banglarchokh Logo

পদ্মা সেতু দৃশ্যমান ৩কিলো ১৫০ মিটার

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ.মাওয়া মুন্সীগঞ্জ থেকে
বাংলার চোখ
 পদ্মা সেতু দৃশ্যমান ৩কিলো ১৫০ মিটার

দেশের বৃহত্তম ও  প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জের  অবকাঠামো পদ্মা সেতুর ২০তম স্প্যান উঠে  বসেছে  ।আজ ১৪ ( জানুয়ারী ) মঙ্গলবার দুপুর ২টায় । এ বছরের প্রথম, এ দিনটিতে ।
এর মধ্য দিয়ে প্রথম বারের মতো এতো অল্প সময়ের মধ্যেবসলো সেতুর ৪টি স্প্যান।অর্থাৎ এক মাসের বেবধানে। সেতুর ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের উপর নতুন এ স্প্যান টি উঠে  দৃশ্যমান হলো প্রায় অর্ধেকের বেশি পরিমান যা পুরো ৩ কিলোমিটারের অধিক ১৫০মিটারে। শীতে  প্রতিদিনের মতো সকালে কুয়াশা, এতেকিছুটা  সমস্যা সৃষ্টি করলে ও তা বড় কোনো বাধা হয়নি ।
পদ্মার বুকে পিলার গুলো(পিয়ার)প্রস্তুত সম্পূর্ণ থাকায় গত মাসের নভেম্নর ও ঢিসেম্বরে সংশ্লিষ্টদের ঘোষণা দেয়া ছিল পুরো, ওই সময়ে বসানো হবে ৩টি স্প্যান।  ১১ ও ১৮ তারিখে বসানো হয়েছিল  দুটি স্প্যান। তৃতীয় স্প্যানটি কবে বসানো হবে, তা নিয়ে ছিল অপেক্ষা সে সময়।


এর আগে কোনো কোনো মাসে দুটি করে স্প্যান বসানো গেলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি স্প্যান বসানো যায়নি তবে এবার পদ্মা সেতুর  কাজে গতি বাড়ায়  সেটি সম্ভব হয় কর্তৃপক্ষের, তিনটি  স্প্যােনে।
যেমন আজ জানুয়ারি মাসের রানিং ১৪ দিন হলেও  চলতি মাসেই এ স্প্যান বসানোর প্রস্তুতি হলো পুর্ব  সিডিউল অনুযায়ী। এদিকে মাঝনদীতে সেতুর ৪ নম্বর মডিউলের ৬টি স্প্যানের মধ্যে আগেই বসানো আছে ৪টি। সবশেষ ১০তম স্প্যানটিও বসানো হয়েছে এখানে। বর্তমানে দৃশ্যমান এপারে র৷  (জাজিরা)  প্রান্তে আগের দশটির সঙ্গে এটি যোগ করে মোট ১১ টি  যোগ হয়ে এখন স্থায়ীভাবে বসানোর কাজ শেষ।
তাতে নদীরবুকে এখন কিছুটা কুয়াশা থাকলেও দূর থেকে প্রায়ই এস আকারে অকাশী রংএর ব্যনার জোরানো,এক দৃশ্য,দেখা মিলে।বাস্তবতার ফলক দেখতে শুরু করেছে এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিকে পদ্মাসেতুর সহকারী প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন ২১তম স্প্যানটি ৩হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার `তিয়ান-ই` ভাসমান ক্রেনে করে প্রতিটি স্প্যানএর  মতই মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে সকাল সাড়ে  ৯ টায় বহন করে নিয়ে এসে ৩২-৩৩ নম্বর  পিলারে কাছে রাখা হয়  বেলা ১১টার দিকে।
প্রায় সাড়ে ৩ঘণ্টা চেষ্টার পর তা দুপুর  ২,৩০ মিনিটে বসানো হয় স্প্যানটি।
প্রতিটি স্প্যান ১৫০মিটার দীর্ঘ ও ৩ হাজার ১৪০ টন ওজন। মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ২১টি বসানোর মধ্য দিয়ে এবার স্পর্শ করা হয় প্রায় অর্ধেকেরবেশি  সেতু দৃশ্যমান  মাইল ফলক।
প্রাথমিকভাবে গত মাসে ২৯ ডিসেম্বর আরো একটি  স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা করা হলেও হঠাৎ শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে নদীতে নৌযান চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে  সে সিডিউল পিছিয়ে যায় অর্থাৎ  স্প্যান বসানোর কাজ। এবার কুয়াশাকে হিসেবের মধ্যে রেখেই নতুন পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে আরো জানান প্রকল্প  সংশ্লিষ্ঠরা। সেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে ৩৬টির নির্মাণ কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। বাকি পিলারগুলোর কাজও শেষের দিকে ।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কপিরাইট © 2020 বাংলারচোখ.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com