২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার ১১:২২:০৮ পিএম
সর্বশেষ:

২২ জুন ২০২১ ১০:৪২:৫৭ পিএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

পলাশীর ট্রাজেডি থেকে শিক্ষাই শান্তির পথের সন্ধান মিলবে!

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী
বাংলার চোখ
 পলাশীর ট্রাজেডি থেকে শিক্ষাই শান্তির পথের সন্ধান মিলবে!

২৩ জুন ১৭৫৭ পলাশীর প্রান্তরে খৃষ্টান, ইহুদী, নাছার,আর মূর্তিপূর্জারীরা মুনাফেক মীর জাফরের মাধ্যমে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে শুধু হত্যাই করে নাই,তারা স্বাধীনতা, সার্বাভৌত্বকে শৃঙ্খলিতই করে নাই! এ অন্চলের শান্তি বিঘ্ন করতে মুসলমানদের চরিত্রহন,আর জুলুম,নিপীড়ন নির্যাতনও চালায়। ২৬৪ বছর আগে এ অঞ্চলের মানুষকে গোলামির জিঞ্জির পরায়! তা থেকে এই জাতি আজও মুক্তির পরির্বতে আরো কঠিন ভাবে জিন্জিরে আবদ্ধ হচ্ছে? সেদিন অত্যান্ত সুক্ষ ভাবে মুসলমানদের মাথায় কাঠাল ভেঙে হিন্দুজুলুম বাজদের উপর মুসলমানদের জমিদারিত্ব কেড়ে নিয়ে হিন্দুদের হাতে হস্তান্তর করে!তারপর ইতিহাসে মুসলমান অবদান খুব ঠান্ডা মাথায় সরিয়ে রাখে। বিমল মিত্র সহ অনেকেই নবাব সিরাজ উদ দৌলাকে নিয়ে বিকৃত ইতিহাস উপস্হাপন করে। অবিভক্ত ভারতবর্ষে মানুষে মাসে বিভক্তি করন শুরু হয়।মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি রেখাটানতে সুকৌশলে পীর প্রথাচালু করে।কিন্ত কিয়ামতের দিন কঠিন সময় এক আল্লাহ্ আর দয়ার নবী করিম সাঃ ছাড়া সবাই ইয়া নফসি ইয়া নফসি করবেন।এখানে পীর দাড়ঁ করিয়ে দিয়ে মুসলমানদের মাঝে অত্যান্ত সুকৌশলে মাখাল ফলের গাছ লাগিয়ে দিল।আজও মাখাল ফলের কারণে দূর্বৃতদের মিথ্যাচারের জন্যে ও রহমত থেকে বঞ্ছিত। ইষ্ট ইন্ডিয়ান কোম্পানি ও বৃটিশ উপেনিবেশিক শাসন এর লক্ষই হলো মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি আর সামাজিক বৈষম্য সৃষ্টির মাধ্যমে আল্লাহ তালার ঘোষিত ইহুদীদের কোন রাজ্য থাকবে না,এই ঘোষনাকে চ্যালেঞ্জ করে ইহুদীদের কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। আজ অধিকাংশ মুসলিম রাষ্ট্র ইসরাইলের প্রতি দূর্বল হওয়ার কারণে মুসলমান সহ সাধারণ মানুষ জুলুমের স্বীকার। কিছু বিষয়ে পরিস্কার হওয়া দরকার,সেটাই উপস্হাপন করার চেষ্টা করবো মাত্র,তথ্য গত কমতি থাকলে পাঠক কিছু মনে করবেন না।প্রথমতো খাজা গরীবে নেওয়াজ মঈনুদ্দুন চিশতি (রহঃ),খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়া, হযরত বু আলী(রহঃ),হযরত শাহ জালাল-হযরত শাহ পরান - হযরত মহসিন আউলিয়া-হযরত শাহ আমানত উল্ল্যাহ-হযরত বাইয়জিদ বোস্তামী-হযরত শাহ মখদুম-শাহ ফতেহ আলী-খাজা খান জাহান আলী-কুষ্টিয়ার হযরত নফর শাহ-পাবনা চকদুবলিয়া গোরস্হানে শুয়ে আছে কারী সেকেন্দার আলী, হযরত খাজা শরফুদ্দিন চিশতী,হযরত শাহ আলী বোগদাদী (রহঃ) হযরত কুমির শাহ, হযরত লালা শাহ, হযরত গোলাপ শাহ (রহঃ) সহ ৩৬০ আউলিয়া কি একজনও মুরিদ করেছেন একটু অনুসন্ধান করে দেখুন।বরং তারা জালেমের জুলুম, নিপীড়ন,নির্যাতনের বিরুদ্ধে লড়াই করে মহান আল্লাহ পাকের প্রদান কৃত মজুলুমের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন!