banglarchokh Logo

ন্যায় বিচার না থাকলে বুঝতে হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির উথান ঘটেছে!

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী
বাংলার চোখ
 ন্যায় বিচার না থাকলে বুঝতে হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির উথান ঘটেছে!

বিশ্বের লুটেরা চক্র সংখ্যালুঘু নামের একটা বিশ ফোরার আবিষ্কার করেছে। আবার ইদানীং আরেকটা আবিস্কার করেছে আদিবাসী!এই দুইটা ব্যাবহার করে বিশ্ব মানবতাকে ধ্বংস করে চলেছে।আর বিশ্ব মানবতা ও শান্তির প্রচারক আর প্রশিক্ষণ দানকারী, আহবানকারীদের উপর জুলুম নির্যাতন, নিপীড়ন চালানোর জন্যে সকল ব্যাবস্হা এরা ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর এটি জাতিসংঘ নামের কষাই খানা আর তার ভেটো দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণকারী দেশ গুলো মানবতাকে জবাই করে স্বীকৃতি নেয়! মুসলিম দাবীদার রাষ্ট্র গুলোতে ক্ষমতাকুক্ষিগত রাখতে, তাদের পরগাছা আল্লাহ তালার, সবচাইতে নিকৃষ্ট ও ঘৃনিত মুনাফেক হয়ে পরে?দক্ষিণ এশিয়ার একটা বৃহত্তম অঞ্চল ১৭৫৭ সালের আগ পর্যন্ত ছিলো, শান্তি, স্হীতিশীল,সাম্যের জনপদ।যে টির নাম ছিলো ভারত বর্ষ। ১৭৫৭ সালে রায় দার্লোভ,উম্মি চাঁদদের চক্রান্তে মির জাফর আলী খানের ক্ষমতা লোভ দেখিয়ে,তখনকার অতন্ত্র প্রহরী সেনাবাহিনীকে ইষ্ট ইণ্ডিয়ান কোম্পানির দখলদারদের অনুপ্রবেশ এ বাধা দান থেকে বিরত রাখে?এই অঞ্চলের মুসলিম শাসক বা জমিদারদের বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে জমিদারি কেড়ে নিয়ে এগুলো পরিচালনার দায়িত্বদেয় চরম সাম্প্রদায়িক আর্য সম্পদায় ও কিছু ভারত বর্ষের প্রতিহিংসা পরায়নদের হাতে।এরা এতটাই নোংরা প্রকৃতির ছিলো,তাদের আশ-পাশ দিয়ে মুসলমানদের এবং অন্যান হিন্দুদের ঐ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর বাড়ির সামনে দিয়ে, চলাফেরা করতে হলে জুতা পা থেকে খুলে বোগলের নিচে নিয়ে দুই হাত ক্ষমা চাওয়ার মত করে যেতে হতো? যেহেতু তাদের এই জুলুম যেন ইতিহাসে অন্তর্ভুক্ত না হয়,সেই জন্যে মুসলমান ঐ সকল সাম্প্রদায়িক শক্তির দৃষ্টিতে নিম্নবর্নের হিন্দুদের শিক্ষাদীক্ষার অধিকার হরন করে।দীর্ঘ সংগ্রাম প্রতিরোধের মুখে ইংরেজ ফিরিঙ্গিরা লুটপাট শেষে ভারত বর্ষ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৃটিশ ১৯৩৯ একবার কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে!১৯৪৬ ঐ সকল নিম্নবর্ণের হিন্দু -মুসলিম দাঙ্গা বাধায়!তখন উর্দুভাষী ও বাংলা ভাষী মুসলমানদের নির্মম ভাবে হত্যা করে!১৭৫৭ সালের ২৩ জুননের পর থেকে মানবিক আর জবাবদিহিতার বিশ্বাসীদের হত্যা শুরু হয়,তা আজও এ অঞ্চলে অব্যাহত আছে। আল্লাহ তালার প্রেরিত আল কোরআন আর দয়ার নবী করিম সাঃ এর আল হাদিসের মিমাংসার নিয়ম অনুসরণের কথা বললেই মানবতাবিরোধীদের আতে ঘা লাগে!তারা মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড করলেও দায়িত্ব চাপায়,যারা মানবতার কথা বলে তাদের উপর! শ্রীলঙ্কায় যারা তামিল টাইগারের পৃষ্ঠপোষকতা করে তা কোন মুসলিম রাষ্ট্র বা সরকার নয়! অবশেষে সেখানকার দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, সরকার ও জনগন আধিপত্যবাদের চক্রান্ত প্রতিহত করে শান্তি স্হাপন করে। কিন্তু ওখানে যদি সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগন মুসলিম হতো তাহলে! জাতিসংঘ, মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা দেশগুলি কি তা মেনে নিতো এ অন্তত মুসলমানদের থাকা উচিৎ? কাশ্মীরের মুসলমানদের গনহত্যা বন্ধে জাতি সংঘ বা তার মোড়লদের ভুমিকা কি প্রশ্নবিদ্ধ নয়? চিনের উরুগুয়ের মুসলিম নিধন সম্পর্কেই বা তাদের কিছু বলার আছে?