Banglar Chokh | বাংলার চোখ

জাতিয় ঐক্য আর সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিশ্বাস নিষেধাজ্ঞা সংকট মোকাবেলা করতে পারে !

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী

প্রকাশিত: ২১:৩৪, ৮ জানুয়ারি ২০২২

আপডেট: ০০:০০, ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯

জাতিয় ঐক্য আর সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিশ্বাস নিষেধাজ্ঞা সংকট মোকাবেলা করতে পারে !

দেশে গণমানুষের শাসন আছে কিনা এটা বুঝবেন কি ভাবে? মৌলিক, মানবাধিকার,ন্যায় বিচার,রাষ্ট্রের নির্বাচিত ও বেতনভোগীদের জবাবদিহিতা কতটুকু! এটাকে পরিমাপ করার প্রধান অবলম্বন?আর এটা নিশ্চিত করতে পেরেছে পৃথিবীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত, সেটা হলো ইসলাম।বিশ্বের লুটেরা ও মানবিক আর মৌলিক অধিকার আল্লাহ তালার প্রদত্ত জীবন ব্যবস্হা নিশ্চিত করেছে!আর আল্লাহ তালার দেওয়া বিধান যারা প্রচার ও নিজেদের চলাচল আল্লাহ তালার নির্দেশনা অনুসরণ করেন,তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর জুলুমের ষ্টীম রোলার চালায়!ইহুদী,খ্রিস্টান, মূর্তিপুজাঁরী নাছারারা এই জুলুমের কাজে ব্যবহার করে মুনাফেকদের!আর মুনাফেককে চিনার উপায় কি! মুনাফেকরা লেবাসে ধর্মকর্মে সব জায়গায় মুসলমানদের বিপদগ্রস্ত হয়,এমন কাজ গুলো তারা করে থাকে!আর একারণে সুশান,নাগরিক মৌলিক অধিকার, জবাবদিহিতার ধার ধারে না! বিশ্বমানবতার নেতা রহমাতুল্লিল আলামীন সাল্লালাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম একজন এমন ব্যক্তির জানাজার দোয়া শেষে দাফন করতে যান?ফারুকে আজম হযরত ওমর ফারুক ইবনে খাত্তাব ঐ ব্যাক্তির জানাজা দাফন অনুষ্ঠানে যোগদানে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করেন!দয়ার নবী মানবতার নবী তার দাফন শেষে দোয়া শেষ করার পর আল্লাহ পাক জানিয়ে দিলেন? হে রাসুলুল্লাহ সাঃ আপনি এদের জন্য যত দোয়াই করেন,তা কবুল হবে না!আর মুনাফেকরা সবচাইতে নিকৃষ্ট তম,তারা জাহান্নামের সবচাইতে বেশী কষ্ট বা শাস্তি ভোগ করবে।তারা ক্ষমার অযোগ্য বলেও আল্লাহ পাক জানিয়েদেন।এখন মুনাফেক চিনার উপায় কি? তারা প্রথমতো নিজেদের মুসলমান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে, যা করা দরকার তার চাইতে অতিরিক্ত করবে।দ্বীতিয়তো ঘুষ,দুর্নীতি, দূর্বৃত্তায়ন,সুদ এবং মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি,ও মুসলিমদের পরাজয়ে বা অপমানিত হলে আনন্দো প্রকাশ করবে!তাদের দর্শনের বাইরে হলে তার মৌলিক অধিকার চিকিৎসা ও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হলে খুশী হবে?মুসলমানদের বিজয়কে মুসলিম বিদ্ধেষীদের সাফল্য বলে দেখাবে।আল্লাহ তালার প্রদত্ত জীবন ব্যবস্হা প্রচারকারীদের উপর জুলুম নিপীড়ন নির্যাতন তারে নিজেদেরকে গৌরবময় মনে করবে।যেখানে আল্লাহ পাক সকল মানুষকে দুনিয়াতে সমান অধিকার প্রদান করেছেন। সেখানে এই মুনাফেকরা যাদের উপর পরগাছা হিসাবে আশ্রয় নেয় তাদের ও নিজেদের স্বার্থে সংখ্যালঘু নামের বিষ ফোঁড়া বানিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বলে উভয়ের উপর জুলুম করে,ফায়দা লোটে? কিন্তু পরগাছা যে পরগাছাই থাকে এটা নিজেরা উপলব্ধি করতে পারে না? আজকে উপলব্ধি করার সময় এসেছে কখন কেন মানুষ তার নাগরিক ও মৌলিক অধিকার ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কোন দেশে মুসলিম অমুসলিমদের মধ্যে দাঙ্গা হয় না?বরং মুনাফেকদের অনুসারীরা এক ঢিলে দুই পাখি মাড়তে এই আত্মঘাতী কাজ করে মুসলমানদের ঘাড়ে দায় দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়ে ক্ষনিকের ফায়দা লোটে।