বিশ্বনবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুনিয়া ত্যাগ করার মুহূর্তে বলে গেলেন আমার উম্মতদের সালাতের প্রতি কঠোর হতে হবে।আর কোরান আর আল হাদিস উপর নির্ভরশীল থাকতে হবে। আর তাই উপনিবেশিক দখলদাররা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে অত্যান্ত কৌশলে পীর প্রথা চালু আর তাদের দিয়ে সুন্নী আর ওয়াবী ফেতনা চালু করে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি রেখা টেনে দেওয়ায় নিজেদের অপরাধ মুসলিমদের ঘারে চাপিয়ে দিয়ে,একদিকে ভাল মানুষ সেজে গেলো! অন্যদিকে তারা সমাজটাকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে আতংকের মধ্যে ঠেলে দিলো। তারপর তারা নিজেদের নিরাপত্তার জন্যে জনগনের অর্থ দিয়ে পুলিশ বাহিনী গঠন করলো, এ বাহিনীর কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্যে নীতিমালা মালা প্রণয়ন করে।যে নীতিমালা মালা সাধারণ মানুষের কোন নিরাপত্তা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এর কোন বিধান রাখলো না!দখলের ২৬৪ বছর দুইবার ভারতবর্ষের বাংলাদেশ দুইবার স্বাধীন হলো কিন্তু সাধারণ মানুষের কোন অধীকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে কি?১৯০বছর পর দখলদার বৃটিশ থেকে একবার স্বাধীনতা পেলাম,এর পর ১৯৭১ সালে আরেক বার স্বাধীনতা হলো।সব সময় মিত্র হলো শত্রুর আর শত্রুরা স্বঘোষিত মিত্র হলো। কিন্তু স্বঘোষিত মিত্রদের দেশের মুসলমানরা যেমন মজলুম, তেমনি অন্য দেশ গুলোতেও?আজ লক্ষ করতে হবে কাশ্মীরের মুসলমান, ফিলিস্তিন মুসলমান সহ বিশ্বের মুসলমানরা কমবেশীই একই রকম জুলুমের স্বীকার। আর অদৃশ্যে থেকে যারা মুসলমানদের উপর জুলুম করাচ্ছে তারা ইহুদী, খৃষ্টান, মূর্তিপূজারী,নাছারাদের স্বপ্ন বা পরামর্শ বাস্তবায়ন করছে মুনাফেক বা লেবাসধারীরা?আজকে মির্জাফর তাদের একজন? পরিস্কার হওয়া দরকার দেশপ্রেম না থাকলে সকল চাপ প্রয়োগই ব্যার্থত্বায় পর্যবশিত হয়।আজকে হিন্দুস্হানের উচ্চ আদালত মীরজাফরকে নবাব ঘোষণা দিলেও জনগন তাকে মিরজাফরের অতিরিক্ত কিছু বলে না।নবাব সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার অপপ্রচার করেও কোন লাভ হয়নি?বরং মুসলমানরা তার কবরের কাছে গেলে কবর জিয়ারত করে,মহান আল্লাহ তালার দরবারে তার জন্যে ক্ষমা চায়,কবরে জান্নাতি বাগান ও জান্নাতুল ফেরদৌস প্রদানের জন্যে আল্লাহ তালার দরবারে প্রার্থনা করে।বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব আছে এ অঞ্চলের মানুষের হৃদয়ে,আর মীর জাফর ঘৃনিত ব্যাক্তি।আজ এই ঘৃনিত মহলটি বিশ্বজুড়ে মানবিক বিপর্যয় ঘটিয়েছে। এ অবস্হা থেকে মুক্তি পেতে আল-কোরান,আল হাদিস অনুসারে করে রাষ্ট্র চালানোর ব্যাবস্হা হয় তাহলে করোনা সহ সকল গজব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জালেমের জুলুম আর মজলুমের আহাজারি দেখতে হবে না।অসাম্য দুর হবে সাম্য প্রতিষ্ঠা হবে্। আজকে আমাদের উপলব্ধিতে আসতে হবে কোরাআন-আর আলহাদিসই কেবল সকল মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে।

লেখক, সাংবাদিক এবং চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close