Banglar Chokh | বাংলার চোখ

হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব: শাওন

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৯:২৫, ১৯ জুলাই ২০২২

হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব: শাওন

ছবি: সংগৃহীত

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিণী মেহের আফরোজ শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ আমার একার পক্ষে সম্ভব না। তবে হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব। খুব শিগগিরই হুমায়ূন স্মৃতি জাদুঘর নুহাশ পল্লীতেই নির্মাণ করা হবে।


মঙ্গলবার সকালে নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শাওন এসব কথা বলেন।

বেলা ১১টায় হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তার দুই ছেলে নিশাত হুমায়ূন ও নিনিত হুমায়ূনসহ হুমায়ূনের ভক্ত, হিমু পরিবহনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের কবরে নুহাশ পল্লীর লিচুতলায় ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে তারা লেখকের কবর জিয়ারত ও সেখানে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়ায় অংশ নেন। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নেতারাও ওই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

শাওন বলেন, হুমায়ূন আহমেদের ব্যবহৃত জিনিসপত্রগুলো খুব সুন্দরভাবে সংগৃহীত আছে। তার হাতে আঁকা ছবিগুলো অনেকদিন ধরে নিউইয়র্কের এক ব্যক্তির কাছে আটকে ছিল। সম্প্রতি সেই ছবিগুলো আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে। আমরা ছবিগুলো হাতে পেয়েছি। এর মধ্যে হুমায়ূন আহমেদের সন্তানদের কাছে, আমার কাছে যা কিছু ছবি আছে এগুলো হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি জাদুঘরে থাকবে। হুমায়ূন আহমেদের হাতের লেখা স্ক্রিপ্টগুলো যেগুলো বিভিন্ন প্রকাশকদের কাছে ছিল সেগুলো তারা জাদুঘরে দান করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। আমরা আশা করি শিগগিরই হুমায়ূন আহমেদের জাদুঘর নির্মাণের কাজ শুরু করতে পারব।

১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে গাজীপুরের নুহাশ পল্লীতে স্থানীয় দুইটি মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের নিয়ে কুরআনখানি, মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। শাওন ও তার দুই ছেলে এতিমদের প্লেটে খাবার তুলে দেন।

বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহ-সভাপতি ও অন্য প্রকাশের স্বত্বাধিকারী মাজহারুল ইসলাম বলেন, হুমায়ূন আহমেদের পরিবার থেকে ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি তাদের পাশে থাকবে। তিনি দাবি করেন নুহাশ পল্লীতে হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি ধরে রাখতে সরকারি, বেসরকারি অথবা পারিবারিক উদ্যোগে একটি স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা জরুরি প্রয়োজন।

সমিতির কেন্দ্রীয় এবং রাজধানী কমিটির কমপক্ষে ২০ জন প্রকাশক তিনটি প্রকাশক সমিতির পক্ষ থেকে হুমায়ূন আহমেদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মিলেনিয়াম পাবলিকেশন্সের স্বত্বাধিকারী এসএম লুৎফর রহমান, ধ্রুব পদ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী আবুল, মাতৃভাষা প্রকাশের স্বত্বাধিকারী নেছার উদ্দিন, অনিক পাবলিকেশন্সের স্বত্বাধিকারী মাহতাব উদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়