স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২১:০০, ২৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের দৃশ্য। ছবি : বিসিবি
বিশ্বকাপে টিকে থাকতে জয় ভিন্ন অন্য কিছু ভাবার সুযোগ ছিল না বাংলাদেশের সামনে। বোলাররা চেষ্টার কমতি রাখেননি। টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের খেলা। সেখানে পিছিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তাতে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজ রোববার (২৮ জুন) গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। লড়াই জমিয়েও বাংলার মেয়েরা হেরেছে ৪ উইকেটে।
লর্ডসে টস জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান করে দলটি। জবাবে ১৯.২ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই হারে ৫ ম্যাচ শেষে ২ জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৪। গ্রুপ ১-এ বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। প্রতি গ্রুপে ৬ দল থেকে সেরা দুই দল খেলবে সেমিফাইনাল। তাই বিদায় নিতে হলো বাংলাদেশকে।
রান তাড়ায় প্রথম বলেই উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। দলটির অধিনায়ক লরা উলভার্ডটকে বোল্ড করেন মারুফা আক্তার। দ্বিতীয় উইকেটে তাজমিন ব্রিৎস ও আন্নেরি ডার্কেসেন মিলে ৫২ রানের জুটি গড়েন। ম্যাচ সহজভাবে জয়ের পথে ছিল প্রোটিয়ারা। শেষদিকে সেটি জমিয়ে তোলেন বাংলাদেশি বোলাররা। ১৭ ও ১৮তম ওভারে ২ উইকেট তুলে চাপে ফেলে প্রোটিয়াদের।
জয়ের জন্য শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ৫ রান। এমন সমীকরণের সামনে মারুফা আক্তারের ওপর ভরসা রাখেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা। কিন্তু প্রথম বলেই বাউন্ডারি হজম করেন মারুফা। পরের বলে এক রান নিয়ে জয়ের সমীকরণ মেলান চার্লি ট্রায়ন।
ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। মারিজায়ানা কাপের করা ইনিংসের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। দুর্দান্ত এক ইয়র্কারে লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন এই ওপেনার। আরেক ওপেনার তাজনেহারও সুবিধা করতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র এক রান।
দুই ওপেনারের ব্যর্থতার পর দলের হাল ধরেন সুবহানা মুস্তারি ও শারমিন আক্তার। কিন্তু দুজনই বেশ ধীরগতির ব্যাটিং করেছেন। ২৯ বলে ২২ রান করেন শারমিন। মুস্তারির ব্যাট থেকে আসে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৪২ রান, তার জন্য খেলেছেন ৪৮ বল। যা দলের লাভের বদলে ক্ষতিই করে দিয়ে গেছে।
তবু, দলীয় সংগ্রহ ১০০ পার করার কৃতিত্ব অধিনায়ক নিগারের। ২০ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় অপরাজিত ৩২ রানে ভর দিয়ে মান বাঁচায় বাংলাদেশ। ম্যাচ জয়ের জন্য অবশ্য সেটি যথেষ্ট হয়নি।