২২ অক্টোবর ২০২১, শুক্রবার ০৭:২৬:০৫ এএম
সর্বশেষ:

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:৩৬:০৯ এএম মঙ্গলবার     Print this E-mail this

বিশ্বের গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার হরণকারীদের ঠাকুর রেখে শাসক পরিবর্তনে নয়া প্রচার

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী,
বাংলার চোখ
 বিশ্বের গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার হরণকারীদের ঠাকুর রেখে শাসক পরিবর্তনে নয়া প্রচার

আজকে লেখার শুরুতেই মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর একটি ঘটনা উল্লেখ করতে চাইঃ-হযরত ইব্রাহিম (আঃ) কোন দিন অতিথি ছাড়া আহার করতেন না।তার কাছে একদিন একক্ষুধার্ত মানুষ এসে খাবার চাইলেন।মুসলিম জাতির পিতা আনন্দের সাথে নিজ ঘরে নিয়ে একসাথে খেতে বসলেন।কিন্তু খাবার শুরুতে মুসলিম জাতির পিতা বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম বলে শুরু করেন।কিন্তু তিনি লক্ষ করলেন তার মেহমান বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম না বলেয় খাবার খেতে শুরু করেছে। হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তাকে প্রশ্ন করলেন আপনি আল্লাহ তালার নাম না পড়ে খাবার শুরু করলেন।আগন্তুক বললো সে ইহুদী হযরত ইব্রাহীম (আঃ) তার সামনে থেকে খাবার সরিয়ে নিয়ে তারিয়ে দিলো। আল্লাহ পাক সঙ্গে সঙ্গে হযরত ইব্রাহীম (আঃ)কে বললেন আমার শুকরিয়া আদায় না করলেও আমি তার সব অভাব মিটাই আর আপনি আমার দান খাবার থেকে তাকে বিরত কি ভাবে করলেন।হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এই নির্দেশনা পেয়ে দৌড়ে গিয়ে, সেই ক্ষুধার্ত অতিথির কাছে ক্ষমা চাইলেন এবং ফিরিয় এনে আতিথিয়তা করলেন।এখনা আল্লাহ পাক মুসলিম জাতির পিতার মাধ্যমে শিক্ষা দিলেন,কোন মানুষে মানুষে বিভেদ বা দুরত্ব নাই।আজ ইহুদী, নাছারা,খৃষ্টান, মূর্তীপূজারীরা মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন নিপীড়ন করতে সংখ্যাগরিষ্ঠ আর সংখ্যালঘু বানিয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে। আর তাদের নিরাপত্তার দেওয়াল হিসাবে জাতিসংঘ খুব নিপুণ ভাবে কাজ করে চলেছে। বিশ্বনবী বিশ্বমানবতার নেতা দয়াময় আল্লাহ তালার প্রিয় হাবিব সাঃকে যখন আল্লাহ পাক জানিয়ে দিলেন,দয়ার নবীর গোষ্ঠী বা কাওয়মে আল্লাহ তালার কাছে আত্মসমর্পণ করার আহবান জানাতে। দয়াল নবী করিম (সাঃ) এক পাহাড়ের পাদদেশে তার গোষ্ঠীর সকলকে একত্রিত করে বললেন,আমি যদি বলি পাহাড়ের অপপাশে আমাদের উপর হামলা করতে অস্ত্র স্বস্ত্র সহ শক্ররা অপেক্ষা করছে,আপনারা কি তা বিশ্বাস করবেন।দয়ার নবীর গোষ্ঠীর সকলে সমস্বরে বলে উঠলো হে রহমাতুল্লিল আল-আমিন কোন দিন মিথ্যা বলেন নাই,বলতে পারেন না।আমরা আপনার কথা বিশ্বাস করি।যেই বিশ্ব নবী (সাঃ) ঘোষণা দিলেন,এই বিশ্বভুমন্ডলের মালিক দয়াময় আল্লাহ তালার পথে ফিরে না আসলে অপ্রতিরোধ্য আল্লাহ তালার বাহিনী আমাদের গ্রেফতার করবে। তখনই কিছু মানুষ যারা অস্বচ্ছ জীবন-যাপনে অভ্যাস্ত তারা ক্ষীপ্ত হয়ে উঠলেন আর আবু লাহাব দয়ার নবী বিশ্বমানবের নেতার উপর একটুকরা পাথর নিক্ষেপ করলো,কিন্তু পাথরটা দয়ার নবীর গায়ে লাগে নাই।কিন্তু আল্লাহ তালার সহ্য হলো না তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করে দিলেন আবু লাহাব ও তার বংশ ধ্বংস হোক।