Banglar Chokh | বাংলার চোখ

নীলফামারীতে ৫ বছরেও সংস্কার হয়নি হেলে পড়া সেতুটি

আব্দুল গফুর,নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০১:৩০, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

আপডেট: ০৬:৪২, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

নীলফামারীতে ৫ বছরেও সংস্কার হয়নি হেলে পড়া সেতুটি

নিজস্ব ছবি

৫ বছর আগে বন্যায় নীলফামারীর জলঢাকা ডাউয়াবাড়ীতে হেলেপড়া সেতুটি আজও সংস্কার হয়নি। এতে করে চলাচলে এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। 
জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১ নং ডাউয়াবাড়ি চরভরট এলাকার সেতুটি ২০১৭ সালের ১০ আগষ্ট বন্যার পানির স্রোতে একদিকে হেলে পড়ে  চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, বাজার ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র সড়ক ছিল এটি। আর চলাচল অনুপযোগী সেতুটি রয়েছে এই সড়কে। তারপরেও মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেতুর ওপর দিয়ে  চলাচল করছে। এলাকাবাসির অনেক আবেদন-নিবেদন করার পরেও এখন পর্যন্ত সেতুটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
 
স্থানীয় বাসিন্দা জিয়া জানান, আমাদের নেকবক্ত ও উপজেলা বাজারের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম এই সড়ক। আর এই সড়কের ওপর নির্মিত সেতুটি ত্রাণের টাকায় নির্মিত হয় ২০১৭ সালে। সে সময় বন্যার পানিতে সেতুটি হেলে পড়লে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে। সড়ক ও সেতু  চলাচল উপযোগী করতে এলাকাবাসী সাহায্য সহযোগিতায় সেখানে বালু ফেলা সহ বাঁশের ও কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। সেই বালুও গতবারের বন্যায় নষ্ট হয়ে সেতু আরো হেলে পড়লে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বর্তমান বাঁশ ও কাঠের  সেতুটিও ঝুঁকিপূর্ণ। এলাকাবাসিকে বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমে বিকল্প পথে দুই কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হয়। 

ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মুকুল বলেন, সেতুটি হেলে পড়ার দিনেই তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তরকে  জানানো হয়েছিল। সেই সময় তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো সহ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।কিন্তু ৫ বছর হয়ে গেলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা  জানান, গত  ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ত্রাণের ১২ লাখ টাকায় এ সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১৭ সালের মে মাসে কাজ শেষ হয়। সেই সময় বন্যার পানিতে সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল।
 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়