Banglar Chokh | বাংলার চোখ

ভ্যালেন্টার ও কণাটক এর অন্তরালে যা সত্য!

মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী

প্রকাশিত: ২৩:৪২, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২

আপডেট: ২৩:৪৩, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২

ভ্যালেন্টার ও কণাটক এর অন্তরালে যা সত্য!

২৭০ খৃষ্টাব্দের কথা রোমের জালেম সম্রাট যেখানে মানবতা মৌলিক অধিকারের গন্ধ পেতো সেখানে যুদ্ধের জন্যে ঝাপিয়ে পরতো।আর যুদ্ধে যাওয়ার আগে তার রাজত্বে যুদ্ধ করার মত পুরুষদের জোরপূর্বক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে বাধ্যত্ব করতো।অনুমান করা ২৬৯খৃষ্ঠাব্দে রোমের সম্রাট যখন লট-পাটের উদ্দেশ্য তার রাজত্বে পুরুষদের অংশ গ্রহণের আহবান জানায়,তখন কেউ তার আহবানে সাড়া দেয় না?তখন সম্রাট তার সভাসদ বা মন্ত্রী পরিষদের সাথে পরামর্শে বসে?মন্ত্রী পরিষদের মধ্যে যোগ্যতাহীন চাটুকাররা পরামর্শদেয় বিবাহ সাদী বন্ধ করে দিতে হবে!সেই পরামর্শ মত সম্রাট বিবাহ বন্ধের নির্দেশ জারী করে দিলেন তার রাজ্যে!কিন্তু বাদসাদলেন কিংবা মানতে রাজী হলেন জনৈক খৃষ্টান পাদ্রী। যার নাম ছিলো ভ্যালেন্টায়ার!জালেম রাজার আদেশ অমান্য করায় ২৭০ খৃষ্টাব্দে ১৪ ফেব্রুয়ারী তাকে ফাঁসী দিয়ে হত্যা করে।আর সেই বছর থেকে ভ্যাল্টানির দিবস হিসাবে রোম সহ মৌলিক অধিকার হরণকারী দেশগুলো ভ্যালেন্টারী দিবস ১৪ ফেব্রুয়ারী ভ্যালেন্টারী দিবস হিসাবে পালন করা শুরু হয়।সুস্হ মানুষ গুলো এটাকে জালেমের জুলুম দিবস হিসাবে অনুসরণ করে?আর টিন এইচ বা কিশোর -কিশোরীদের ধ্বংসের জন্যে পর্যায়ক্রমে জালেমরা ভালবাসার দিবস হিসাবে প্রসার ঘটায়!পর্যালোচনা করতে গেলে মাথার তাজ নারী সমাজকে এখন থেকে পতিতা বা পরকিয়ার মত সমাজের নিকৃষ্ট তম হিসাবে চিহ্নিত করে।এটা করেই তারা ক্ষান্ত হয় নাই নারী সমাজকে হতাশাগ্রস্ত করে,সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্নের মাধ্যমে তাদের আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার দিকে ঢেলে দেয়।রোমান থেকে অপরাধ বা নৈতিক অবক্ষয় এর পক্ষ সমর্থন করতে ভ্যালেন্টারকে ফাঁসী দেওয়ার পর এখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস পালনের নামে আরেকটি অপরাধ স্বীকৃতির ব্যাবস্হা করে,খৃষ্টান, ইহুদী,হিন্দু ও মুসলিম লেবাসে মুনাফেকরা?এই মৌলিক অধিকার ক্ষুন্নকারীদের ধীকার দিবস হিসাবে পালন করাই কেবল যুক্তি সঙ্গত বলে গুনি মহল বলতে শুরু করেছে। শুধুই মুসলিম নয় বিশ্বের নারী সমাজ যারাই তাদের অধিকার এর কথা বলে তাদের উচিৎ ১৪ ফেব্রুয়ারী খুনী দিবস পালন করা এমন মন্তব্য অনেকেই করতে শুরু করেছে। কালক্রমে সারা বিশ্বে অপরাধ বা অধিকার হরণকারদের মিথ্যা অভিযুক্ত করে জালেমরা বিচারের নামে প্রহসন করে প্রতিটি সমাজকে, যে ধ্বংসের দিকে ডেলে দিয়ে প্রশংসা অর্জনের জন্যে হত্যা দিবস কে ভালবাসা দিবস ঘোষণার মাধ্যমে অপরাধী আড়াল করার এটা একটা সুক্ষকৌশল বললে ভুল হবে কি!আর এ থেকেই অপরাধীরা অপরাধ করে প্রতিপক্ষদের ঘাড়ে নিজেদের দায় চাপিয়ে আশার যে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে,তাও বিবেচনায় আনতে অক্ষম হলে সামজিক ও পারিবারিক সম্প্রতির অবশিষ্ট থাকবে কি!এবার বিশ্বের হতাগ্রস্ত যুবক-যুবতীরা দিনটি ভালবাসা দিবসের পরির্বতে মৌলিক অধিকার হত্যা দিবস পালন করা উচিৎ কি? খুব সম্ভব ২০০৬ অথবা২০০৭ ইংরেজ ফিরিঙ্গিদের প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয়ে ইন্ডিয়ার মহিসুরে তারাই নাম পরিবর্তন করে ইতিহাস বিকৃতীর জন্যে কিংবা সত্য ইতিহাস চাপা দিতে নাম রেখেছে কণাটাক? সেখান থেকে হিজাবা বা বোরখা পরিহিত বোন মুসকান গেরিও পোশাক পর মূর্তিপুজারীদের হামলা স্বীকার হন। তখনই তিনি উচ্চস্বরে বিশ্ব প্রতিপালকে ডাক দেন আল্লাহুআকবার বলে?এই ডাকে আল্লাহ পাক ও সারাদেন।বিশ্ববাষীর কানে পৌছিয়েদেন তিনি তার বান্দার সাহায্যকারী হিসাবে সাহায্য পাঠাচ্ছেন। কিন্তু মুসলিম লেবাসে ক্ষমতালোভী মুনাফেকদের কানে এ আওয়াজ প্রবেশ করেছে বলে মনে হয় না?আসুন ১৪ ফেব্রুয়ারী নারীর আত্মমর্যাদা হীন দিবস পালন করে জালেমদের জানিয়ে"১৪ ফেব্রুয়ারী জালেম " প্রতিরোধ দিবস বিশ্ববাসী পালন করবে"বিশ্ববাসী।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক,কলামিষ্ট.বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশন(বিআরজেএ) চেয়ারম্যান

বাংলার চোখ

শেয়ার করুনঃ

সর্বশেষ

জনপ্রিয়