১৭ জুন ২০২১, বৃহস্পতিবার ০৮:২৮:১৭ এএম
সর্বশেষ:

১৪ মে ২০২১ ১১:২০:৪৮ পিএম শুক্রবার     Print this E-mail this

মুনাফিকদের স্থান আস্তাকুড়ে

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী
বাংলার চোখ
 মুনাফিকদের স্থান আস্তাকুড়ে

মুনাফিকদের জন্যেই কি বার বার মানবিক বিপর্যয় ও গজব!১৯৪৭ সালের দিকে জার্মানের হিটলারের ইহুদী নিধনের সময় কিছু ইহুদী পালিয়ে গিয়ে ইসরাইলে আশ্রয় গ্রহণ করে! এক পর্যায়ে তারা ঐ এলাকায় দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে।কিন্তু হিটলার তখন বলে ছিলো এরা কি নোংরা যারা বেঁচে আছে তারা বুঝিয়ে দেবে।আজ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ গুলোতে তারা খৃষ্টান, হিন্দু সহ ইসলামবিদ্বেষী জনগোষ্ঠীকে দিয়ে সন্ত্রাসী,জঙ্গি, মাদক সহ সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।ইসলামের অনুসারী আল্লাহ পাকের নির্দেশনা ও হুজুর পাক সাঃ এর উম্মতদের উপর মিথ্যাচার করে জুলুমের পরিবেশ নিশ্চিত করতে মুনাফিকরাই সহযোগিতা করে।এই মুনাফিকরা নিজেদের মুসলমান দাবী করলেও প্রকৃত অর্থে তারা আল্লাহ পাক নির্দেশনা অনুযায়ী মুসলমান নয়!কারণ তারা সব সময় মুসলমানদের চরিত্রহননের পথ অনুসরণ করে। তারা মুসলমানদের চরিত্র হনন করতে গিয়ে আল্লাহ পাকের কাছে,অভিশপ্ত ও যাদের স্বার্থে মুসলমানদের চরিত্রহননের কাজটা করে,তাদের কাছে গোলামের চাইতে নিকৃষ্ট হিসাবে বিবেচিত হয়। আর এই মুনাফিকদের লক্ষ থাকে মানবতাকামী,দেশপ্রেমিক ও আল্লাহভীরুদের চরিত্র হনন।মুসলিম বিশ্বের কিছু নেতা মুনাফিক হওয়ার কারণে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। যার কারণে জনগনের কল্যান লাঠির মাধ্যমে বাস্ত বায়ন করতে গিয়ে,সমাজ ও মানবতাবিরোধী অপরাধীরা নিরাপদ থেকে যাচ্ছে। শান্তি চাইলে শান্তি ও কল্যানের পথ আল্লাহ তালার নির্দেশনা এবং হুজুর পাক সাঃএর প্রদর্শিত পথ যারা দেখান তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারকারীদের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হলে শান্তি অসম্ভব। পৃথিবীর সকল সন্ত্রাসীদের আত্মরক্ষার অধীকার থাকলেও!শান্তি প্রতিষ্ঠাকারীদের কেন আত্মরক্ষার বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নাই এটার উত্তর খুঁজে পেলেই শান্তি ফিরে আসবে। পৃথিবীতে মুসলমানরাই একমাত্র জুলুমের স্বীকার। এর উত্তর খুঁজে বের করতে হবে? বাংলাদেশের মানুষ চারদলীয়জোট এর ক্ষমতা গ্রহনের পর যখন রাজনৈতিক স্ফীতিশীলতা ফীরে পায়,আইনের শাসন, ন্যায় বিচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, আর্থসামাজিক উন্নয়নের পথে যখন দেশ অগ্রসর হচ্ছিলো! ঠিক তখনই চারদলীয়জোট জোটের প্রধান আই কোন আনোয়ার জাহিদকে অত্যান্ত কৌশলে ছুড়ে ফেলা হয়।তারপর জোটের আকার বৃদ্ধির নামে ঐ মহলের গোলাম বা কৃতদাসদের অনুপ্রবেশ ঘটানোর মাধ্যমে চরম বিপর্যয় ঘঠায়!আর যার পরিনতি জোটের আস্হা ভাজনদের কাল্পনিক অভিযোগে অভিযুক্ত করার আগে ঈমানদারদের নিশ্চিহ্ন অভিযান শুরু হয়।বাকীরা থাকে নিরব দর্শক! তারপর শুরু করে ঐক্যের স্হানকে নিয়ন্ত্রণের কাজ!পাশাপাশি শিক্ষা,সাংসকৃতি সহ মৌলিক অবকাঠামো ধ্বংস করা!সব প্রক্রিয়ার এখন শেষ পর্যায়ে? এর মধ্যে জোটের মধ্যে বিভক্তি আর নতুন জোট গঠন করে কানাকে হাতির চার পা দেখানো শুরু ও সফল হয়েছে।আজকে সকল বিপর্যয় থেকে মুক্তি পেতে হলে যত তারাতাড়ি সম্ভব চারদলীয়জোট জোটের বিভক্তি দুর করে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।তা না হলে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব,নিরাপত্তা, ন্যায় বিচার,আইনের শাসন,মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কোনটাই আর অবশিষ্ট থাকবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করে পর্যবেক্ষক মহল ও ভুক্তভোগী মহল।দেশকে এই সংন্কট থেকে উত্তরণ করতে হলে প্রকৃত বন্ধুদের সাথেই ঘনিষ্ঠ হতে হবে।আর সেখানেই জাতীর মুক্তি, সংসদীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তার মুক্তি, বিদেশে জীবন রক্ষার জন্যে যারা প্রবাশ জীবন বেছে নিয়েছে,তাদের পক্ষে ফিরে আসা সম্ভব, এমন মন্তব্য মানব প্রেমিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের?আপনি কি ভাবছেন মন্তব্য করবেন কি?

লেখক: মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close