সোভিয়েত ইউনিয়ন বা রাশিয়াতে লেলিন ক্ষমতা গ্রহণ করেই ১০হাজার জীবন্ত মুসলমানকেরোলার দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে বলেছিল, এখন এখানে আলুর চাষ করলে আলুর ভাল ফলন হবে?মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর যে জুলুম, হত্যা,নির্যাতন, লুটপাট, আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার মত ঘটনারই বা কি বিচার করলো, তারা! এবার আফগানিস্তানের দীর্ঘ ৩বছর-৬মাস রাশিয়া তারপর প্রায় ২১-৬মাস ইন্ডিয়া, মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র,পশ্চিমা বিশ্বের দখলদার মুক্ত করায়, তাদের পরামর্শ আরো কত কি শর্তজুড়ে দিয়া হলো।এটুকু পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায় দখলদারিত্ব,জঙ্গি ও সন্ত্রাসী এবং মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড কারা করে!এখন যদি আফগানস্হান বা অন্য কোন মুসলিম দেশের উপর এই চক্র নিষেধাঙগা দেয় তাও ঐ ষড়যন্ত্রই অংশ! এর পর আসুন ফিলিস্তিনে মুসলিম গনহত্যায় লোক দেখানো প্রতিবাদ?ইরাক ও লিবিয়ার শাসক তাদের জনগনের আর্থসামাজিক উন্নয়ন,রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব, সেটা নিশ্চিত করলেও মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র, পশ্চিমা বিশ্বের লুটেরাদের লুটের সুযোগ না দেওয়ায় কুর্দিদের দিয়ে মানবিক বিপর্যয় ঘটানোর পর বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ এদের মানবতা বিরোধী হিসাবে কি বিচার চাইতে পেরেছে।তারপর সিরিয়া,মিশর,ইয়েমেন, সহ অনেক দেশেই এখন আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা অব্যহত। আজ বাংলাদেশের ভূখন্ডে রোহিঙ্গা মুসলমান হত্যা,আলেম-ওলামা -ইসলামের প্রচারকারীদের উপর জুলুম এটা পৃথক কোন ঘটনা হিসাবে কেউ দেখে না?বাংলাদেশ তার সংস্কৃতি, খেলাধুলা সব কিছু উপনিবেশীক শাসনের অনুকরণে হয়! আজ তুরস্কের প্রেসিডেন্ট মুসলিম জাতির জন্যে পৃথক জাতিসংঘ, সুদমুক্ত বিশ্ব ব্যাংক,ইসলামী শরিয়া মোতাবেক মুসলিম বানিজ্য নীতি, শিক্ষা নীতি, গণমাধ্যম গড়ে তুলতে পারে। তাহলে তাদের আগ্রসন নিয়ন্ত্রণ হতে বাধ্য। বাংলাদেশকে চাপে রাখতে তিন দিকে যে ভাবে মুসলিম গন্যহত্যা চালাচ্ছে তা থেকে মুক্তি পেতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া উর রহমান এর পথই সঠিক আর মুসলিম রাষ্ট্র গুলোর ঐক্য। আজকে মানুষ অনুভব করছে সৌদি যুব রাজকে দিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষার ব্যাপারে কারা হুমকি দেওয়াচ্ছে এটাও আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রের সকল ব্যাবস্হাকে ঘুনে ধরানোর পিছনে রয়েছে, তাদের ততপরতা! এ এমন অবস্হা থেকে পরিত্রাণ পেতে জাতিয় ঐক্য একমাত্র পথ।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
কপিরাইট © 2022 বাংলারচোখ.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com