Banglar Chokh | বাংলার চোখ

ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্টের স্কলারশীপ নিয়ে প্রিয়ন্তী এখন যুক্তরাষ্ট্রে 

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৪:১২, ১ আগস্ট ২০২২

ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্টের স্কলারশীপ নিয়ে প্রিয়ন্তী এখন যুক্তরাষ্ট্রে 

নিজস্ব ছবি

বাংলার চোখের এডিটর ও পাবলিশার সাংবাদিক শরীফ মুজিবের কণ্যা তাসনিম প্রিয়ন্তী ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্টের ‘লুগার কেনেডি ইউথ এক্সচেন্জ এন্ড স্ট্যাডি(ইয়েস)’ প্রোগ্রামে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন। এ স্কলারশীপ প্রোগ্রামে ২০২২-২৩ সিজনে বাংলাদেশ থেকে এ বছর ১৫-১৭ বছর বয়সের ২৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থী সুযোগ পেয়েছেন। 

শুরুতে এ স্কলারশীপ প্রোগামে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন পরাক্ষায় অংশ নেন। ৪-৫ টি কঠিন পরীক্ষা শেষে ২৬ জন চুড়ান্তভাবে মনোনীত হন। যদিও এ ২৬ জন থেকে ২ জন ফাইনালিস্ট এসএসসি পরীক্ষার জন্য শেষ মূহুর্তে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন।

বাকি ২৪ জন বাংলাদেশী তরুণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে স্থানীয় কোন আমেরিকানের বাড়ীতে তাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে বসবাস করবেন এবং সেখানকার কোন স্কুলে তাদের কারিক্যুলামেই পড়াশুনা করবেন। পড়াশুনার পাশাপাশি সেখানকার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তারা অংশ নেবেন। এই এক বছর সময়ের মধ্যে এসব শিক্ষার্থী একে অপরের সাথে তাদের কালচারাল এক্সচেন্জ করার সুযোগ পাবেন। ফলে একে অপরের ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক সহ বিভিন্ন কালচার বিনিময় ও শেখার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি একাধিক কালচারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

এসব শিক্ষার্থী এমনিতেই মেধাবি তারপরও এক বছরের এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের নিজের আত্মবিশ্বাস অনেকগুন বৃদ্ধি পাবে। পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গিয়েছে, এক্সচেন্জ প্রোগ্রামের এসব শিক্ষার্থী দেশে ফিরে এসে বেশিরভাগই পূনরায় কোন স্কলারশীপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য ফিরে গেছে। আবার দেশের ভিতরেও অনেকে অনেক সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে। যেখানে শত-শত তরুণের কর্মসংস্হানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 

সাধারনত: প্রতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস থেকে এ স্কলারশীপ প্রোগ্রামের জন্য এ্যাপ্লিকেশন আহবান করা হয়ে থাকে। সারা বিশ্ব থেকে এ বছর ৩৭টি দেশের ১৫-১৭ বছর বয়েসের শিক্ষার্থীরা ‘ইয়েস’ প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যানহটনে টুইন টাওয়ার হামলার পর থেকে মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের কিছুটা টানাপড়েন দেখা যায়। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডন্ট জন এফ কেনেডির ভাই লুগার কেনেডি মুসলিম দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক তৈরির লক্ষ্যে এ স্কলারশীপ প্রোগ্রাম চালু করেন।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়