Banglar Chokh | বাংলার চোখ

মিথ্যা দায়েরকৃত মামলা :প্রতিবাদে সৈয়দপুরে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন 

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২:০৩, ৬ নভেম্বর ২০২২

মিথ্যা দায়েরকৃত মামলা :প্রতিবাদে সৈয়দপুরে শিক্ষকের সংবাদ সম্মেলন 

নিজস্ব ছবি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জুলফিকার রহমান হেলালের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে থানায় দায়েরকৃত শ্লীলতাহানির মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে স্থানীয় একটি হোটেলে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওই দাবি করা হয়। সেই সঙ্গে মামলাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে ন্যায় বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত পাঠ করেন স্কুল শিক্ষক জুলফিকার রহমান হেলালের ছেলে শাদমান আজিজ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আলহাজ্ব জুলফিকার রহমান হেলাল একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি সুদীর্ঘ ৩৫ বছর সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজে অত্যন্ত সততা ন্যায়, নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা করে অবসর নেন। তিনি  চাকুরি থেকে অবসরে গিয়ে বর্তমানে ক্ষুদ্র পরিসরে কাঠের ব্যবসায় সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তাই অবসর পরবর্তীতে সময়ে তিনি দিনের বেশিরভাগ সময়ে মসজিদে নামাজ বন্দেগীতেই অতিবাহিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয় স্কুল শিক্ষক জুলফিকার রহমান হেলালের সম্পর্কে চাচা শ্বশুর শহরের বাঙ্গালীপুর নিজপাড়ার জনৈক আজিজুল ইসলাম। আর তিনি (হেলাল) তার কাছ থেকে দুইটি গাছ ক্রয় করেন। এরপর গত ২ নভেম্বর সকালে (স্কুল শিক্ষক হেলাল) শ্রমিক নিয়ে গাছ কাটার উদ্দেশ্যে  চাচা শ্বশুর আজিজুল ইসলামের বাঙ্গালীপুর নিজাপাড়ার বাসায় যান তিনি। শ্রমিকরা গাছ কাটা শুরু করার এক পর্যায়ে আজিজুল ইসলামের ইউনিভার্সিটি পড়–য়া মেয়ে ইষা ইবনাত এসে স্কুল শিক্ষক হেলালকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকেন। পরবর্তীতে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে লোকজনের উপস্থিতিতে স্কুল শিক্ষক সেখান থেকে চলে যান। এ ঘটনার পর ইষা ইবনাত অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক হেলাল তার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে মর্মে  মিথ্যা অভিযোনে সৈয়দপুর থানায়  একটি মামলা দায়ের করে। তাঁর মা স্কুল শিক্ষিকা মাহবুবা শারমিন ও  জনৈক জাহিদুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে সৈয়দপুর থানায় গিয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন ইষা ইবনাত। আর এ মামলায়  সে নিজে বাদী হয়েছেন। আর ঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে তাঁর মা মেহেরুনেসা ও জনৈক জাহিদুল ইসলামকে। অথচ উল্লিখিত ব্যক্তিদের সেখানে থাকার কোন প্রমাণ নেই। কারণ ইষা ইবনাতের মা মাহবুবা শারমিন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের  স্কুল শাখার একজন শিক্ষিকা। মামলায় ঘটনাটির যে সময় উল্লেখ করা হয়েছে ওই সময়ে তাঁর মা কর্মস্থলে হাজির ছিলেন। এছাড়াও জাহিদুল ইসলামও মামলায় উল্লিখিত সময়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
ইষা ইবনাতের পরিবারের সঙ্গে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মামলা মোকদ্দমা চলমান রয়েছে। মূলতঃ তারই সূত্র ধরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জুলফিকার রহমান হেলালকে টার্গেট করে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসনো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে স্কুল শিক্ষক জুলফিকার রহমান হেলালের স্ত্রী,মেহেরুন নেছা মেয়ে সাজিয়া জাফরিন,সিলভিয়া পারভীনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।  
 

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়