একটা দেশের নাগরিকদের যখন বাসস্থান, শিক্ষা,চিকিৎসা,খাদ্য, ন্যায়বিচার,নিরাপত্তা, রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকে কেবল উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বা মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে বলা যায়?হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেছেন "দার্জ্জাল" অর্থ আল্লাহ তালার ঘোষণা অনুযায়ী মানবতার সবচাইতে বড় দুষমন সে এসে উন্নয়ন দেখাবে মৃত্যু মানুষকে তার পরিবারের সদস্য জীবিত করে দেখালে তাকে অনুসরণের প্রতিশ্রুতি চাইলে তা অস্বীকার করার পরও শয়তানকে মৃত্যু মানুষের রুপ ধরিয়ে হাজির করার পরও ঈমানদার বলবে তুই দার্জ্জাল?হুজুর পাক সাঃ মানবতা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে, মানবতা হরণকারী আবু জাহেল ও তার অনুসারীদের জুলুম নিপীড়ন নির্যাতন সহ্য করেছেন।এমন কি তিন বছর জেল খেটেছেন। এরি মধ্যে মহান গাফুরুর রাহিম আল্লাহ তালার সাহায্যে ঈমানদারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেন।নিজ জন্মস্থান থেকে হিজরত করেন মদিনায়?যখন জালেম ও শান্তিবিদ্ধেষীর প্রতিরোধের মত শক্তি অর্জন করেন তখনই সম্মুখ প্রতিরোধ গড়ে তুলেন,আর মহান আল্লাহ পাক বিজয়দেন।আজকের পৃথিবীতে মুনাফেক কতৃক জনগনের সম্পদ লুটে নিজ দেশে পাঁচারে ব্যাবস্হা করে।তারপর তা বাজেয়াপ্ত করে,যে জনগনের সম্পদ, সেই জনগনের কাছে ফেরত প্রদান করে না!গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতা রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্যে একটা বিষ ফোঁড়া বা যন্ত্রণাদায়ক?হযরত মুসা(আঃ)একটা ঘটনা উল্লেখ করার চেষ্টা করবো। হযরত মুসা(আঃ) আল্লাহ পাকের কাছে জানতে চাইলেন উত্তম কোনটি জীবিত থাকা না মৃত্যু বরণ করা।আল্লাহ তালা জীবিত থাকলে কোন কিছু পাওয়া যাবে না!মৃত্যু হলে জান্নাতের সওদা করে গেলে পরবর্তী অন্ততকাল সুখ-শান্তিতে থাকা যাবে।ক্ষণস্থায়ী জীবনে সুখ অন্তত জীবনেই শুধু নয়, দুনিয়ার জীবনেয় অশান্তি আসে।এখন মুল বিষয় হলো দয়ার নবী বিশ্বমানবতার নবী রহমাতুল্লিল আলামীন সাল্লালাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর বিদায়ের প্রথম খলিফা হন সিদ্দিকে আযম হযরত আবু বক্কার সিদ্দিক(রাঃআঃ) আর তার প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পান ফারুকে আযম হযরত ওমর ফারুক(রাঃআঃ)তিনি এক বছর বিচারকের দায়িত্ব পালনের পর খলিফাতুল মুসলিমিনের দরবারে গেলে খলিফাতুল মুসলিমিন জানতে চান বিচার বিভাগ কেমন চলছে।ফারুক আযম বলেন আপনার সুশাসনের জন্যে গত এক বছরে একজন বিচারের ফরিয়াদ নিয়ে যায় নাই। আল্লাহ তালার বান্দাদের শাসন ভাড় যিনি গ্রহণ করবেন তাকে রাষ্ট্রের নাগরিকদের কাছে জবাবদিহিতা করার মানেই উন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ বা রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ ও পাচারকারীদের পক্ষ অবলম্বনকারী হলে, সেটাকি উন্নয়ন শীল রাষ্ট্রের দাবী করার সুযোগ থাকে!তাগুদি শক্তির যারা তাবেদার হয় তার আল্লাহ তালার ঘোষণা অনুযায়ী কাফের। আর কাফের স্ব গোত্র বা আল্লাহ তালার নির্দেশনায় বিশ্বাসীদের উপর হিংসা,বিদ্বেষ পরায়ন হয়?কিন্তু ওদের উপর যারা সওয়ার হয়, তারাও নিকৃষ্ট হয়!আজকে সারা বিশ্বে যারা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ এই কালেমা পাঠ করে মুসলমান হয়,তারা একপরিবারের সদস্য হতে ব্যর্থ হলে জুলুমের স্বীকার হতেই হবে?আর এই পরগাছা বা মুনাফেকদের চাটুকার তাবেদার তারাই হয়,যারা ফুল ছাড়া মালা বানাতে পর পটু হয়?এমন সব গল্প শুনিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত করে!সেখান থেকে উঠে আলোর দিকে আসতে পারে না।এরা যখন তাগুদ শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পরে তখন সর্বশান্ত হয়ে যায়!