দয়ার নবী বিশ্বের সকল মানুষের আল্লাহ তালার দেওয়া অধিকার প্রতিষ্ঠা ও আল্লাহ তালার রাস্তায় আহবান করার কারণে দুই বছর কারাভোগ করেছেন।জালেম ও মানুষের অধিকার হরণ কারীদের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে জুলুম,নিপীড়ন, নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন।জালেমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। লেখার মুল বিষয়ে যাওয়ার আগে বিশ্ব মানবতা প্রতিষ্ঠার বিশ্বনেতা আর মুসলিম জাতির পিতার শিক্ষানীয় বিষয়টা উল্লেখ করলাম।শারীরিক ভাবে অসুস্থ ঘন্টা বেজে গেছে গাড়ি আসলেই বোধহয় মূলগন্তব্য চলে যেতে হবে।তাই এই লেখা শেষ না আরো লিখার সুযোগ পাবো আল্লাহ পাক জানেন।তবে সবার কাছে আল্লাহ তালার ওয়াস্তে ক্ষমা চাই,দোয়া চাই মহান মালিক আমাকেসহ সকল উম্মতি মোহাম্মদী (সাঃ)কে ঋণ ও অভাব মুক্ত মানবিক জীবন সহ হজ্ব আদায়ের পর শাহাদাৎ এর মৃত্যুদেন। এখন আমি রক্ত দিয়ে কেনা স্বাধীন দেশের স্বপ্নদ্রোষ্টা,রুপকার, স্হপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গনতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া উর রহমান, দেশমাতৃকা জন্যে নিজের জীবন উৎসর্গকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে মহান আল্লাহ পাকের কাছে ক্ষমা চেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস এর প্রার্থনা করছি।রক্ত দিয়ে কেনা স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার আর ধর্মীয় অধিকার হুমকির মুখে! কিন্তু এত রক্তের বিনিময়ে যে স্বাধীনতার লড়াই শুরু হয়,তার লক্ষ ছিলো বৈষম্য মুক্ত,শোষনহীন সমাজ এ ন্যায় বিচার ও আইনের শাসনের মাধ্যমে একটা সভ্য স্বাধীন দেশের আত্মমর্যাদাশীল নাগরিক হওয়। কিন্তু বিজয়ের আত্মসমর্পণ দলিলে যেমন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল অবঃ এম,এ,জি ওসমানীকে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আসতে দেওয়া হলো না! আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের উপপ্রধান এ,কে,খন্দকার উপস্থিত থাকলেও তার কাছে আত্মসমর্পণ করানো হয় নাই!বিজয়ের প্রাক্কালের মিত্র সাজা ইন্ডিয়ার জেনারেল অরোরা কাছে!ওদিকে দিল্লীর পালামেন্টে তখনকার তাদের প্রধানমন্ত্রী বলেন হাজার বছর কা বদলা লিয়া!এই যে বদলা লিয়া শুরু হলো আজও তা অব্যাহত।স্বাধীনতার লড়াই নয় এ যেন ইসলাম,মানবতা,আইনের শাসন,ন্যায বিচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাম্য ও বহুমতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ হয়েছে।স্বাধীনতার পরবর্তী প্রথম প্রহরে রবীন্দ্র নাথ সহ সাম্প্রদায়িক শক্তির চক্ষু শূল ঐতিহ্যবাহী প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে রাব্বি যিদনী ইলমা সরিয়ে দেওয়া হয়।তারপর শুরু মানুষের অধিকার বাক ব্যাক্তি,গণমাধ্যম ও সংগঠন করার অধিকার হরণ করার প্রক্রিয়া। ২২ জানুয়ারী ১৯৭২ মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী গৃহবন্দী থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরিই জাতিকে সাবধান করে দিলেন"রক্ত দিয়ে পিন্ডি থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি দিল্লীর গোলামীর জন্যে নয়!কিন্তু আজ দিল্লীর নির্দেশনার বাইরে বা তাদের স্বার্থের পরিপন্থী কোন রাজনীতি করার এখতিয়ার কি রাজনীতিবীদদের আছে!সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা উপস্থাপন করে প্রকৃত ঘটনায় যেতে চাই। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশিয়ার নাগরিকদের আধিপত্যবাদ মুক্ত রাখার লক্ষ নিয়ে সার্ক গঠন করে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়ার পরিবার ও তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সার্কে শক্তিশালী করেন, ইন্ডিয়ার আধিপত্য ও আগ্রাসন থেকে দক্ষিণ এশিয়ার জনগনকে মুক্ত রাখতে!কিন্তু বাংলাদেশের জাতিসংঘের কান্ট্রি প্রতিনিধির এক ইমেইল বার্তা মাধ্যমে দেশের গনমানুষের স্বার্থপরিপন্হী দখলদারদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার মঈন উদ্দিন -ফখরুদ্দীন এর পরাধীনতার জিঞ্জির পরানোর শাসন শুরু। এ ক্ষেত্রে মুসলিম গনহত্যায় বিশ্বাসী সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গুলো সমর্থনদেয়। আর জাতিসংঘের ইমেইল বার্তা, জনশ্রুতি অনযায়ী "র" মোসাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ জনগন শান্তির লক্ষে স্বাগত জানায়।দেশপ্রেমিক শক্তির উপর জুলুম নির্যাতন শেষ করে একটা মেরুদণ্ডহীন সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়!তাদের মাথায় কাঠাল ভেঙে খাওয়া শুরু করে।তাদের আধিপত্যবাদ চক্রান্ত প্রতিহত করতে,শাসক আর রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত সেবক বা কর্মচারীদের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে গুম,খুন,অপহরণ, মিথ্যামামলা আর বিচারের নামে হত্যা আটক করে এক আতংক সৃষ্টি করে।একটি স্বাধীন ও মৌলিক অধিকার সম্পূর্ণ দেশে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর অবাধ থাকলে আধিপত্যবাদের আগ্রাসনের কবলে পরতে হয় না।১)ধর্মীয় আদর্শে শিক্ষিত,২) গনতন্ত্র, গণমাধ্যম, আইনের শাসন,ন্যায় বিচারের পরিবেশ নিশ্চিত থাকলে সাম্য প্রতিষ্ঠা হয়,৩)দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার নিশ্চয়তা।কিন্তু এই তিনটিই আধিপত্যবাদের মদদপুষ্ট শাসক ক্ষমায় আসলেই মূল আঘাত করে।যে জন্যে রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে দূর্নীতি অনিয়ম এর পক্ষে সাফাই স্বাক্ষী দেওয়া সম্ভব। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ভানুমতীর জোট হয় জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের প্রধান হন ড. কামাল হোসেন। যিনি সংবিধান প্রনয়ন করে পুরা সংবিধানটাকে অকার্যকর করতে মুল নিতির মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করেন।যার পরিনতি দেশের সবজন সমর্থনহীন এই প্রবীণ আ"লীগ নেতা!অপ্রিয় সত্য হলো দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের সমর্থন পুষ্ঠ দল বিএনপিকে অত্যান্ত সুক্ষ্ম কৌশলে মিত্র থেকে আলাদা করে,তার নিয়ন্ত্রিত ঐক্য ফ্রন্টে নিয়ে,আগের রাতে ভোটে নির্বাচন করিয়ে বিএনপিকে জনসমর্থনহীন করার অপচেষ্টা করলেও,সাংবাদিক ও ভোটারদের কারণে সেটা ব্যর্থ হয় বলে জনশ্রুতি আছে। এই ডক্টর সাহেব বেগম খালেদা জিয়ার মামলায় লড়ার ঘোষণা দিয়ে শেষ পর্যন্ত যান নাই!তাদের আরেকটা উদ্দেশ্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সমসাময়িক সময় সবচাইতে স্বচ্ছ ব্যক্ত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীরকে বিতর্কিত করার চেষ্টাও সফল হয়নি। এদিকে আ"লীগে বাইরে অবস্হানকারী বিভিন্ন ব্যক্তির আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজেদের আসন গুলোর বিনিময়ে বিশ্বের অস্হিতশীল ধ্বংসকারী রাষ্ট্র ও তাদের গোয়েন্দা সংস্হা গুলো বিএনপিকে মিত্রহীন করার চক্রান্তে মেতেছে বলে ব্যাপক জনশ্রুতি শুনা যাচ্ছে।