Banglar Chokh | বাংলার চোখ

ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীন

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২:১৯, ৫ আগস্ট ২০২২

ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীন

ছবি

চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলায় শেরপুরে বিপ্লব মিয়া (৩৮) নামে এক যুবকের যাবজ্জীন সশ্রম কারাদ- এবং ১০ হাজার অর্থদ-, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩ আগস্ট) বিকালে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আখতারুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দন্ডিত  বিপ্লব নালিতাবাড়ী উপজেলার নিলামপট্টি এলাকার খলিলুর রহমানের ছেলে ও পেশায় একজন মুদি দোকানী। একই সাথে ট্রাইব্যুনাল মামলার অপর আসামি রমজান আলীকে (৪৮) অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া বুলু জানান, ২০১৮ সালের প্রথম দিকে এক শুক্রবার বিকালে নালিতাবাড়ী শহরের সিটপাড়া নদীরপাড় এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী পার্শ্ববর্তী তারাগঞ্জ উত্তর বাজার পুরাতন অগ্রণী ব্যাংকের সামনে খালি বোতল কুড়াতে যায়। এ সময় ব্যাংকের সামনে বসে থাকা মুদি দোকানী বিপ্লব মিয়া খালি বোতল দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে ব্যাংকের পিছনে খালি জায়গায় নিয়ে ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। কিন্তু নানা চাপ ও হুমকির মুখে ওই নারী প্রথমে তা চেপে গেলেও পরবর্তীকালে অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়লে সে মুখ খুলে এবং বিপ্লবসহ একই কায়দায় ধর্ষণের শিকার হওয়া রমজান আলীর বিরুদ্ধে ওই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার কিছুদিন পর পুলিশের হাতে রমজান আলী গ্রেফতার হলেও ডিএনএ টেস্ট পরীক্ষায় সে ওই নারীর গর্ভজাত সন্তানের জৈবিক পিতা প্রমাণিত হয়নি। পরে তদন্ত শেষে ২০২০ সালে ১৫ জুন ওই ২ আসামির বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল ওয়ারেস। অন্যদিকে বিপ্লব মিয়ার অনুপস্থিতিতেই আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিচার কার্যক্রম শুর হয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলার বাদী-ভিকটিম, চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়