এরা আল্লাহ তালার দীন প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক মামলা দিয়ে সাজা এমন কি হত্যা করে আল্লাহ তালার দুষমনদের স্বার্থে। দয়ার নবী বিশ্বমানবতার নেতা রহমাতুল্লিল আলামীন সাল্লালাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর জন্মভূমির পবিত্রতা তারা নষ্ট করার সুযোগ দিয়ে, নিজেদের অসতিত্ব সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফিলিস্তিন, ইন্ডিয়া,চীন,মিয়ানমারে নির্বাচারে মুসলমান হত্যা হচ্ছে! আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,সহ তাদের অনুসারী সিরিয়া,ইয়েমেন,লিবিয়া, ইরাক সহ বহু মুসলিম রাষ্ট্রের শান্তিবিঘ্ন করে চলেছে।বাংলাদেশে ওয়ান ইলেভেনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু করে। আজকে সারাদেশে বিশেষ করে ইন্ডিয়াতে শাসকরা কিভাবে মুসলিম হত্যা করবে রহমতুল্লিল আল আমিন বলে গেছেন! আরব বিশ্ব ইসরায়েলের সাথে বন্ধুত্ব করবে,সেটাও দয়ার নবী বলে গেছেন! আজকে একটু চিন্তা করলে তার আলামত বুঝা যায়!সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দেশে আলেম-ওলামা-ইসলামের দিকনির্দেশনা প্রচারকারীদের উপর জুলুম নিপীড়ন নির্যাতন ও কাল্পনিক মামলা দিয়ে হত্যা আর কারারুদ্ধ করা হচ্ছে! অপরাধী সমাজের ক্ষতিকর মানুষ গুলো জামিন পাচ্ছে, রাষ্ট্র থেকে তাদের সমর্থন জানানো হচ্ছে! এদিকে মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র সহ ১২৯টি দেশ বাংলাদেশের বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারী বিজ্ঞমহলকে ভাবিয়ে তুলেছে!লিবিয়া ও ইরাকে কূর্দী দিয়ে সেখান কার স্বাভাবিক জীবন অচল করে দেওয়া হয়েছে এরাকারা এটা ইসলামী সম্মেলন সংস্থা(ওআইসি)`র অনুসন্ধান করে দেখা উচিৎ! শ্রীলংকায় তামিল টাগারের সৃষ্টি ও সেখানকার জীবন-যাত্রা পিছিয়ে দিয়েছিল কারা এটাও বিশ্ববাসীকে জানানো উচিৎ? তৃতীয় বিশ্ব তথা দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক আধিপত্য ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কারা এটা কি এলাকার জনগন জানার অধিকার রাখে না?১৯৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে জগৎ শেঠ গংদের মাধ্যমে নবাব সিরাজুদ দৌলার সেনাবাহিনীকে নিথর করে দাঁড় করিয়ে রেখে বাঙলা,বিহার,উড়িশ্যা সহ বাংলার স্বাধীনতাকে জিঞ্জির কারা পড়িয়েছিল,এ জাতীর জানা থাকলে,১৯১২ সালে রবিন্দ্র নাথ গংরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বাঁধা দানের সভা করতে সক্ষম হতো কি?তারপর ১৯৪৬ সালে ঠিক ভারতবর্ষ পুর্ণাদ্ধের সময় নির্বাচারে বাঙালী- উর্দু ভাষী(বিহারী) মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা করে দখলদার লুটেরাদের নিরাপদে প্রস্হান ও ভারতবর্ষকে কয়েক টুকরো করে এ অঞ্চলের জনগনকে,বিশেষ করে নিম্নবর্নের হিন্দু আর মুসলমানদের মৌলিক অধিকার হরণ করেছে,সেটাও পরিস্কার থাকতো এ দেশের জনগনের কাছে।১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত নানা চক্রান্ত করলেও সীমান্ত এলাকায় নির্বিচারে বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করার সাহস পেতো না?১৯৭১ সালে পাক হানদাররা মার্চে যখন নিরস্ত্র পূর্ব পাকিস্তান জনগনের উপর ঝাপিয়ে পরে! তখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মেজর জিয়া উর রহমান নিজেকে অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট হিসাবে ঘোষণা দিয়ে বিদ্রোহ ও স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।১৯৫০-১৯৭১ পর্যন্ত জাতীকে স্বাধীনতার জন্যে প্রস্তত করেন, স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রোষ্ট্রা, রুপকার মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলির সভাপতি হওয়া সত্বেও ইন্ডিয়ান আধিপত্যবাদ মহল ২২জানুয়ারী ১৯৭২ সালে গৃহবন্দী থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাধীন দেশে ফীরতে দেয়!