উদ্দিন বিপ্লব জানান, সম্প্রতি কুয়াকাটা পৌর মেয়র আবদুল বারেক মোল্লা বিরুদ্ধে একটি নিউজ প্রাকাশ হয়। লতাচাপলি ইউনিয়ন পরিষদের একটি জনসভায় প্রকাশ্যে মাইকিং করে তার ছোট ভাই আনছার মোল্লাকে নির্দেশ দেয় যে, সাংবাদিক নাসিরকে থামাতে হবে। সে বিভিন্ন সময়ে আমাদের বিরুদ্ধে নানা নিউজ করে রাজনৈতিকভাবে আমাদেরকে হেয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রাতে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে তিনি আশংকা করছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
মেয়র পুত্র মাসুদ মোল্লা জানান, আমি ঘটনার সময় লোকমুখে শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক নাসির বিপ্লবসহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। আমি এ ছাড়া কিছুই জানিনা।
আনসার উদ্দিন মোল্লা জানান, সম্পুর্ন ঘটনাটি একটি সাজানো নাটক, সালাম গাজিকে মারধর করার বিষয়ে শালিশ বাঞ্চাল করতেই এই মিথ্যাচার। ঘটনা থামাতে গিয়ে উল্টো আমি মারধরের শিকার হয়েছি।
মহিপুর থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আহতদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কপিরাইট © 2020 বাংলারচোখ.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com