১৬ অক্টোবর ২০২১, শনিবার ০৬:৫২:৩৩ পিএম
সর্বশেষ:

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৪৯:৫৭ পিএম সোমবার     Print this E-mail this

১১নেতার ব্যাংক হিসাব তলব পত্র প্রত্যাহার ও আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবী-বিআরজএ`র

প্রেস ডেক্স
বাংলার চোখ
 ১১নেতার ব্যাংক হিসাব তলব পত্র প্রত্যাহার ও আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবী-বিআরজএ`র

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়ে(বিআরজেএ)বিশ্বাস করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর উভয় গ্রুপ,ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর উভয় গ্রুপ,জাতীয় প্রেস ক্লাব,ও রিপোটারস্ ইউনিটির নির্বাচিত সভাপতি, সেক্রেটারির ব্যাংক হিসাব চাওয়া দুরভি সন্ধি মুলুক। দেশের নাগরিকরা যখন ভোটের অধিকার মৌলিক ও নাগরিক অধিকার থেকে বন্চিত। তখন এই মানুষ গুলোর জুলুমের ঘটনা কমবেশী সংবাদ কর্মীরা মানবাধিকার কর্মী হিসাবে তুলে ধরে।রাষ্ট্রীয় সম্পদ হরিলুট, আত্মসাত,তছরুপ এর চিত্র তুলে ধরা এটাই কি অপরাধ। বিশ্বের দিকে তাকালে বোঝা যায়,যেখানেই রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্র শাসন ব্যাবস্হা সাম্রাজ্যেবাদ,সম্প্রসারণবাদ,আধিপত্যবাদের আগ্রাসনের স্বীকার হয়েছে,সেখানেই দেশপ্রেমিক রাজ্য পরিচালকদে প্রথম বিতর্কিত করেছে,তারপর, গণমাধ্যম কর্মী,সুশৃঙ্খল সংগঠন গুলোকে তছনছ করে দিয়ে আগ্রাসন শুরু করেছে। আজ বাংলাদেশে বন্ধুবেশী দেশের নানা ধরণের অপরাধ মুলুক ঘটনা ঘটাতে গিয়ে দেশপ্রেমিক নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আটক করলেও অদৃশ্য ক্ষমতার কলকাঠিতে তাদের মুক্তি দিয়ে দেশের নাগরিকদের ঘারে চাপানো হচ্ছে্ গনমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম গুলোর উপর অসভ্য ও সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, অফিসিয়াল সিকিউরিটি এ্যাক্ট সহ কালাকানুন, তার ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসাবে দেখা,এতেও নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে শাররীক ও মানুষিক নির্যাতন,সর্বশেষ গুম খুনের স্বীকার হতে হয়। এ গুলোর সংগঠিত ভাবে প্রতিবাদ প্রতিরোধ করার জন্যে রক্তদিয়ে কেনা সংবিধান এই অধিকার দিলেও,যখনই অনির্বাচিত শাসক ক্ষমতায় এসেছে,তখনই এই অধিকার গুলো পর্দার আড়ালের তাদের অবিভাকদের পরামর্শে অকার্যকর করেছে।দেশে আদালত আছে তারপর সাময়িক বন্ধের নির্দেশ আমার দেশ,ইসলামী টিভি,চ্যানেল ওয়ান,সিএসবি,দিগন্ত টিভি সহ অসংখ্য গণমাধ্যম যখন একের পর এক বন্ধ করা হলো তখন ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুললে আজ এ রকম ভাবে সংগঠন গুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার পত্র আসতো না!আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এর উপর যখন শারীরিক, মানুষিক জুলুম নিপিড়ন করে সত্ব্য প্রকাশ থেকে বিরত করতে পারে নাই,তখন কাল্পনিক মামলায় তার জনজীবন অতিষ্ঠ করে তোলে,এমন কি আদালত চত্বরে তার উপর শাররীক হামলা হলেও পক্ষান্তরে বিচার বিভাগের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদশনের পরও কিছু হয়নি।বর্তমান দেশের কয়েকজন প্রবীনবুদ্ধীজির একজন দৈনিক সংগ্রাম এর প্রবীন সম্পাদক আবুল আসাদ এর উপর হেনো জুলুম আর নির্যাতন নাই,যা হয়নি!বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাবেক মহাসচিব ও সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শওকত মাহমুদ এর বিরুদ্ধে কাল্পনিক মামলা কোন হিসাব নাই।আর এ সকল দেশপ্রেমিক ও মেধাবীদের জন্যে রিমান্ড বাধ্যত্বা মুলক। বর্তমান কারাগার অসুস্থ ভাবে মানবেতর অবস্হায় অন্যায় ভাবে আটক বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমীন গাজী।এছাড়াও দেশের আনুমানিক ৫০ জন সাংবাদিক লুটেরাদের আড়াল করতে আটক রাখা হয়েছে।