banglarchokh Logo

তিস্তার পানি কমলেও এক দিনের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক

নীলফামারী প্রতিনিধি
বাংলার চোখ
 তিস্তার পানি কমলেও এক দিনের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক

 তিস্তা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। এদিকে তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এক দিনের বন্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন অবকাঠামো, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১২ চর এলাকার বসতবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম জানান, আকস্মিক উজানের পাহাড়ী ঢলে বুধবার সকাল ৯টা থেকে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরবর্তীতে দুপুর ৩টায় পানি বেড়ে ৭০ সেন্টিমিটার মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানির তীব্র শ্রোতে বুধবার সকাল ৯টায় বিধ্বস্থ হয় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গ্রোয়েন বাঁধ। এতে ওই এলাকার শতাতিক বসত ঘর, আসবাবপত্র, ফ্রিজ, টেলিভিশন ও মোটরসাইকেল পানিতে ভেসে যায়। এরপর সকাল ১১টায় তিস্তা ব্যারাজের ফ্লাড বাইপাস সড়কের প্রায় ৩’শ মিটার ভেঙ্গে যায়। ফলে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার সড়ক পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র মতে, একদিনের স্মরণকালের এই বন্যায় নদী রক্ষার বাইপাস সড়ক, ৯টি স্পার্ক, ক্রস ও গ্রোয়েন বাঁধ বিধ্বস্থ হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
এদিকে তিস্তার বন্যায় নীলফামারী জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১২ চরের শতশত হেক্টরের ভুট্টা, উঠতি আমন ধান,শাক সবজী, পুকুরের মাছ, বসতঘর ও আসবাসপত্র ভেসে গেছে ও বিনস্ট হয়ে ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদ্দৗলা বলেন,তিস্তার পানি কমলেও বুধবারের বন্যায় তিস্তা অববাহিকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কপিরাইট © 2022 বাংলারচোখ.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com