ইতিমধ্যে হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ আর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ফেলে রেখে যাওয়া অস্ত্র স্ব অস্ত্র লুটে নিয়ে যায়?মেজর এম,এ,জলিল বাধা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হয়।৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ইন্ডিয়া স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে!তাহলে ধরে নেওয়া যায় ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জন করে,বাংলার দামাল বীরমুক্তিযোদ্ধারাই?স্বাধীনতার বীর সন্তানদের উপর খবরদারী প্রতিষ্ঠার জন্যে আর ১০ দিন পিছিয়ে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পন দেখানো,ইন্ডিয়ার তখনকার প্রধানমন্ত্রী তাদের সংসদে গর্জে উঠে বলেন হাজার বছর কা বদলালিয়া,তারপর ১০ দিনে দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবী হত্যা,প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে রব্বী যিদনী এলমা বাদ দেওয়া!এরপর দেশের প্রায় ৩০ হাজার কর্মক্ষম যুবক হত্য,ব্যাংক ডাকাতি সহ নানা অনাচার নিয়ে বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক জহির রায়হানকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন। একসময় জহির রায়হান যখন হাড়িয়ে গেলো তখন থেকে গুনিজনদের দৃষ্টি ইন্ডিয়া এ সব অপকর্মে সাথে জড়িত কিনা আলোচনা শুরু হয়!তারপর সংখ্যাগরিষ্ট মানুষের ধর্ম ইসলাম হওয়া সত্বেও ইসলাম,গনতন্ত্র, মৌলিক অধিকার পর্যায়ক্রমে রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ করে ফেললো? একটা সময় স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রোষ্ট্রা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সাপ্তাহিক "হক কথা" এর ডিক্লারেশন বাতিল,পরবর্তীতে মওলানা ভাসানীকে ঢাকা থেকে নিয়ে গিয়ে আবার টাঙ্গাইলের সন্তোষে গৃহবন্দী করা হলো! এর পর দেশের সকল পত্রিকা বন্ধ করে চারটি পত্রিকা মুখপাত্র হিসাবে রাখা হলো!অদৃশ্য থেকে দেশের বিচার ব্যবস্হা, আইন শৃঙ্খলা সহ জাতির মেরুদণ্ড ভাঙতে শুরু করে।একসময় স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়া উর রহমানকেউ গৃহবন্দী করে!তারপর দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে।সিপাহী -জনতা সেদিন ঐতিহাসিক সংহতির মাধ্যমে বিজয় উল্লাস করে।মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী সহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তির অনুরোধে জেনারেল জিয়া উর রহমান বহুদলীয় গনতন্ত্র আর রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও আত্মমর্যাদা বিদেশীরা বন্ধু তবে প্রভু নয় এই দর্শনে জাতিয় ঐক্য গড়ে তুলতে মনো নিবেশ করেন।মুসলিম বিশ্বের সাথে বন্ধুত্ব ও এক পরিবারের সদস্যা করার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।আল্লাহ তালার প্রদত্ত রাষ্ট্রের মালিক জনগন তিনি ধীরে ধীরে জনগনের কাছে পৌছিয়ে দিতে শুরু করেন। ইন্ডিয়ার পানি আগ্রসনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক মহল তুলে ধরেন।এমন অবস্থায় চট্টগ্রাম সার্কেট হাউস তাকে হত্যা করে।ঢাকাবাসী সহ গোটা জাতি রাজপথে নেমে আসে। চক্রান্তকারীরা ভাব চক্র খারাপ দেখে থমকে দাঁড়ায়। তারপর অস্হায়ী প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস ছাত্তার পরিকল্পিত এক চক্রান্তের মাধ্যমে ক্ষমতা হারায়!এরপর জেনারেল এইচ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করে।। গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশপ্রেমিক জনগনের দাবীর মুখে রাজনীতি আসেন।বেগম খালেদা জিয়া জাতিয় ঐক্য আর দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্প্রতি বজায় রাখতে সার্ককে শক্তিশালী করেন। সংসদীয় গনতন্ত্র, নির্বাচন কালিন সময় নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকার এর বিধান করেন।