আজ যদি ৬টি সংগঠন সহ সকল সাংবাদিক সংগঠন গুলো ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ করতে রাজপথে নেমে আসতো তাহলে সত্য প্রচারে সংগঠিত ভাবে বাধা দানে এই পত্র দিতে পারতো না! সাংবাদিক সমাজ সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনী সহ আতাতিয়ের হাতে নিহত সাংবাদিকদের হত্যার বিচার তো দুরের কথা প্রতিবেদন দাখিলটা পর্যন্ত করার কথা শুনে নাই?বরং অসত্যের বিপক্ষে অবস্হানকারী সাংবাদিকদের নামে মামলা,আদালত বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে পেশার দায়িত্ব পালন করতে না পারায় মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।অথবা অস্বচ্ছতার সংবাদ প্রকাশ করায় ক্যামেরা ট্রাইয়িল শুরু হয়েছে। সাংবাদিক সমাজ রিমান্ডের মত উপনিবেশিক জুলুমের বিপক্ষে কিন্তু যখন দেখে পরিমনিদের মত সমাজ ধ্বংশকারীদের রিমান্ডে দেওয়ার অপরাধে বিচারককে ক্ষমা চাইতে হয়,অপরদিকে সীমান্ত এলাকায় আবরু সহ চলাফেরা ইসলামের শিক্ষা প্রচার করায় গ্রেফাতার করা হয়,তখন কি একজন সাংবাদিক কি নয় কোন দেশপ্রেমিক নিরব বসে থাকতে পারে?চিত্ররন্জন দাসের মত বিনা ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে একজন মহিলাকে জোরপূর্বক শ্লীতাহানির চেষ্টা ভাইরাল হলেও গ্রেফতার হয় না, কিন্তুু আলেম-ওলামা -আল্লাহ তালার দীন অনুযায়ী রাষ্ট্র ব্যবস্হা চালানোর প্রচারকারীদের কাল্পনিক পরিবেশ তৈরী করে জুলুম নিপীড়ন, নির্যাতন করে কারাকারে আটক রাখে তখন সাংবাদিক সমাজ নিরব থাকে না।দেশের তিন তিন বারের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তার উপর হামলা মামলা করেও নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ক্যামেরা ট্রাইলে কারা রুদ্ধ,আজ আদালত কতটা অসহায় তার মৌলিক অধীকার টুকু নিশ্চিত করতে পারে নাই।সমাজ আর রাষ্ট্রের দুই ভয়ংকর পরীমনি আর চিত্ররন্জন দাসদের অভয়্যারন্য। অপর দিকে প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র আবরার হত্যার আসামীরা নির্দোশ বলে মুক্তি নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে!এ সব কিছু পর্যালোচনা করলে বুঝা সাংবাদিক সংগঠনকে বিতর্কিত করতে হলে তাদের নেতাদের বির্তকিত করতে হবে। আর সেই লক্ষে এই তলব।এই ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি প্রত্যাহার করে ওয়ান ইলেভেনের পর থেকে যারা ক্ষমতায় এসেছে তাদের পরিবার বর্গ ও রাষ্ট্রের বেতন ভুক্ত সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর সম্পদের হিসাব তলব করতে,একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে সকল পেশার প্রতিনিধি ও সংসদে স্বাধীনতার প্রতিনিধিত্বকারী দলের প্রতিনিধিদের সম্মনয়ে রাষ্ট্রপতি কতৃক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বচ্ছতা ফীরিয়ে আনা উচিৎ।রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত বিভিন্ন ভাবে প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী ৬০০/৭০০জন রাজকর্মচারীর ওএসডি প্রত্যাহার করে কর্মস্হলে পুনর্বহাল করা হোক।সাংবাদিক সমাজ ব্যাংক হিসাব দিতে রাজী তা অবশ্যই কোন স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানের কাছে।সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার লক্ষে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নামে দেওয়া চিঠি প্রত্যাহার করতে হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সম্পাদক
শরীফ মুজিবুর রহমান
নির্বাহী সম্পাদক
নাঈম পারভেজ অপু
আইটি উপদেষ্টা
সোহেল আসলাম
উপদেষ্টামন্ডলী
মোঃ ইমরান হোসেন চৌধুরী
কার্যালয়
১০৫, এয়ারপোর্ট রোড, আওলাদ হোসেন মার্কেট (৩য় তলা)
তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।
ফোন ও ফ্যাক্স :+৮৮০-০২-৯১০২২০২
সেল : ০১৭১১২৬১৭৫৫, ০১৯১২০২৩৫৪৬
E-Mail: banglarchokh@yahoo.com, banglarchokh.photo1@gmail.com
© 2005-2021. All rights reserved by Banglar Chokh Media Limited
Developed by eMythMakers.com
Close