banglarchokh Logo

করোনায় আয়ুর্বেদিক ও হারবাল ওষুধ

ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলার চোখ
 করোনায় আয়ুর্বেদিক ও হারবাল ওষুধ

করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা পৃথিবী। বাংলাদেশেও লেগেছে এর ভয়াবহ আঁচ। এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসের কার্যকর কোনো প্রতিষেধক পাওয়া যায়নি; রেমডেসিভির বাজারে পাওয়া গেলেও উচ্চমূল্যের কারণে এই ওষুধ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এ পরিস্থিতিতে শতবর্ষ ধরে চলে আসা ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হারবালে ওষুধে এবার আশার আলো দেখছেন গবেষকরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ৩ মাসে ভেষজ ওষুধের চাহিদা বেড়েছে তিনগুণ। ভারতেও এ নিয়ে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা।

বাংলাদেশের একদল চিকিৎসক গবেষণা করে দাবি করেছেন, হামদর্দের হারবাল অ্যান্টিসেপ্টিক ও ব্যথানাশক কুলজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী ভাইরাসবিরোধী হিসেবে ব্যবহৃত সিরাপ ফেভনিল এবং শ্বাসতন্ত্র রোগের লক্ষণ নিরাময়ে ওষুধ সাদুরী একসঙ্গে ব্যবহার করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন অনেকে।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কয়েকজন জানিয়েছেন, তিনটি ওষুধের সম্মিলিত প্রয়োগে ৭ দিনের মধ্যে তাদের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। খরচ পড়ছে মাত্র ২০০ টাকা! হামদর্দ ল্যাবরেটরিজের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ইতোমধ্যে সারাদেশে ৫০ থেকে ৭০জন কোভিড-১৯ এর উপসর্গ বহন করা রোগীর উপর এ ওষুধ প্রয়োগ করে শতভাগ সফল হয়েছেন। আর কোয়ারেন্টিনে থাকা ৭০০জন মানুষ এখন সম্পূর্ণ সুস্থ ।

হামদর্দের গবেষক দল জানান, ১ বাটি গরম পানির সঙ্গে ৪-৫ ফোঁটা কুলজম মিশিয়ে দৈনিক ৩ বার শ্বাস টেনে ভাঁপ নিতে হবে। পাশাপাশি শ্বাসকষ্ট হলে টিস্যু বা রুমালে দু এক ফোঁটা কুলজম নিয়ে নাকে শ্বাস টানতে হবে। প্রাপ্ত বয়ষ্ক হলে প্রতিদিন ২-৩ বার ২-৪ চা চামচ সিরাপ ফেভনিল সেবন করতে হবে। আর সিরাপ সাদুরী প্রতিদিন ২-৩ বার ২ চা চামচ করে সেবন করতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ নিয়ে আরো বড় আকারে গবেষণা হওয়া উচিত। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যদি এগিয়ে আসে তাহলে সম্ভাবনার যুগান্তকারী দুয়ার উন্মুক্ত হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কপিরাইট © 2021 বাংলারচোখ.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com