তাদের টার্গেট বিএনপির চেয়ারপার্সন ও জোটনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাকাগারে রেখেও তারা স্বস্তি পাচ্ছে না।বিএনপির কাউন্সিলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচিত হওয়া তারেক রহমান স্বাভাবিক ভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পান।তারপর থেকে আ"লীগ এর বাইরে থেকে আ"লীগকে ক্ষমতায় রাখতে নানা পথ সৃষ্টিকারীদের দুশ্চিন্তা পরে যায়। তারা এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর এর সাংগঠনিক প্রক্রিয়া হতাশ!তাদের টার্গেট এখন গনতন্ত্রের শীর্ষ দুই নেতাকে নিয়ে বির্তক সৃষ্টির কৌশল বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।বাংলাদেশের মানুষ মধ্যমপন্হী অর্থ ইসলামের দর্শনে বিশ্বাস করে বিধায় ১৭৫৭-১৯৪৭-১৯৭১ ইসলামি শক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে ব্যবহার করে ইসলামের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে হেন কুৎসা বা মিথ্যাচার চালানো হয় নাই,তা নয়!কিন্তু পক্ষান্তরে এই দেশের মালিক জনগণ তাদের দিকেই আহবানে সাড়া দেয়? এ দেশের মানুষ সিলেটের কথিত রাজা গৌর গোবিন্দ, খুলনার কষাই প্রতাপ শিং,পাবনার শিথলী বাবু সহ অসংখ্য কষাই বৃটিশ উপনিবেশিকদের দখলদারের আগে পরে সৃষ্টির ইতিহাস জানে। নানা চক্রান্ত গান্ধী, রাবিন্দ্র নাথ গংরা এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি নষ্ট করতেও পারে নাই। একটি পত্রিকায় সাবেক আ"লীগ নেতা বর্তমান একটা ঐক্য সংগঠনের আহবায়ক সাক্ষাৎকারে বলেছেন,বিএনপি যদি জামাত,হেফাজতে ইসলাম ত্যাগ না করে! তাহলে ইন্ডিয়া, মার্কিনরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা বিশ্ব তাদের সমর্থন দেবে না?কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের ঐ সকল নেতাদের কাছে জানতে চায় তারা যদি এই দেশের মানুষের কল্যান চা তাহলে তার এটা প্রথম করুক,যে বাংলাদেশের জনগণের রক্ত ঘাম করা টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাত, চুরি, লুটপাট,, করে,ইন্ডিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা বিশ্বে যেখানেই পাচার করুক না কেন তা বাংলাদেশে ফেরৎ প্রদান।ঐ সকল জনগণের অর্থ আত্মসাতকারীদের তার দেশের আইনে বিচার করে শাস্তি দিয়ে কালো তালিকাভুক্ত করে ফেরৎ পাঠাক।এই দেশের মালিক সাধারণ নাগরিকদের প্রশ্ন এরা তো তারাই যারা ফিলিস্তিনি, কাশ্মির, উড়ুগুয়ে,সিরিয়া, ইয়েমেনের মানুষের রক্ত নিয়ে হুলিয়া খেলছে। এরা কি তারা নয় কূর্দী দিয়ে লিবিয়া ও ইরাকের মানুষের শান্তি আর উন্নয়নে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে!এরা কি তারা নয় যখন মিয়ানমার বা বার্মার মুসলমানদের নির্বিঘ্ন হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান করতে অক্ষম হয়েছেন।এরা তারাই না আফগানিস্তানের জনগণের অধিকার যখন সাড়ে তিন বছর আর ২০ বছর পর দখলদার মুক্ত জনগণের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথে তখন মিথ্যাচারে তাদের স্বার্থ রক্ষার মিডিয়া নামধারী দখলদারদের পক্ষের অপশক্তির স্বার্থে অপপ্রচার করাচ্ছে। তারা এ দেশের জনগণ তাদের কল্যানে কার সাথে থাকলে শান্তিতে থাকবে,সেটা সিদ্ধান্ত দেওয়ার কে?