Banglar Chokh | বাংলার চোখ

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাটাই পশ্চিম পাড়া অনিরাপদ হয়ে উঠেছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে মোঃরাশেদ

প্রকাশিত: ২০:৩৪, ১০ আগস্ট ২০২২

আপডেট: ২০:৩৫, ১০ আগস্ট ২০২২

দিনের পর দিন অনেকটাই অনিরাপদ হয়ে উঠছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই পশ্চিম পাড়া। বিভিন্ন সময়ে বাসা বাড়ি থেকে স্বর্ণা লঙ্কার ও নগদ টাকা চুরি এবং মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকার মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এমনকি কেউ নিরাপদে বাড়ি ছেড়ে অনত্র যেতেও ভয়ে থাকছেন। অনেকে রয়েছেন যারা পালাক্রমে চুরির শিকার হয়ে এখন নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন।

 জানা যায়, গেল ২ আগস্ট নাটাই পশ্চিম পাড়ার সফরের বাড়ির ব্যবসায়ী হাফেজ মিজানুর রহমানের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার বাড়ি থেকে স্বর্ণসহ ব্যাপক মালামাল ও নগদ টাকা লুটে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী হাফেজ মিজানুর রহমান জানান, নাটাই পশ্চিম এলাকায় চুরির ঘটনা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি আমি আমার পরিবার নিয়ে শ^শুড় বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ছিলাম। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা আমার বাড়ির কলাপসেবল
গেট ও দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার ৫ ভরি স্বর্ণ্যালংকার লুটে নিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে চুরি হওয়ার বিষযটি জানতে পেরে আমি বাড়িতে এসে পুরো ঘরকে লন্ডভন্ড অবস্থায়
দেখতে পাই। প্রতিবেশীর কাছ থেকে জানতে পারি, ১০/১২ জন দুর্বৃত্ত একটি সাদা মাইক্রোতে করে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। তবে সে সময় দুর্বৃত্তরা সংখ্যায় বেশী হওয়ায় কেউ সাহস করে এগোতে পারেনি। এর আগেও গেল ১৯ জুন আমার বাড়ির সামনে থেকে আমার টিভিএস এপাচে মডেলের একটি মোটর সাইকেল চুরি হয় এবং ২০২০ সালে আমার বাড়ির সামনে থেকে পালসার মডেলের মোটরসাইকেল চুরি করে নেয়। আমি প্রত্যেকটি ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু তেমন কোন কাজে আসেনি। এখনো পর্যন্ত একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। আমি আমার পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকে রয়েছি।

এছাড়াও বটতলী ভুইয়া বাড়ির হারুন মিয়ার বাড়িতেও জুলাই মাসের ৭ তারিখ ভয়াবহ চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় চোরেরা তাদের বাড়ি থেকে অন্তত ১৫ ভরি স্বর্ণ্যালংকারসহ নগদ ৬০ হাজার টাকার মত লুটে নেয়।

অন্যদিকে শহরেও বেড়েছে ছিচকে চুরি। শহরের চোর চক্র ভাঙ্গারির দোকানগুলোতে চোরাই পন্য সামগ্রী বিক্রী করছে বিশেষ করে কালাইশ্রী পাড়ায় ক আদ্যক্ষের দোকানে প্রতিদিন ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ভাঙ্গারির সামগ্রী কেনা বেচা চলে।
সরকারি বিভিন্ন স্থ্ধাসঢ়;পনার জিনিসপত্র ওই দোকানে বিক্রী হয় অবাধে। সম্প্রতি সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করলেও কয়েকদিন পরেই ছাড়া পেয়ে যায়। আবার শুরু করে চোরাই পন্য বেচা-কেনা।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়