জনগনের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মুল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সক্রিয় থাকায় টিসিবির কার্যক্রম থমকে দাঁড়ায়!গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীদের স্বাধীন ভাবে কাজ করার পরিবেশ করে দেন।তার পুত্রের ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে?এ জন্যে কোন সাংবাদিককে হুমকির মুখ মুখী হতে হয় নি।বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে বিচারের কাজ করতে পারতেন।আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সহ রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত সেবকদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে শুরু করেন।এরই মধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্হায় কর্মরত ইন্ডিয়ান বংশদ্ভূতরা নানা চক্রান্তের মাধ্যমে ঢাকাস্হ জাতিসংঘের কান্ট্রি ডিরেক্টর এর এক ইমেইল বার্তা নাম দিয়ে গনতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যাবস্হা ধ্বংস করতে ফখরুদ্দীনকে তত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে আধিপত্যবাদের কাছে সব অসতিত্ব বিলিন করা রাস্তা করলেন জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ। সেই ধারাবাহিকতায় শহীদ জিয়ার পরিবার সহ দেশপ্রেমিকদের নিশ্চিহ্ন আর নাগরিক এর ভোটের অধিকার হরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।আধিপত্যবাদ গোষ্ঠী একটি বিষয়ে সফল হয় দেশপ্রেমিক শক্তির মধ্যে অবিশ্বাস আর বিভেদ সৃষ্টি! বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাওয়া ভবনে আধুনিক উন্নত বাংলা গড়া যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল,সেই গবেষণা কেউ বির্তকের ভীতরে ফেলে দেয়।এমন কি তারেক রহমান এর বক্তব্য বিবৃতির উপর আদালত কতৃক নিষেধাজ্ঞা জারী করায়!সাবেক তিন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশের বৃহত্তর জোটের নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নতমানের চিকিৎসা থেকে মন্ত্রণালয় থেকে যখন বঞ্চিত করার কথা বলে তখন কার্যত বিচার বিভাগ আছে কিনা বা স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়?সাংবাদিক নেতা রহুল আমীন গাজী অসংখ্য সাংবাদিক পেশায় দায়িত্ব শীল হওয়ায় বছরের পর বছর কারাগারে শহীদ জিয়ার পরিবার আলেম-ওলামা আর দায়িত্বশীল সাংবাদিক আর নাগরিকরা আইনের অপেক্ষায় হতবিহ্বল! তখনই যাদের নাম করে নাগরিকদের মৌলিক ও মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছিল তাদের উপর মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র সহ প্রায় শতাধিক দেশ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে অথবা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ অবস্থা মোকাবেলা করতে হলে কারো পরগাছা হয়ে না থেকে রাজনৈতিক সমোঝোতায়ই একমাত্র সার্বভৌম রক্ষার পথ।গনমাধ্যম ও বিচার বিভাগকে স্বাধীন ভাবে কাজ করার পরিবেশ করে দেওয়া।সকল রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তি দেওয়া,আটক সাংবাদিকদের মুক্তি প্রদান,বিচার বিভাগকে মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পরিবেশ করে দেওয়া,দুদক সহ যাদের ব্যার্থত্বায় রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে তাদের বিচারের ব্যবস্হা করা সময়ের দাবী।রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যায় করে লবিষ্ট নিয়োগ মুল সমস্যার সমাধানে জাতিয় ঐক্য গড়ে তুলাই সংকট মোকাবেলার একমাত্র পথ।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

বাংলার চোখ

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়