বিএনপি মধ্যম পন্হি একটা রাজনৈতিক দল তার মিত্র, জামাত,খেলাফত মজলিশ, হেফাজত ইসলাম এরাই তো হবে!তারপরও বিএনপিকে কাউন্সিল করতে দেওয়া হয় না,জামাতে ইসলামী সম্পর্কে আমি যতটুকু জানি দলটি নানা জুলুমের পরও কাউন্সিলর বা ভোটারদের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতা নির্বাচন করে।বিএনপির মিত্ররা সকলেই গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাদের নেতা নির্বাচন করে।বিএনপি ও তার মিত্রদের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। তাদের দেশপ্রেম জনগনের কাছে পরীক্ষিত। কিন্তু যারা কে থাকলে সমর্থন দেবে কে থাকলে দেবে না এই বক্তব্যের অর্থ কি দেশটার স্বাভাবিক জীবন যাত্রা কাশ্মীর, ফিলিস্তান,লিবিয়া, ইরাক,সিরিয়া,রোহিঙ্গা মুসলমানদের ভাগ্যবরণ করতে বাধ্য করার চক্রান্ত কিনা? এটা বিএনপিকে বিবেচনা করেই পথ চলতে হবে।কারণ যাদের মাধ্যমে এই সব প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে তারা একটা ইউনিয়নেরচেয়ারম্যান হতে পারবে কিনা,তাদের এলাকার ভোটারদের মধ্যেই সন্দেহ রয়েছে। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন, চারদলীয়জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় যাওয়ার পথে দিনের বেলায় হামলার মুখে পরলেও রাষ্ট্র তার নিরাপত্তার ব্যবস্হা কিংবা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহণের পক্ষে টু শব্দটা করেনি?ওয়ান ইলেভেনে বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দুরে রাখতে সক্ষম না হওয়ায় পরবর্তীতে তাকে জনগণের দৃষ্টিতে অগ্রহন যোগ্য বিচারের নামে সাজা প্রদানের বিষয় সম্পর্কে নিরব।অথচ স্বাধীনতা, গনতন্ত্র, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা গ্রহণ যোগ্যতা আর রাষ্ট্রের বেতনভুক্তদের আত্মমর্যাদা জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী এই দলটি।জামাত,বিএনপি ও তাদের মিত্রদের গ্রেফতার রিমান্ডের বৈধত্বা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে জনগন কখনই দেখে না তারা এই জাতির কল্যানে কোন পরামর্শ দিতে পারে এটা নাকি জনগণের প্রতিপক্ষ আর তাদের গোলাম ছাড়া অন্য কেউ বিশ্বাস করে না।তাদের তো দাবী বা পরামর্শ হওয়া উচিৎ সংবিধানের ৩৭,৩৮,৩৯,ধারা কার্যকর করা। গুম,খুন অপহরণ কৃত নাগরিকদের ফেরৎ প্রদান। স্বাধীনতার পর থেকে জাতিয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল গুলোর সাথে আলোচনা করে রাষ্ট্রপতি একটা নির্বাচনকালিন সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ। আটক সাংবাদিকদের মুক্তি,, রাজনীতিকদের মুক্তি, সকল কালাকানুন বাতিল,বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর বক্তব্য প্রচারে বিধি নিষেধ প্রত্যাহার। বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের হয়রানী বন্ধে বাধ্য করলে বুঝা যেত তারা জনগণের প্রতিপক্ষ নয়? ১২ তম সংসদ নির্বাচনে কে কার সাথে থাকবে এটা বিবেচ্য নয়,বিবেচ্য হলো নির্বিঘ্নে ভোটারা ব্যালোট পিপারে ভোট দেবে ভোট কেন্দ্র থেকেই প্রার্থীর সব এজেন্ট আর পোলিং অফিসারের স্বাক্ষরে ভোটের ফলাফল নিয়ে যাবে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close